<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দগুলোর গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li><strong>কারখানা:</strong> এখানে 'কার' মানে কাজ বা শিল্প, আর 'খানা' মানে স্থান। অর্থাৎ, যেখানে কাজ করা হয়।</li>
<li><strong>কারসাজি:</strong> এখানে 'কার' মানে কাজ বা কৌশল।</li>
<li><strong>কারচুপি:</strong> এখানেও 'কার' বলতে কোনো বিশেষ কাজ বা কারিগরিকে বোঝানো হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই শব্দগুলোতে 'কার' উপসর্গটি মূলত কোনো না কোনো <strong>কাজ</strong> বা <strong>কারিগরি</strong> করার অর্থ প্রকাশ করছে। তাই এখানে 'কাজ' অপশনটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
১৬৮২
কারখানা, কারসাজি, কারচুপি প্রভৃতি শব্দের 'কার' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যা কাচাঁ তাই মিঠা</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজ! যখন কোনো বস্তুর একই সাথে দুটি গুণ বা অবস্থা বোঝায় এবং একটি বিশেষ্য পদের সাথে অন্য একটি বিশেষণ পদের তুলনা বা অভিন্নতা প্রকাশ পায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে 'কাঁচামিঠা' শব্দটি দিয়ে এমন একটি আমকে বোঝানো হচ্ছে যা বাইরে থেকে কাঁচা মনে হলেও স্বাদে মিষ্টি।</p>
<ul>
<li>এখানে 'কাঁচা' এবং 'মিঠা' দুটি গুণই একই বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বস্তুর বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য বোঝাতে 'যা... তাই...' কাঠামো ব্যবহার করা হয়, তখন সেটিই সঠিক ব্যাসবাক্য হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>তাই, 'কাঁচামিঠা' এর সঠিক ব্যাসবাক্য হবে <strong>যা কাচাঁ তাই মিঠা</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চোখ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'লোচন' শব্দটি মূলত আমাদের দেখার ইন্দ্রিয় বা চক্ষুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>সহজ কথায়, লোচন মানেই হলো চোখ বা নয়ন।</li>
<li>কবিতা বা সাহিত্যে চোখের নান্দনিক বা কাব্যিক রূপ বোঝাতে কবিরা প্রায়ই 'লোচন' শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন।</li>
<li>তাই মনে রাখার জন্য সহজ কৌশল হলো: লোচন = চোখ।</li>
</ul>
১৬৮৫
“খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়”- পঙ্ক্তিটি কার রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লালন শাহ</strong>। বাউল সম্রাট লালন শাহের দর্শনের অন্যতম প্রধান একটি দিক হলো মানুষের দেহকে খাঁচা বা পিঞ্জরের সাথে তুলনা করা।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটির পেছনের মূল বিষয়টি হলো:</p>
<ul>
<li>লালন শাহ তার গানে মানুষের নশ্বর দেহকে একটি <strong>'খাঁচা'</strong> এবং আত্মার পরম সত্তাকে <strong>'অচিন পাখি'</strong> হিসেবে রূপক অর্থে ব্যবহার করেছেন।</li>
<li>মানুষের অগোচরেই প্রাণবায়ু বা আত্মা এই দেহপিঞ্জরে আসা-যাওয়া করে, যা তিনি খুব সহজ ও সাবলীল ভাষায় এই গানে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আধ্যাত্মিক সাধনার গভীর উপলব্ধিকে তিনি এই পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন, যা বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পাতা</strong>। তদ্ভব শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর উৎস খেয়াল করা। যে সব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>পত্র</strong> থেকে প্রাকৃত রূপ <strong>পত্ত</strong> হয়ে বাংলায় এসেছে <strong>পাতা</strong>।</li>
<li>তদ্ভব শব্দগুলো মূলত আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের সহজ ও সরল শব্দ।</li>
<li>শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি না এসে সময়ের সাথে রূপ পরিবর্তন করে বাংলায় এসেছে বলেই এটি তদ্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা এই বিখ্যাত উপন্যাসে মুহম্মদ মুস্তাফার জীবনালেখ্য বা জীবনের বিভিন্ন দিক চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li><strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong> উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলোর মধ্যে মুহম্মদ মুস্তাফা অন্যতম।</li>
<li>উপন্যাসটিতে লেখকের নিজস্ব শৈলী ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে মুস্তাফার জীবনের টানাপোড়েন ও অস্তিত্বের সংকট তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এই উপন্যাসটি তার গঠনশৈলী এবং চরিত্র চিত্রণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>‘কান্না’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>কাঁদ + না</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>প্রকৃতি:</strong> এখানে মূল ধাতু বা ক্রিয়ার মূল অংশ হলো ‘কাঁদ’।</li>
<li><strong>প্রত্যয়:</strong> এর সাথে ‘না’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘কান্না’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li><strong>নিয়ম:</strong> বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রে বানানের কিছুটা পরিবর্তন হয়, যেমন এখানে ‘দ’ এর সাথে ‘ন’ যুক্ত হয়ে ‘ন্ন’ রূপ নিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ক্রিয়ার মূল অংশ ‘কাঁদ’ এর সাথে ‘না’ প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা ‘কান্না’ শব্দটি পাই।</p>
