<p>’বিরত’ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>নিরত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>’বিরত’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া বা বিরত থাকা।</li>
<li>অন্যদিকে, ’নিরত’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কাজে গভীরভাবে মগ্ন বা লিপ্ত থাকা।</li>
<li>যেহেতু একটি শব্দ কোনো কিছু থেকে দূরে থাকার কথা বলছে এবং অন্যটি কোনো কাজে ডুবে থাকার কথা বলছে, তাই এরা একে অপরের বিপরীত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কাজ থেকে সরে আসা (বিরত) আর সেই কাজে লেগে থাকা (নিরত) — এই বিপরীতমুখী ধারণার কারণেই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিরত</strong>।</p>
<p>‘নিরবধি’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ + অবধি</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি অ-ধ্বনি থাকে, তবে বিসর্গটি লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী ধ্বনির সাথে মিলে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>নিঃ</strong> এর বিসর্গ এবং <strong>অবধি</strong> শব্দের শুরুতে থাকা <strong>অ</strong> মিলে গিয়ে <strong>র</strong> বা <strong>র-ফলা</strong> তৈরি করে না, বরং বিসর্গটি উঠে গিয়ে শব্দের গঠন পূর্ণ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে <strong>নিঃ + অবধি</strong> যুক্ত হয়েই ‘নিরবধি’ শব্দটি গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় নির্ভুলভাবে উত্তর করতে চাইলে এই বিসর্গযুক্ত রূপটি মনে রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>‘নিরন্ন’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ + অন্ন</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি ‘অ’ থাকে, তবে বিসর্গটি ‘র’ বা ‘র-এ হসন্ত’ (র্) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>নিঃ</strong> এর সাথে <strong>অন্ন</strong> যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গটি ‘র্’ এ পরিণত হয়।</li>
<li>পরবর্তীতে এই ‘র্’ পরবর্তী ‘অ’ এর সাথে মিলে গিয়ে ‘র’ (র-এ হসন্ত + অ = র) পূর্ণ রূপ পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>নিঃ + অন্ন = নিরন্ন</strong>। এখানে বিসর্গ লোপ পেয়ে ‘র’ কারের সৃষ্টি হয়েছে, যা শব্দটিকে পূর্ণতা দিয়েছে।</p>
<p>‘নির্জন’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ + জন</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি ‘চ’ বা ‘ছ’ থাকে তবে বিসর্গটি ‘শ’ হয়ে যায়।</li>
<li>একইভাবে, বিসর্গের পরে যদি ‘ট’ বা ‘ঠ’ থাকে তবে বিসর্গটি ‘ষ’ হয়।</li>
<li>আর বিসর্গের পরে যদি ‘ত’ বা ‘থ’ থাকে, তবে বিসর্গটি ‘স’ হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে ‘জন’ শব্দের শুরুতে ‘জ’ থাকায় বিসর্গটি পরিবর্তিত হয়ে ‘র’ বা রেফ (র্) হিসেবে যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>নিঃ + জন = নির্জন</strong>। এখানে বিসর্গটি লোপ পেয়ে রেফ চিহ্নের মাধ্যমে শব্দের সাথে মিশে গেছে।</p>
<p>‘নিরাময়’ শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ + আময়</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি ‘অ’ থাকে, তবে বিসর্গটি ‘র’ হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে ‘নিঃ’ এর বিসর্গের সাথে ‘আময়’ শব্দের ‘আ’ যুক্ত হয়ে ‘রা’ তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, বিসর্গ + আ = রা। এই নিয়মেই <strong>নিঃ + আময় = নিরাময়</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি মনে রাখলেই আপনি যেকোনো সময় এমন শব্দ সহজেই ভেঙে ফেলতে পারবেন।</p>
৯৯৫১
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে দ্বিতীয়া বিভক্তির লোপ পায় না, তাকে বলে -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'অলুক' শব্দের অর্থ হলো 'যা লোপ পায় না'।</li>
<li>সাধারণত সমাস করার সময় পূর্বপদের বিভক্তি উঠে যায়, কিন্তু অলুক সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তিটি যেমন ছিল তেমনই থেকে যায়।</li>
