<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অতিশয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করি।</p>
<ul>
<li>'সুনিপুণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'সু' উপসর্গ এবং 'নিপুণ' শব্দটির সমন্বয়ে।</li>
<li>এখানে 'সু' উপসর্গটি সাধারণ কোনো অর্থ প্রকাশ করছে না, বরং এটি 'নিপুণ' শব্দটির গভীরতা বা মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে।</li>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, যখন কোনো উপসর্গ মূল শব্দের গুণগত মানকে অনেক বেশি বা প্রবল করে তোলে, তখন সেটি <strong>অতিশয়</strong> বা আধিক্য অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, নিপুণ মানে দক্ষ, আর সুনিপুণ মানে হলো অতিশয় দক্ষ বা অত্যন্ত দক্ষ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিশীথিনী</strong>। খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে 'নিশীথ' বা 'নিশীথিনী' শব্দগুলো মূলত গভীর রাত বা অন্ধকার রাত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>নিশীথ</strong> মানে হলো মধ্যরাত।</li>
<li>যেহেতু 'নিশীথিনী' শব্দটি রাতের একটি বিশেষ রূপ বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এটিই এখানে সঠিক।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য শব্দগুলো রাতের সাথে সম্পর্কিত নয়, তাই সরাসরি <strong>নিশীথিনী</strong>-কেই রাতের প্রতিশব্দ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p><strong>নিশীথিনী</strong> বানানটি শুদ্ধ। নিয়ম অনুযায়ী 'নিশীথ' শব্দের সাথে 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাত্রি বা নিশি অর্থ প্রকাশ করার সময় রস ই-কার (ি) এবং দীর্ঘ ঈ-কার (ী)-এর সঠিক বিন্যাস বজায় থাকে। অর্থাৎ, বানানে প্রথমে 'নি' (রস্ব ই-কার), পরে 'শী' (দীর্ঘ ঈ-কার), 'থী' (দীর্ঘ ঈ-কার) এবং শেষে 'নী' (দীর্ঘ ঈ-কার) ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক বানানটি হলো <strong>নিশীথিনী</strong>।</p>
৯৯১৯
নিচের কোন শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রোগ্রাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তিগত শব্দ হিসেবে আমরা এটি নিয়মিত ব্যবহার করি।</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে কিছু শব্দ সরাসরি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li><strong>প্রোগ্রাম</strong> শব্দটি মূলত ফরাসি শব্দ 'programme' থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি শব্দগুলো যখন বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তখন সেগুলোর উচ্চারণ ও বানান অনেকটা মূল ভাষার মতোই থাকে। তাই প্রযুক্তি বা কাজের পরিকল্পনা বোঝাতে আমরা সরাসরি এই শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>‘তস্কর’ শব্দের অর্থ হলো চোর বা যে চুরি করে। তাই এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমরা এমন কাউকে খুঁজব যে সৎ বা ভালো মানুষ। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>তস্কর</strong> মানে হলো অসাধু বা চোর।</li>
<li><strong>সাধু</strong> মানে হলো সৎ বা ভালো মানুষ।</li>
</ul>
<p>যেহেতু তস্কর অনৈতিক কাজের সাথে যুক্ত, তাই এর বিপরীত হিসেবে সাধু শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভন্ড</strong>। এই বাগধারাটি মূলত এমন মানুষদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যারা বাইরে থেকে খুব ধার্মিক বা সজ্জন সেজে থাকে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ধূর্ত বা খারাপ স্বভাবের।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>তুলসী বন:</strong> পবিত্রতার প্রতীক।</li>
<li><strong>বাঘ:</strong> হিংস্রতার প্রতীক।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, পবিত্রতার আড়ালে হিংস্র বা খারাপ কিছু লুকিয়ে থাকাই হলো 'তুলসী বনের বাঘ'। তাই যারা বাইরে ভালো মানুষ সেজে ভণ্ডামি করে, তাদের ক্ষেত্রেই এই কথাটি খাটে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তর <strong>'আমার দেশ'</strong> কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি পড়ার সময় নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে সহজেই মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বলা হয় <strong>'ছন্দের জাদুকর'</strong>।</li>
<li>তার লেখায় দেশপ্রেমের এমন সহজ ও সাবলীল প্রকাশ খুব সহজেই পাঠককে আকৃষ্ট করে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই লাইনটি প্রায়ই আসে, তাই এটি মুখস্থ রাখার সহজ উপায় হলো কবির নামটির সাথে 'মাটির টান' বা 'দেশের মাটি' শব্দগুলো মনে মনে জুড়ে নেওয়া।</li>
</ul>
৯৯২৪
“মধুর চেয়েও আছে মধুর সে অঅমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি।” কবিতাংশ বিশেষের রচয়িতা-