<p>‘কাঁদুনি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>কাঁদ + উনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘কাঁদ’ হলো মূল ধাতু বা ক্রিয়াপদ।</li>
<li>এর সাথে ‘উনি’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো ক্রিয়াপদের সাথে ‘উনি’ যুক্ত হয়, তখন তা মিলে একটি বিশেষ্য পদ তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>কাঁদ + উনি = কাঁদুনি</strong>। এখানে কোনো জটিল পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না, শুধু শব্দ দুটি পাশাপাশি যুক্ত হয়ে নতুন রূপ পায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৌমাছি</strong>। এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হওয়ার কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি লোভ পায় বা হারিয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'মৌমাছি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>মৌ সংগ্রহকারী মাছি</strong>।</li>
<li>লক্ষ্য করলে দেখবেন, সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় মাঝখানের <strong>সংগ্রহকারী</strong> শব্দটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানের পদটি বাদ পড়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি আদর্শ উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাঁচা সোনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় 'কাঁচা' শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। তবে 'নিখাদ' বা 'বিশুদ্ধ' অর্থে যখন আমরা কোনো কিছুকে বোঝাই, তখন 'কাঁচা সোনা' কথাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সাধারণত সোনা যখন একদম খাঁটি বা বিশুদ্ধ অবস্থায় থাকে, তখন তাকে অলঙ্কার তৈরির আগে 'কাঁচা সোনা' বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'কাঁচা' মানে অপরিপক্ক নয়, বরং এটি সোনা বা ধাতুর বিশুদ্ধ অবস্থাকে নির্দেশ করছে। তাই নিখাদ বা খাঁটি বোঝাতে এই প্রয়োগটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নবদ্বীপ</strong>। শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মস্থান নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, তবে ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী তিনি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নবদ্বীপ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শ্রী চৈতন্যদেবকে 'নবদ্বীপের নিমাই' বলা হয়।</li>
<li>তাঁর জন্মস্থান হিসেবে নবদ্বীপের মায়াপুর অঞ্চলটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত।</li>
<li>ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে নবদ্বীপই তাঁর আবির্ভাবস্থল হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
১৬৯৩
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'অতি অল্প হইল', 'আবার অতি অল্প হইল' ইত্যাদি গ্রন্থগুলো কি নামে প্রকাশ করেন?
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর এই ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজ সংস্কারমূলক লেখাগুলো প্রকাশের ক্ষেত্রে ছদ্মনাম হিসেবে <strong>কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোষ্য</strong> ব্যবহার করতেন।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার ও অনাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরতে গিয়ে সরাসরি নিজের নাম ব্যবহার না করে এই ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
<li>এটি মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক নাম, যার মাধ্যমে তিনি তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজের প্রতি এক ধরনের শ্লেষ প্রকাশ করতেন।</li>
<li>'অতি অল্প হইল' এবং 'আবার অতি অল্প হইল' গ্রন্থগুলোতে তিনি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ভাষায় সমাজের অসংগতিগুলো তুলে ধরেছিলেন, যা সেই সময়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।</li>
</ul>
<p>'প্রফুল্ল' শব্দের অর্থ হলো আনন্দিত বা প্রফুল্লচিত্ত। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>বিমর্ষ</strong> সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প্রফুল্ল</strong> মানে হলো যার মন খুব ফুরফুরে বা হাসিখুশি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বিমর্ষ</strong> মানে হলো যার মন খারাপ বা বিষণ্ণ।</li>
</ul>
<p>তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আমরা সরাসরি 'বিমর্ষ' বেছে নিতে পারি, কারণ এটি প্রফুল্ল অবস্থার ঠিক উল্টো মানসিক অবস্থাকে প্রকাশ করে।</p>
১৬৯৫
'দুর্ভাগা' শব্দটি দুর উপসর্গ যোগে গঠিত কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মন্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'দুর্ভাগা' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>দুঃ + ভাগা</strong>।</p>
<ul>
<li>এখানে 'দুঃ' উপসর্গটি <strong>মন্দ</strong> বা খারাপ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>'দুর্ভাগা' বলতে এমন কাউকে বোঝায় যার ভাগ্য খারাপ বা মন্দ।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'দুঃ' উপসর্গটি সাধারণত অভাব, মন্দ বা কঠিন অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই, যখনই কোনো শব্দের শুরুতে 'দুঃ' বা 'দুর' যুক্ত হয়ে খারাপ কিছু বোঝায়, তখন সেটি <strong>মন্দ</strong> অর্থকেই নির্দেশ করে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।