<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার উপায় হলো বাক্যের গঠন লক্ষ্য করা।</p>
<ul>
<li>একটি জটিল বাক্যে সাধারণত একটি প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং অন্যটি তার ওপর নির্ভরশীল থাকে।</li>
<li>এখানে ‘আমি এসেছি’ একটি অংশ এবং ‘তোমাকে নিয়ে যাব’ অন্য একটি অংশ, যা ‘কারণ’ অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো বাক্যে কার্য-কারণ সম্পর্ক বোঝাতে একটি অংশ অন্যটির ওপর নির্ভর করে, তখন সেটি জটিল বাক্য হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে একটি কাজের পেছনে অন্য একটি উদ্দেশ্য বা কারণ স্পষ্ট থাকায় এটি একটি <strong>জটিল বাক্য</strong>।</p>
৯৯৩২
বাংলায় বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন ব্যাকরণিক উপাদান কোনটি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে আলাদাভাবে বসে যে শব্দগুলো বিভক্তির মতো কাজ করে, তাদেরই <strong>অনুসর্গ</strong> বলা হয়।</li>
<li>এগুলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এবং পদের সাথে অন্য পদের সম্পর্ক তৈরি করতে সাহায্য করে।</li>
<li>যেমন: 'আমার <strong>জন্য</strong>', 'বইটি টেবিলের <strong>উপরে</strong>'—এখানে 'জন্য' বা 'উপরে' অনুসর্গ হিসেবে কাজ করছে, যা বিভক্তির মতোই বাক্যের কাঠামো গঠন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিভক্তি শব্দের সাথে লেপ্টে থাকে, আর অনুসর্গ শব্দের পরে আলাদাভাবে বসে বিভক্তির কাজ সম্পন্ন করে। তাই ব্যাকরণিক বিচারে অনুসর্গকে বিভক্তির একটি কার্যকর বিকল্প বা সহযোগী উপাদান হিসেবে ধরা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধারণ মানুষ বলে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তায় যখন আমরা বলি 'লোকে বলে', তখন আমরা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে বোঝাই না।</p>
<ul>
<li>'লোক' শব্দটি এখানে সমষ্টিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো কথা বা প্রবাদ অনেক মানুষ মিলে বলে বা প্রচলিত থাকে, তখন তাকেই আমরা 'লোকে বলে' হিসেবে অভিহিত করি।</li>
<li>তাই এখানে 'লোকে' বলতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়, বরং সমাজের <strong>সাধারণ মানুষ</strong> বা জনমতকে বোঝানো হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্দয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'দরদি' বলতে বোঝায় এমন কাউকে, যার মনে অন্যের জন্য মমতা বা সহানুভূতি আছে।</li>
<li>এর বিপরীত অর্থ দাঁড়ায় এমন কেউ, যার মনে কোনো মায়া-দয়া নেই।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, দয়ালু বা দরদি ব্যক্তির ঠিক উল্টো স্বভাবের মানুষকে আমরা <strong>নির্দয়</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দরদি মানে যার হৃদয় আছে, আর নির্দয় মানে যার হৃদয় নেই বা যে দয়া করতে জানে না। তাই শব্দার্থের বিচারে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মণি</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কিছু শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই বা স্বভাবতই ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়। একে বলা হয় স্বভাবতই ‘ণ’-এর ব্যবহার।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য এই শব্দগুলো মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো। ‘মণি’ শব্দটির ক্ষেত্রে কোনো সন্ধি বা সমাসের নিয়ম কাজ করে না, এটি বাংলা ভাষায় শুরু থেকেই এভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তাই এখানে ‘ণ’ ব্যবহার করাটাই ব্যাকরণসম্মত।</p>
<p>আপনার মনে রাখার সুবিধার্থে আরও কিছু শব্দ হলো:</p>
<ul>
<li>চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ।</li>
<li>বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা।</li>
<li>কল্যাণ, শোণিত, মণি, স্থাণু।</li>
</ul>
<p>এই শব্দগুলো নিয়মিত চর্চা করলে স্বভাবতই ‘ণ’-এর ব্যবহার নিয়ে আর কোনো বিভ্রান্তি থাকবে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বণিক</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কিছু শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই বা স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়। একে বলা হয় 'স্বভাবতই ণ-ত্ব বিধান'।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য আপনি এই শব্দগুলো একটি ছন্দের মতো করে মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<p>এই তালিকার শব্দগুলোতে কোনো সন্ধি বা সমাসের নিয়ম ছাড়াই সবসময় মূর্ধন্য-ণ বসে। তাই <strong>বণিক</strong> শব্দটি এই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখানে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তটিনী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'তটিনী' শব্দটি এসেছে 'তট' বা কিনারা থেকে। নদী যেহেতু দুই তট বা কিনারার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলে, তাই একে তটিনী বলা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নদীর প্রবাহ সবসময় দুই তট বা পাড়ের মধ্য দিয়ে হয়, তাই এর নাম তটিনী।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দের মূল অর্থ বা উৎস খুঁজে বের করা।</li>
