<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঊর্মি</strong>।</p>
<p>'ঢেউ' শব্দের একটি দারুণ ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ হলো 'ঊর্মি'। এর পাশাপাশি তরঙ্গ, লহরী, মাজী ইত্যাদি শব্দগুলোও ঢেউ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই পরীক্ষার হলে এমন প্রশ্ন আসলে সরাসরি 'ঊর্মি' দাগিয়ে দিতে পারো!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিধু বাবু</strong>। বাংলা গান তথা 'টপ্পা' গানের ধারাকে জনপ্রিয় করে তুলতে এবং এর মূল ভিত্তি গড়ে তুলতে নিধু বাবুর (রামনিধি গুপ্ত) অবদান সবচেয়ে বেশি। তাই তাঁকেই বাংলা টপ্পা গানের জনক বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিধু</strong>। খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন যে, 'চাঁদ' শব্দের বেশ কিছু সুন্দর সমার্থক শব্দ রয়েছে, যার মধ্যে 'বিধু' অন্যতম। এছাড়া চাঁদকে সুধাকর, শশধর, চন্দ্র, নিশাকর ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়। তাই পরীক্ষার হলে 'বিধু' দেখলে চোখ বন্ধ করে এটি দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিদ্রিত</strong>।</p>
<p>'সুপ্ত' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো যা লুকিয়ে আছে বা যা ঘুমিয়ে রয়েছে। খুব সহজ কথায়, কোনো কিছু যা প্রকাশিত বা জাগ্রত নয়, তাকেই সুপ্ত বলা হয়। অন্যদিকে 'নিদ্রিত' শব্দের অর্থও ঘুমন্ত বা সুপ্তাবস্থায় থাকা। তাই অর্থের দিক থেকে 'নিদ্রিত' শব্দটি 'সুপ্ত'-এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধারণ অতীত</strong>।</p>
<p>যে কাজটি সাধারণভাবেই অতীতে শেষ হয়ে গেছে এবং যার ফল এখন আর বর্তমানে নেই, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে। 'প্রদীপ নিভে গেল' বাক্যটিতে কাজটি অতীতে ঘটার সাধারণ একটি তথ্য প্রকাশ করছে, তাই এটি সাধারণ অতীত কালের উদাহরণ।</p>
<p>‘মনমাঝি’ শব্দটির সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপক কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমান (যার সাথে তুলনা করা হয়) এবং উপমেয় (যাকে তুলনা করা হয়)-এর মধ্যে অভিন্নতা বা একাত্মতা বোঝানো হয়।</li>
<li>এখানে ‘মন’ হলো উপমেয় এবং ‘মাঝি’ হলো উপমান। মন এবং মাঝির মধ্যে কোনো পার্থক্য না রেখে যখন মনকেই মাঝি হিসেবে কল্পনা করা হয়, তখনই এটি রূপক কর্মধারয় হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন ব্যাসবাক্য করলে <strong>‘মন রূপ মাঝি’</strong> হয় এবং তুলনাটি অভিন্ন মনে হয়, তখন চোখ বন্ধ করে একে রূপক কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারয়</strong>। কারণ, এই সমাসের ব্যাসবাক্য হলো— 'সিংহাসন' = 'সিংহ চিহ্নিত আসন'।</p>
<ul>
<li>এখানে মাঝের <strong>'চিহ্নিত'</strong> পদটি সমস্ত পদে এসে লোপ পেয়েছে।</li>
<li>যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো লুপ্ত হয়, তাকেই সহজ কথায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
</ul>
৯৯৮৩
যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা ত করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে বলে-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। কারণ যে সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য থাকে না বা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, সেটাই মূলত নিত্য সমাস।</p>
<ul>
<li>নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে।</li>
<li>যেমন: 'অন্য গ্রাম' = গ্রামান্তর। এখানে ব্যাসবাক্য করতে গিয়ে 'অন্য' পদের সাহায্য নিতে হয়েছে।</li>
<li>তাই দেখলেই চেনা যায় যে, এর স্বাভাবিক কোনো ব্যাসবাক্য হয় না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ নিত্য সমাসের মূল বৈশিষ্ট্যই হলো এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নিত্য সমাসে সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ হয়েই থাকে।</li>
<li>এদের অর্থ প্রকাশ করতে অন্য কোনো পদের সাহায্য বা ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন পড়ে না।</li>
