eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৬৬৬

‘মনসামঙ্গল’-এর লেখক কে

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানা হরিদত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কানা হরিদত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে তাকেই গণ্য করা হয়।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মনসামঙ্গল কাব্যের ধারায় <strong>কানা হরিদত্ত</strong> হলেন প্রথম কবি।</li>
<li>যদিও তার লেখা সম্পূর্ণ পাওয়া যায়নি, তবে বিভিন্ন মঙ্গলকাব্যের ভণিতায় তার নাম পাওয়া যায়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে মনসা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য তিনি প্রথম কাব্য রচনা শুরু করেছিলেন বলে তাকেই আদি কবি বলা হয়।</li>
</ul>
১৬৬৭

‘কল্লোল’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঢেউ
ব্যাখ্যা:
<p>‘কল্লোল’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>ঢেউ</strong>। সহজভাবে মনে রাখার জন্য আপনি নিচের বিষয়টি খেয়াল করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>‘কল্লোল’ শব্দটি মূলত সমুদ্র বা নদীর পানির শব্দ বা গর্জন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যখন পানির ঢেউ আছড়ে পড়ে, তখন যে বিশেষ ধ্বনি বা শব্দ তৈরি হয়, তাকেই কাব্যিক ভাষায় ‘কল্লোল’ বলা হয়।</li>
<li>তাই আভিধানিক অর্থে কল্লোল বলতে সমুদ্রের <strong>ঢেউ</strong> বা ঢেউয়ের শব্দকেই বোঝায়।</li>
</ul>
১৬৬৮

‘কাষ্ঠ’ এর প্রাকৃত রূপ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কট্ঠ
ব্যাখ্যা:
<p>‘কাষ্ঠ’ শব্দটির প্রাকৃত রূপ হলো <strong>কট্ঠ</strong>। প্রাকৃত ভাষায় সংস্কৃত শব্দের রূপ পরিবর্তনের সময় সাধারণত যুক্তব্যঞ্জনগুলো সরলীকৃত হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে দ্বিত্ব ব্যঞ্জনের সৃষ্টি হয়।</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দে যখন কোনো যুক্তবর্ণ থাকে, প্রাকৃত রূপান্তরের সময় তা প্রায়ই একই জাতীয় দুটি ব্যঞ্জনবর্ণে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে ‘ষ্ঠ’ যুক্তবর্ণটি পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত নিয়মে <strong>ট্ঠ</strong>-তে রূপ নিয়েছে।</li>
<li>তাই ভাষাতাত্ত্বিক নিয়ম অনুযায়ী, কাষ্ঠ > কট্ঠ রূপটিই সঠিক।</li>
</ul>
১৬৬৯

‘গোঁয়ার গোবিন্দ’ এর অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাণ্ডজ্ঞানহীন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাণ্ডজ্ঞানহীন</strong>।</p>

<p>সহজ কথায়, ‘গোঁয়ার গোবিন্দ’ বাগধারাটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যার মধ্যে কোনো বিচার-বুদ্ধি বা কাণ্ডজ্ঞান নেই। যে ব্যক্তি জেদি এবং কোনো কিছু না বুঝেই হঠকারী কাজ করে, তাকেই আমরা চলতি ভাষায় ‘গোঁয়ার গোবিন্দ’ বলে থাকি।</p>

<ul>
<li><strong>গোঁয়ার:</strong> এর অর্থ হলো একগুঁয়ে বা জেদি।</li>
<li><strong>গোবিন্দ:</strong> এখানে একটি নাম হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, পুরো বাগধারাটি মূলত নির্বোধ বা কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, যে ব্যক্তি কোনো যুক্তি মানে না এবং কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে জেদ ধরে থাকে, সেই হলো <strong>কাণ্ডজ্ঞানহীন</strong> বা গোঁয়ার গোবিন্দ।</p>
১৬৭০

‘যেমন কাজ করবে তেমন ফল পাবে।”-বাক্যটির সরল রূপ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজ অনুযায়ী ফল পাবে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজ অনুযায়ী ফল পাবে</strong>। কারণ বাক্যটিকে সরল করার সময় আমরা জটিল বা সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন-তেমন) বাদ দিয়ে মূল ভাবটিকে একটি সহজ বাক্যে নিয়ে এসেছি।</p>

