<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেকার</strong>। কারণটা খুব সহজ, এখানে 'বে' একটি ফারসি উপসর্গ।</p>
<p>শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই:</p>
<ul>
<li><strong>বে</strong> (বিদেশি বা ফারসি উপসর্গ) + <strong>কার</strong> (মূল শব্দ) = <strong>বেকার</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলোর শুরুতে এমন কিছু অংশ থাকে যা বাংলা বা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিজস্ব উপসর্গ নয়, বরং অন্য ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোই বিদেশি উপসর্গ। এখানে 'বে' শব্দটি 'না' বা 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সরাসরি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: স্বরসন্ধির</strong>। কারণ 'মতৈক্য' শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়— মত + ঐক্য। এখানে প্রথম শব্দের শেষে থাকা 'অ' এবং পরের শব্দের শুরুতে থাকা 'ঐ' মিলে 'ঐ' কার (ৌ) হয়েছে। যেহেতু দুটি স্বরবর্ণ মিলে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে, তাই এটি স্পষ্টতই স্বরসন্ধির নিয়ম মেনে চলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জন সন্ধির</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'কৃষ্টি' শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়: <strong>কৃষ্ + তি</strong>।</li>
<li>এখানে ষ-ত্ব বিধান ও ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন ঘটেছে, যেখানে 'ষ্' হলো ব্যঞ্জনবর্ণ এবং 'তি' এর 'ত' ও ব্যঞ্জনবর্ণ।</li>
<li>যেহেতু ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই ব্যঞ্জনসন্ধি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জন সন্ধি</strong>। তবে আপনার দেওয়া অপশনে ‘ব্যঞ্জন সন্ধি’ সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ‘ব্যঞ্জন’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে আমরা পাই: <strong>বি + অঞ্জন = ব্যঞ্জন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘বি’ (ই-কার) এর সাথে ‘অঞ্জন’ (অ) যুক্ত হয়ে ‘ব্য’ (য-ফলা) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণ বা স্বরবর্ণের মিলনে সন্ধি হয়েছে, তাই এটি <strong>ব্যঞ্জন সন্ধি</strong>।</li>
<li>মনে রাখার সহজ উপায় হলো, শব্দের শুরুতে যদি ‘ব্য’ বা ‘ব’ এর সাথে য-ফলা থাকে, তবে সেটি সাধারণত ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম মেনে চলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসন্ধি</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>'দিব' শব্দের শেষ ধ্বনি হলো <strong>অ</strong> ($অ् + অ$) এবং 'লোক' শব্দের শুরুতে আছে <strong>ল</strong>।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, এখানে 'দিব' শব্দের শেষের ব-এর জায়গায় উ-কার যুক্ত হয়ে 'দিউ' বা পরবর্তীতে 'দ্যৌঃ' এবং স্বরের সাথে স্বরের মিলনে এটি স্বরসন্ধির নিয়মেই সাধিত হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এমন শব্দ দেখলে মনে রাখবেন, স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মেলবন্ধন ঘটলেই সেটি <strong>স্বরসন্ধি</strong> হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসন্ধি</strong>।</p>
<ul>
<li>শব্দটিকে সন্ধিবিচ্ছেদ করলে পাই: <strong>অনু + এষণ = অন্বেষন</strong>।</li>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে 'উ' কার এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে 'এ' রয়েছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'উ' বা 'ঊ'-এর পরে অন্য স্বরধ্বনি থাকলে 'উ' বা 'ঊ' এর জায়গায় 'ব' (বা ভ) হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলন ঘটেছে, তাই এটি <strong>স্বরসন্ধি</strong>-র অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসন্ধি</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি মনে রাখার কৌশল হলো শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ করা। 'পূর্ণেন্দু'-কে ভাঙলে পাওয়া যায়:</p>
<ul>
<li>পুর্ণ + ইন্দু = পূর্ণেন্দু</li>
</ul>