<li>যেহেতু এই সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি (যেমন: কে, রে) লোপ পায় না, তাই একে অলুক তৎপুরুষ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যদি সমাসবদ্ধ পদে বিভক্তি স্পষ্ট দেখা যায়, তবেই সেটি অলুক সমাস।</p>
৯৯৫২
'তোমার তরে এনেছি মালা গাঁথিয়া' এখানে 'তরে' অনুসর্গটি কি অর্থ প্রকাশ করছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিমিত্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের অর্থটা একটু খেয়াল করি।</p>
<p>অনুসর্গ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সহজ কৌশল মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর করা যায়:</p>
<ul>
<li>'তরে' অনুসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাক্যটিতে 'তোমার তরে' বলতে বোঝানো হয়েছে 'তোমার জন্য' বা 'তোমার নিমিত্তে'।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'নিমিত্ত' শব্দটি কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে 'তরে' অনুসর্গটি নিমিত্ত অর্থেই বসেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো কাজের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য বা কারো জন্য কিছু করা বোঝায়, তখনই 'তরে' অনুসর্গটি <strong>নিমিত্ত</strong> অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডুবন্ত</strong>। কারণ কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো এর মূল বা প্রকৃতি খুঁজতে হয়।</p>
<ul>
<li>'ডুবন্ত' শব্দটি এসেছে 'ডুব' (ক্রিয়ামূল) ধাতুর সাথে '-ন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।</li>
<li>ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে <strong>কৃৎ প্রত্যয়</strong> বলে।</li>
<li>অন্যদিকে, নাম শব্দের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিমরাজি</strong>। কারণ শব্দটিতে ব্যবহৃত <strong>'নিম'</strong> একটি ফার্সি উপসর্গ, যার অর্থ 'আধা' বা 'অর্ধেক'।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো— বাংলা ব্যাকরণে 'নিমরাজি', 'নিমরারাজি', 'নিমখুন' ইত্যাদি শব্দগুলোতে বিদেশি (ফার্সি) উপসর্গ ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনগুলোতে দেশি বা সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরত</strong>।</p>
<p>'নিরত' শব্দটি এসেছে কোনো কাজে গভীরভাবে যুক্ত বা লিপ্ত থাকা অর্থে। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয় <strong>বিরত</strong> শব্দটি, যার অর্থ কোনো কাজ থেকে দূরে থাকা বা বিরত থাকা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগ্যতা</strong>। একটা সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান গুণ হলো এর পদগুলোর মধ্যে অর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধন থাকা।</p>
<p>খুব সহজ কথায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যের শব্দগুলোর অর্থের দিক থেকে মিল থাকতে হবে।</li>
<li>যেমন—'বর্ষায় মরুভূমি প্লাবিত হয়'—এটি ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হলেও অর্থের দিক থেকে বেমানান, তাই এর কোনো যোগ্যতা নেই।</li>
<li>বাক্যের ভেতরের পদগুলো যেন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তবসম্মত অর্থ প্রকাশ করে, তাকেই মূলত <strong>যোগ্যতা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলয়</strong>।</p>
<p>একটু খেয়াল করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li>'গৃহ' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো মানুষের থাকার জায়গা বা বাসস্থান।</li>
<li>'ঘর', 'ভবন' এবং 'নিবাস'—এই তিনটি শব্দই গৃহের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>অন্যদিকে, সঠিক উত্তর হিসেবে থাকা শব্দটি এখানে গৃহের সমার্থক শব্দ নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: ঘরোয়া</strong>। কারণ 'গৃহ' শব্দের অর্থ বাড়ি, ঘর বা বাসস্থান। 'ভবন', 'ঘর' এবং 'নিবাস'—সবগুলোই গৃহের সমার্থক শব্দ। পক্ষান্তরে, 'ঘরোয়া' শব্দটি একটি বিশেষণ যা ঘর সংক্রান্ত বা পারিবারিক কোনো বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সরাসরি গৃহ বা বাড়ির সমার্থক নয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।