<ul>
<li>মূল বাক্যে 'যেমন' ও 'তেমন' ব্যবহার করে একটি শর্ত বা নির্ভরতা বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>সরল রূপ করার সময় আমরা এই জটিলতা কমিয়ে সরাসরি কাজের সাথে ফলের সম্পর্ক স্থাপন করেছি।</li>
<li>এভাবে 'কাজ অনুযায়ী ফল পাবে' বললে পুরো বিষয়টি খুব সংক্ষেপে ও স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়।</li>
</ul>
১৬৭১

‘বাংলার’ স্কট বলা হয় কাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্রকে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। স্যার ওয়াল্টার স্কট তার ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। বাংলা সাহিত্যে ঠিক একইভাবে ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারাকে জনপ্রিয় ও সমৃদ্ধ করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। তাই তার সাহিত্যিক শৈলী এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরির দক্ষতার কারণে তাকে <strong>'বাংলার স্কট'</strong> বলা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>বঙ্কিমচন্দ্র:</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস 'রাজসিংহ' ও 'দুর্গেশনন্দিনী'-র রচয়িতা।</li>
<li><strong>তুলনা:</strong> ওয়াল্টার স্কটের মতো তিনিও ইতিহাসের সাথে কল্পনার মিশেলে অসাধারণ সব কাহিনী তৈরি করেছিলেন।</li>
</ul>
১৬৭২

“এ ভরা বাদর মাহ ভাদর শূন্য মন্দির মোর।” -কে লিখেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। এই বিখ্যাত পদটি বিদ্যাপতির পদাবলি থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতিকে মূলত <strong>মৈথিলি কোকিল</strong> বলা হয়।</li>
<li>তার পদাবলিতে রাধা-কৃষ্ণের বিরহ ও মিলনের যে আবেগ ফুটে ওঠে, তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো এই লাইনটি।</li>
<li>সাহিত্যিক পরীক্ষায় এই লাইনটি প্রায়ই আসে, তাই এটি বিদ্যাপতির অন্যতম সিগনেচার লাইন হিসেবে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
১৬৭৩

'কয়েকটি গান' ও 'গীতিপুঞ্জ' কোন কবির গানের সংকলন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অতুল প্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অতুল প্রসাদ সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ অতুল প্রসাদ সেনের গানের ভাণ্ডার মূলত এই দুটি বইয়ের মাধ্যমেই পরিচিতি পেয়েছে।</p>

<ul>
<li><strong>কয়েকটি গান</strong> এবং <strong>গীতিপুঞ্জ</strong>—এই দুটি গ্রন্থই অতুল প্রসাদ সেনের মৌলিক ও জনপ্রিয় গানের সংকলন।</li>
<li>তার গানের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে ভক্তি, দেশপ্রেম এবং বিরহের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ দেখা যায়, যা এই সংকলনগুলোতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা গানের জগতে অতুল প্রসাদ সেনের নিজস্ব ঘরানা তৈরির পেছনে এই সংকলনগুলোর অবদান অনেক। তাই যখনই এই বই দুটির নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে অতুল প্রসাদ সেনকে মনে রাখলেই চলবে!</p>
১৬৭৪

‘এ ভরা বাদর মাহ ভাদর শূন্য মন্দির মোর।’ -- লিখেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত পদটি মধ্যযুগের কবি বিদ্যাপতির লেখা। এটি মূলত তাঁর 'পদাবলী'র অন্তর্ভুক্ত একটি বিরহ পর্যায়ের পদ। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>

<ul>
<li>বিদ্যাপতিকে বলা হয় <strong>'মৈথিল কোকিল'</strong>।</li>
<li>তাঁর পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও বিরহের যে আবেগ ফুটে উঠেছে, তার অন্যতম সেরা উদাহরণ হলো এই পঙক্তিটি।</li>
<li>সাহিত্যিক পরীক্ষায় এই লাইনটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নামটা মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
১৬৭৫

‘জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে’ --- এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুফিয়া কামাল</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি সুফিয়া কামালের <strong>'স্বদেশ'</strong> নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি মূলত দেশপ্রেমের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>

<ul>
<li>কবি সুফিয়া কামালকে আমরা সাধারণত <strong>'জননী সাহসিকা'</strong> হিসেবে জানি, যার লেখায় দেশ ও মানুষের প্রতি গভীর মমতা ফুটে ওঠে।</li>
<li>এই কবিতাংশটি তাঁর দেশপ্রেমমূলক রচনার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি লাইন, যা প্রায়ই বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।</li>
</ul>
১৬৭৬