<p>লক্ষ করুন, এখানে প্রথম শব্দের শেষে থাকা 'অ' এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে থাকা 'ই' মিলে 'এ' কার হয়েছে। যেহেতু স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে, তাই এটি নিয়মানুযায়ী একটি নিখুঁত <strong>স্বরসন্ধি</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে সবসময় সব শব্দ গঠিত হয় না। কিছু শব্দ কোনো নিয়ম বা ব্যাকরণের তোয়াক্কা না করে প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি হয়ে যায়, সেগুলোকে <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong> বলা হয়। তাই যে বহুব্রীহি সমাস কোনো সাধারণ নিয়মের অধীন নয় এবং প্রাকৃতিকভাবে প্রচলিত হয়ে গেছে, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি বলে। যেমন: অন্তে জন্ম যার = অন্ত্যজ।</p>
৯৯৬৯
'গলায় গামছা যার'- এটি কোন ধরনের বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্য?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিই যদি বিশেষণ না হয়ে দুটিই বিশেষ্য পদ হয়, তবে তাকে <strong>ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি</strong> বলে।</li>
<li>এখানে ব্যাসবাক্যের 'গলায়' (বিশেষ্য) এবং 'গামছা' (বিশেষ্য) উভয় পদই বিশেষ্য পদ।</li>
<li>যেহেতু পদ দুটি ভিন্ন বিশেষ্য এবং মিলে অন্য কোনো পদকে বোঝাচ্ছে, তাই এটি ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: ব্যঞ্জন সন্ধির</strong>।</p>
<p>কারণ 'রাজ্ঞী' শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় <strong>রাজ্ + নী</strong>। এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে, তাই এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। খুব সহজেই মনে রাখার নিয়ম হলো— যেখানে শব্দের মাঝে ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তন বা সংযোগ দেখা যায়, চোখ বন্ধ করে তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: নিন্দার অযোগ্য</strong>।</p>
<p>শব্দটিকে ভেঙে খুব সহজেই এর অর্থ মনে রাখা যায়। এখানে 'নিদ' বা 'নিন্দা' শব্দের আগে 'অ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে নেতিবাচক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। 'নিন্দ্য' মানে যা নিন্দার যোগ্য, আর তার সাথে 'অ' যুক্ত হয়ে 'অনিন্দ্য' হয়েছে যার অর্থ দাঁড়ায় যা <strong>নিন্দার অযোগ্য</strong> অর্থাৎ সুন্দর বা প্রশংসনীয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: তুচ্ছার্থ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ‘বাজে কথা’ বলতে এমন কথা বোঝায় যার কোনো বিশেষ মূল্য বা গুরুত্ব নেই। অর্থাৎ, এখানে ‘বাজে’ উপসর্গটি কোনো কিছুকে মূল্যহীন বা গুরুত্বহীন অর্থে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে, যা ব্যাকরণের ভাষায় <strong>তুচ্ছার্থ</strong> নামে পরিচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিলম্ব</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে বলতে গেলে, 'ঝাটিতি' শব্দটির অর্থ হলো দ্রুত বা শীঘ্র। তাই এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দটি হলো <strong>বিলম্ব</strong>, যার অর্থ দেরি করা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশিষ্ট</strong>।</p>
<p>‘ইতি’ উপসর্গটি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার হতে পারে। তবে ‘কথা’ শব্দের পূর্বে বসে যখন ‘ইতিকথা’ তৈরি করে, তখন এটি মূলত কোনো বিশেষ বা বিশিষ্ট কথা কিংবা ইতিহাসকে বোঝায়। তাই এখানে ‘ইতি’ উপসর্গটি <strong>বিশিষ্ট</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশিষ্ট</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'ইতি' উপসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর বিশেষত্ব বা বিশিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'ইতিকথা' শব্দটির অর্থ হলো কোনো বিষয়ের বিস্তারিত বা বিশিষ্ট বর্ণনা।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো সাধারণ কথার সাথে 'ইতি' যুক্ত হয়ে সেটিকে একটি বিশেষ রূপ দেয়, তখন সেখানে 'ইতি' উপসর্গটি <strong>বিশিষ্ট</strong> অর্থে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে সরাসরি 'বিশিষ্ট' অপশনটি বেছে নিতে পারেন। এটি মনে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো শব্দটির অর্থ বিশ্লেষণ করা।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।