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যের 'ছন্দের জাদুকর' হিসেবে পরিচিত। তার কবিতার ছন্দে যে সাবলীলতা ও দেশপ্রেম ফুটে ওঠে, এই পঙক্তিটি তার একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল সুর হলো দেশের মাটির প্রতি গভীর ভালোবাসা।</li>
<li>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত তার ছান্দিক নিপুণতায় এই পঙক্তিটিকে অমর করে রেখেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার লাইনটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবিচল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘চঞ্চল’ শব্দটির অর্থ হলো যা স্থির নয় বা অস্থির। এর বিপরীত অর্থ বোঝাতে আমরা এমন একটি শব্দ খুঁজি যা স্থিরতা বা অটল অবস্থাকে নির্দেশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>চঞ্চল:</strong> যার কোনো স্থিরতা নেই বা যে অস্থির।</li>
<li><strong>অবিচল:</strong> যার কোনো বিচলন নেই বা যে অটল ও স্থির।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু নড়াচড়া না করে স্থির থাকলে তাকে আমরা ‘অবিচল’ বলি, যা ‘চঞ্চল’-এর ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। তাই ব্যাকরণগতভাবে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাপদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'আপদ' শব্দটি সাধারণত বিপদ বা আপদ-বিপদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের মূল গঠন ও অর্থের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হয়।</li>
<li>'সাপদ' শব্দের অর্থ হলো যা আপদ বা বিপদসহ, অর্থাৎ বিপদের সাথে সম্পর্কিত। তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপদ মানে বিপদ আর সাপদ মানে বিপদের সাথে যুক্ত বা বিপদসহ—এভাবেই শব্দজোড়টি মনে রাখা সবচেয়ে কার্যকর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উন্মাদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'বাতুল' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো পাগল বা যার মানসিক ভারসাম্য ঠিক নেই।</p>
<ul>
<li><strong>বাতুল</strong> এবং <strong>উন্মাদ</strong>—এই দুটি শব্দই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বা পাগল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা সাধারণ কথোপকথনে যখনই কেউ মানসিকভাবে অস্থির বা অস্বাভাবিক আচরণ করে, তখন তাকে 'বাতুল' বা 'উন্মাদ' হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে 'উন্মাদ' একদম নিখুঁত পছন্দ!</p>
<p>‘খয়ের খাঁ’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>চাটুকার</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। যারা সবসময় অন্যের তোষামোদ করে বা নিজের স্বার্থে সবসময় কারো পিছে পিছে ঘুরে প্রশংসা করে বেড়ায়, তাদেরই আমরা চলতি ভাষায় ‘খয়ের খাঁ’ বলে থাকি। সহজ কথায়:</p>
<ul>
<li><strong>খয়ের খাঁ</strong> = যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের গুণগান গায়।</li>
<li>অর্থাৎ, এর অর্থ দাঁড়ায় <strong>চাটুকার</strong> বা তোষামোদকারী।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই বাগধারাটি আসলে চোখ বন্ধ করে ‘চাটুকার’ অপশনটি বেছে নিতে পারেন, কারণ এটিই এর সবচেয়ে প্রচলিত ও সঠিক অর্থ।</p>
৯৯২৯
' কথায় বর্ণনা করা যায় না যা' ---এ বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনির্বচনীয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যখন কোনো কিছু ভাষায় প্রকাশ করা বা বর্ণনা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখন তাকে এক কথায় বলা হয় 'অনির্বচনীয়'।</p>
<ul>
<li><strong>অনির্বচনীয়</strong> শব্দটি এসেছে 'ন' (না) + 'নির্বচন' (বচন বা কথা) থেকে।</li>
<li>সহজ কথায়, যা বচনের বা কথার অতীত, অর্থাৎ যা মুখে বলে শেষ করা যায় না, তাই অনির্বচনীয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে সরাসরি 'অনির্বচনীয়' দাগিয়ে দেবেন, কারণ এটিই এই বাক্যাংশের সবচেয়ে নির্ভুল ও মার্জিত রূপ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নীরস</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ তৈরির সময় অনেক ক্ষেত্রে শব্দের শুরুতে 'নিঃ' বা 'নির্' উপসর্গ যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li>'সরস' শব্দের অর্থ হলো যা রসের সাথে যুক্ত বা রসালো।</li>
<li>এর বিপরীত অবস্থা বোঝাতে 'স' (সহ) এর পরিবর্তে 'নিঃ' উপসর্গ যোগ করে তৈরি করা হয় 'নীরস', যার অর্থ হলো রসহীন বা শুষ্ক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর অভাব বা বিপরীত অবস্থা বোঝাতে এখানে <strong>সরস → নীরস</strong> রূপান্তরটিই সবচেয়ে যথাযথ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।