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’- কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভারতচন্দ্র রায়</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়ের লেখা <strong>'অন্নদামঙ্গল'</strong> কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি মূলত ঈশ্বরী পাটুনির প্রার্থনা। বিষয়টিকে সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>কাব্যগ্রন্থ:</strong> অন্নদামঙ্গল কাব্য।</li>
<li><strong>চরিত্র:</strong> ঈশ্বরী পাটুনির মুখে এই উক্তিটি বসানো হয়েছে।</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> দেবী অন্নপূর্ণার কাছে ঈশ্বরী পাটুনির এই প্রার্থনার মাধ্যমে তৎকালীন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার একটি সহজ-সরল আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>

<p>সাহিত্যিক ভারতচন্দ্র রায় তার এই অমর সৃষ্টির জন্য বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।</p>
১৬৭৭

‘শান্তিপুরের কবি’ বলা হয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মোজাম্মেল হককে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোজাম্মেল হককে</strong>।</p>

<p>সাহিত্যিক মোজাম্মেল হককে ‘শান্তিপুরের কবি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টটি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>মোজাম্মেল হক মূলত শান্তিপুরের অধিবাসী ছিলেন এবং তাঁর কাব্যচর্চায় শান্তিপুরের পরিবেশ ও ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্ট।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁকে এই বিশেষ উপাধিতেই চেনা হয়, তাই এটি সরাসরি মনে রাখাই সবচেয়ে সহজ উপায়।</li>
</ul>
১৬৭৮

‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর প্রধান লেখক ছিলেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
ব্যাখ্যা:
<p>‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর মূল চালিকাশক্তি ছিলেন <strong>কাজী আবদুল ওদুদ</strong> এবং <strong>আবুল হুসেন</strong>। ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা।</p>

<ul>
<li><strong>কেন এরা প্রধান:</strong> এই আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’। এই দর্শনের প্রধান প্রবক্তা ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ এবং আবুল হুসেন।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> ‘শিখা’ পত্রিকার সাথে যারা যুক্ত ছিলেন, তারাই মূলত এই সাহিত্য সমাজের প্রাণপুরুষ। তাই কাজী আবদুল ওদুদ ও আবুল হুসেনের নাম সবার আগে আসে।</li>
</ul>
১৬৭৯

‘শাশ্বত বঙ্গ’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী আবদুল ওদুদ
ব্যাখ্যা:
<p>‘শাশ্বত বঙ্গ’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী আবদুল ওদুদ</strong>। তিনি মূলত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ ছিলেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কাজী আবদুল ওদুদের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>‘শাশ্বত বঙ্গ’</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কালজয়ী প্রবন্ধ সংকলন।</li>
<li>তিনি তাঁর লেখায় বাঙালি সংস্কৃতি ও মননশীলতার যে পরিচয় দিয়েছেন, তার শ্রেষ্ঠ প্রতিফলন ঘটেছে এই বইটিতে।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘শাশ্বত বঙ্গ’ এবং ‘কাজী আবদুল ওদুদ’—এই দুটি নাম একসাথে কয়েকবার পড়ে নিন, তাহলেই আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
১৬৮০

জল ভর সুন্দরী কইন্যা জলে দিছ ঢেউ হাসি মুখে কওনা কথা সঙ্গে নাই মোর কেউ।। -ময়মনসিংহ গীতিকার কোন পালা থেকে গৃহীত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মহুয়া
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মহুয়া</strong>। ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় পালা হলো 'মহুয়া'। এই পালার মূল কাহিনী গড়ে উঠেছে বেদে কন্যা মহুয়া এবং ঠাকুর বাড়ির যুবক নদের চাঁদের প্রেমকে কেন্দ্র করে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই পঙ্‌ক্তিটি মূলত মহুয়া পালার একটি অংশ, যেখানে মহুয়া তার মনের আকুতি প্রকাশ করছে।</li>
<li>গীতিকার এই পালাটি কবি দ্বিজ কানাই রচনা করেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, এই ধরনের আবেগঘন ও প্রকৃতি নির্ভর পঙ্‌ক্তিগুলো সাধারণত মহুয়া পালার বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।