<li>যেমন: 'গ্রামান্তর' বা 'অন্য গ্রাম', 'দেশান্তর' বা 'অন্য দেশ'—এগুলো নিত্য সমাসের উদাহরণ, যেখানে ব্যাসবাক্য ছাড়াই সমাস গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই দেখবেন কোনো সমাসে ব্যাসবাক্যের দরকার নেই, চোখ বন্ধ করে <strong>নিত্য সমাস</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>উপপদ</strong> মানে হলো কৃদন্ত পদের সাথে যে বিশেষ্য পদটি যুক্ত থাকে।</li>
<li>যখন কোনো বিশেষ্য পদের সাথে কৃদন্ত পদ (ক্রিয়া থেকে উৎপন্ন পদ) যুক্ত হয়ে নতুন কোনো অর্থ তৈরি করে, তখনই তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।</li>
<li>সহজ উদাহরণ: 'জল' (বিশেষ্য) + 'দ' (কৃদন্ত পদ) = জলদ। এখানে 'জল' হলো উপপদ, আর পুরো শব্দটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যেখানেই দেখবেন বিশেষ্য পদের সাথে এমন কোনো শব্দ যুক্ত আছে যা কোনো কাজ বা ক্রিয়াকে নির্দেশ করছে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: নঞ বহুব্রীহি সমাস</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>সহজ কৌশল:</strong> যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদে না বোধক বা 'নঞ' অব্যয় (যেমন: নি, না, বে, নাই) থাকে এবং সমস্তপদটি দ্বারা অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে নঞ বহুব্রীহি সমাস বলে।</li>
<li><strong>ব্যাখ্যা:</strong> 'নির্দয়' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো 'দয়া নেই যার'। এখানে 'নি' (নেই) উপসর্গটি না বোধক অর্থ প্রকাশ করেছে এবং সমস্তপদটি দিয়ে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে যার দয়া নেই। তাই এটি নঞ বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাদি সমাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। যখন কোনো সমাসে পূর্বপদে <strong>প্র, পরা, অনু</strong> ইত্যাদি উপসর্গ বসে এবং পরপদের সাথে বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদের মিলন ঘটে, তখনই তাকে প্রাদি সমাস বলে।</p>
<p>সহজভাবে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>শব্দের শুরুতে যদি <strong>প্র, পরা, অনু</strong> বা এই জাতীয় উপসর্গ থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি প্রাদি সমাস দাগিয়ে দিতে পারেন।</li>
<li>যেমন: 'প্র' + 'বচন' = <strong>প্রবচন</strong>, এখানে 'প্র' উপসর্গটি পূর্বপদে বসেছে।</li>
<li>একইভাবে, 'অনু' + 'তাপ' = <strong>অনুতাপ</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, উপসর্গ দেখলেই বুঝে নেবেন এটি প্রাদি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—নিত্য সমাসে সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ হয়েই থাকে, তাই আলাদা করে কোনো ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন পড়ে না।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নিত্য সমাস</strong> মানেই হলো এমন কিছু শব্দ যা সবসময় জোড়া লাগানো অবস্থায় থাকে।</li>
<li>এদের অর্থ প্রকাশ করতে গেলে অন্য কোনো পদের সাহায্য নিতে হয় না, তাই ব্যাসবাক্য তৈরি করার দরকার হয় না।</li>
<li>যেমন: 'গ্রামান্তর' বা 'অন্য গ্রাম', 'দেশান্তর' বা 'অন্য দেশ'—এগুলো নিত্য সমাসের উদাহরণ যেখানে ব্যাসবাক্য ছাড়াই সমাস গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাদি সমাস</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসে পূর্বপদে <strong>প্র, পরা, অপ, অনু</strong> ইত্যাদি অব্যয় বা উপসর্গ যুক্ত থাকে এবং পরপদটি কৃদন্ত পদ হয়, তখন তাকে প্রাদি সমাস বলে।</li>
<li>'অনুতাপ' শব্দটি ভাঙলে আমরা পাই: <strong>অনু + তাপ</strong>।</li>
<li>এখানে 'অনু' একটি উপসর্গ এবং 'তাপ' একটি কৃদন্ত পদ। যেহেতু উপসর্গ 'অনু' যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই প্রাদি সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে যদি এমন কোনো উপসর্গ দেখেন যা বিশেষ কোনো অর্থ তৈরি করছে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটিকে প্রাদি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।