<li>নদীর অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে স্রোতস্বিনী, শৈবালিনী এবং তরঙ্গিনী, যা অনেকটা তটিনীর মতোই নদীর প্রবাহকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তনয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের মূল অর্থ বুঝতে হয়।</p>
<ul>
<li>‘নন্দন’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পুত্র বা সন্তান।</li>
<li>একইভাবে ‘তনয়’ শব্দটির অর্থও হলো পুত্র।</li>
<li>সহজ কথায়, নন্দন এবং তনয়—উভয়ই পুত্রকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এরা একে অপরের সমার্থক।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে শব্দের মূল অর্থটি মাথায় রাখলেই খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিরীহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'দুর্দান্ত' শব্দটি সাধারণত এমন কাউকে বোঝায় যে খুব চঞ্চল, সাহসী বা কিছুটা উগ্র স্বভাবের।</li>
<li>এর বিপরীত বৈশিষ্ট্য হলো শান্ত বা নিরীহ স্বভাব।</li>
<li>তাই শব্দার্থের বিচারে 'দুর্দান্ত'-এর ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে <strong>নিরীহ</strong> শব্দটি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি বা বস্তু খুব বেশি চঞ্চল নয়, তাকেই আমরা এক কথায় নিরীহ বলে থাকি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিরাকার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'সাকার' শব্দটির অর্থ হলো যার আকার বা আকৃতি আছে। এর বিপরীত বা উল্টো অবস্থা বোঝাতে আমরা 'নি' উপসর্গটি যোগ করি।</p>
<ul>
<li><strong>সাকার</strong> = স (সহ) + আকার = যার আকার আছে।</li>
<li><strong>নিরাকার</strong> = নির্ (নাই) + আকার = যার কোনো আকার নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর অস্তিত্ব বা আকৃতি না থাকাকেই আমরা এক কথায় <strong>নিরাকার</strong> বলে থাকি। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটিই সঠিক বিপরীত শব্দ।</p>
<p>‘Null and Void’ শব্দগুচ্ছটির সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো <strong>বাতিল</strong>। আইনি বা দাপ্তরিক ভাষায় কোনো চুক্তি, দলিল বা সিদ্ধান্ত যখন আইনত অকার্যকর হয়ে যায়, তখন সেটিকে বোঝাতে এই ইংরেজি পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, যার আর কোনো বৈধতা নেই বা যা পুরোপুরি অকার্যকর, সেটিই হলো বাতিল।</p>
<p>‘Null and Void’ শব্দগুচ্ছটির সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো <strong>বাতিল</strong>। আইনি বা দাপ্তরিক ভাষায় কোনো চুক্তি, দলিল বা সিদ্ধান্ত যখন আইনত অকার্যকর বা মূল্যহীন হয়ে যায়, তখন সেটিকে বোঝাতে এই ইংরেজি পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>Null</strong> মানে হলো শূন্য বা অস্তিত্বহীন।</li>
<li><strong>Void</strong> মানে হলো অকার্যকর।</li>
<li>তাই যখন কোনো কিছুর আর কোনো আইনি ভিত্তি থাকে না, তখন সেটি পুরোপুরি <strong>বাতিল</strong> বলে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>আইনি বা দাপ্তরিক ভাষায় কোনো চুক্তি, দলিল বা সিদ্ধান্ত যখন আইনত অকার্যকর বা অচল হয়ে যায়, তখন তাকে ইংরেজিতে <strong>Null and void</strong> বলা হয়। সহজ কথায়, এর অর্থ হলো যা এখন আর কার্যকর নেই বা আইনত যার কোনো ভিত্তি নেই। তাই বাংলা পরিভাষায় একে আমরা সরাসরি <strong>বাতিল</strong> হিসেবেই চিনি।</p>
<ul>
<li><strong>Null:</strong> যার কোনো অস্তিত্ব বা বৈধতা নেই।</li>
<li><strong>Void:</strong> যা আইনত অকার্যকর।</li>
<li>একত্রে এদের অর্থ দাঁড়ায় যা পুরোপুরি <strong>বাতিল</strong> বা অকার্যকর।</li>
</ul>
<p>‘অক্ষির সমীপে’ কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো <strong>সমক্ষ</strong>। এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু চোখের সামনে বা চোখের কাছাকাছি বোঝায়, তখন তাকে এক কথায় ‘সমক্ষ’ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অক্ষি</strong> শব্দের অর্থ হলো চোখ।</li>
<li><strong>সমীপে</strong> শব্দের অর্থ হলো কাছে বা সামনে।</li>
<li>তাই, অক্ষির (চোখের) সমীপে (সামনে) = <strong>সমক্ষ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চোখের সামনে যা কিছু ঘটে বা থাকে, তাকেই আমরা এক কথায় সমক্ষ বলে থাকি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।