<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। যে সমাসের সমস্তপদ বা সমাজবদ্ধ পদ দেখে কোনো ব্যাসবাক্য তৈরি করা যায় না বা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।</p>
<p>'দেশান্তর' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'অন্য দেশ'। এখানে 'অন্য' শব্দটি যোগ করে এর অর্থ পরিষ্কার করতে হয়েছে, যা নিত্য সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong> সমাস। খুব সহজেই এটি চেনার দারুণ একটি কৌশল রয়েছে:</p>
<ul>
<li>যে সমাসের পূর্বপদটি কৃদন্ত পদ (অর্থাৎ ক্রিয়ামূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত শব্দ) এবং তার সাথে পরবর্তী পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে।</li>
<li>'ধামাধরা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>ধামা ধরে যে</strong>।</li>
<li>এখানে 'ধামা' হলো বিশেষ্য পদ এবং 'ধরে' হলো ক্রিয়ামূলের সাথে যুক্ত পদ (কৃদন্ত পদ)। এই গঠন দেখলেই চোখ বন্ধ করে এটিকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস দাগিয়ে দিতে পারেন!</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপক কর্মধারয়</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মনে রাখুন:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে উপমেয় (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে) এবং উপমান (যার তুলনা করা হচ্ছে)-এর মধ্যে অভিন্ন বা কল্পিত রূপ বোঝানো হয়, সেটাই রূপক কর্মধারয়।</li>
<li>এখানে 'ভব' (সংসার) এবং 'নদী' আলাদা কিছু নয়, বরং সংসারকে নদীর সাথে অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে।</li>
<li>এর ব্যাসবাক্য হলো: <strong>ভব রূপ নদী</strong>। মাঝখানে 'রূপ' পদটি থাকলেই চোখ বন্ধ করে এটিকে রূপক কর্মধারয় দাগিয়ে দিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>। সমাসটি খুব সহজে চেনার একটা দারুণ উপায় আছে:</p>
<ul>
<li>যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদটি 'কৃৎ প্রত্যয়ান্ত' (শব্দমূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত) এবং পরপদটি কোনো বিশেষ্য পদ, তাকে <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong> বলে।</li>
<li>'বর্ণচোরা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো— <strong>বর্ণ চোর যে</strong> (বা যা)। এখানে 'চোর' শব্দটি এসেছে 'চুরি' ধাতু থেকে যার সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত আছে।</li>
<li>যেহেতু এর ব্যাসবাক্যে একটি কৃপদ পদ ও পরপদের মাঝে এমন সম্পর্ক থাকে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ সমাস দাগিয়ে দেওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিহাত অলস</strong>।</p>
<p>'গোঁফ খেজুরে' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা। কোনো রকম পরিশ্রম না করে বা অলসতার কারণে যারা হাত গুটিয়ে বসে থাকে, তাদের বোঝাতেই মূলত এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, চরম মাত্রার অলস বা কুঁড়ে স্বভাবের মানুষদেরই 'গোঁফ খেজুরে' বলা হয়।</p>
৯৯৯৭
“Look before you leap” বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাহরাম খান</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'লাইলী মজনু' কাব্যটি মূলত ফারসি সাহিত্যের প্রভাবে রচিত একটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান। ষোড়শ শতাব্দীতে মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি বাহরাম খান মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য ধারায় এই বিখ্যাত প্রেমকাব্যটি বাংলায় রূপান্তর ও সফলভাবে রচনা করেন।</p>
৯৯৯৯
ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরী হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রকৃতি বা ক্রিয়া প্রকৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>শব্দের যে অংশটিকে আর ভাঙা যায় না বা যা শব্দের মূল ভিত্তি, তাকেই বলা হয় <strong>প্রকৃতি</strong>।</li>
<li>যখন কোনো ধাতুর (ক্রিয়ামূলের) সাথে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন সেই মূল ধাতুটিই <strong>ক্রিয়া প্রকৃতি</strong> হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের যে মূল অংশটি থেকে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেটিই হলো প্রকৃতি। যেহেতু এখানে ধাতুর কথা বলা হয়েছে, তাই একে আমরা <strong>ক্রিয়া প্রকৃতি</strong> বলছি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দোকান</strong>।</p>
<p>বাংলা শব্দভান্ডারে 'আপণ' (প-এ মূর্ধন্য ণ) একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থ হলো দোকান। অপরদিকে, 'আপন' (প-এ দন্ত্য ন) শব্দটির অর্থ হলো নিজ বা নিজের। বানান ও অর্থের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিচ্+অন্ত</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে চ-বর্গের ধ্বনির পর স্বরধ্বনি থাকলে চ-এর জায়গায় জ (বা কখনো বর্গের তৃতীয় বর্ণ) হয়। এই নিয়মে 'নিচ্' শব্দের সাথে 'অন্ত' যুক্ত হয়ে তৈরি হয় <strong>ণিজন্ত</strong>।</p>
<ul>
<li>প্রথমে মূল শব্দ ও প্রত্যয় আলাদা করে দেখতে হয়: <strong>নিচ্ + অন্ত</strong>।</li>
<li>সন্ধির নিয়মে চ-এর জায়গায় জ হয়ে শব্দটি সহজে <strong>ণিজন্ত</strong> রূপ নেয়।</li>
</ul>
<p>‘নিজন্ত’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নিচ + অন্ত</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণ (চ) এর পরে যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি তার বর্গের তৃতীয় বর্ণে (জ) রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে ‘নিচ’ শব্দের শেষে থাকা <strong>চ</strong> বর্ণটি সন্ধির ফলে <strong>জ</strong>-তে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক যুক্তিতে বিষয়টি এমন:
$$চ + অ = জ$$</li>
<li>এই নিয়মে ‘নিচ’ এর সাথে ‘অন্ত’ যুক্ত হয়ে ‘নিজন্ত’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে থাকা ‘চ’ যখন ‘জ’ হয়ে যায়, তখন বুঝতে হবে এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সেই পরিচিত নিয়মটিই অনুসরণ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিগ্রহ</strong>।</p>
<p>শব্দার্থের দিক থেকে 'অনুগ্রহ' শব্দটির অর্থ হলো দয়া, কৃপা বা ভালো ব্যবহার। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দটি হলো 'নিগ্রহ', যার অর্থ হলো অবহেলা, কটু আচরণ বা নির্যাতন। তাই সঠিক উত্তরটি হবে নিগ্রহ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিঃসংকোচ</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার নিয়ম হলো, কোনো কিছুর আবেশ বা কুন্ঠা বোঝাতে 'সংকোচ' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে সামনে 'নিঃ' উপসর্গ যুক্ত করে খুব সহজেই <strong>নিঃসংকোচ</strong> শব্দটি তৈরি করা হয়, যার অর্থ কোনো রকম দ্বিধা বা ভয় ছাড়া।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিগ্রহ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>অনুগ্রহ</strong> মানে হলো কারো প্রতি দয়া দেখানো বা কৃপা করা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>নিগ্রহ</strong> মানে হলো কাউকে কষ্ট দেওয়া, দমন করা বা অত্যাচার করা।</li>
</ul>
<p>শব্দার্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। তাই 'অনুগ্রহ' এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'নিগ্রহ' সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।