eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৬৯৬

'দুর্ভাগা' শব্দটি দুর উপসর্গ যোগে গঠিত কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মন্দ
১৬৯৭

‘কালবেলা’, 'শেষ নবাব' নাটকদ্বয়ের লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাঈদ আহমেদ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাঈদ আহমেদ</strong>। বাংলা নাট্যসাহিত্যে সাঈদ আহমেদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি মূলত প্রতীকী নাটকের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সাঈদ আহমেদ</strong>-এর অন্যতম প্রধান দুটি নাটক হলো <strong>'কালবেলা'</strong> এবং <strong>'শেষ নবাব'</strong>।</li>
<li>তার নাটকের ভাষা ও বিষয়বস্তু সমসাময়িক বাংলা নাটকে এক ভিন্ন ধারার সূচনা করেছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই নাটক দুটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল অবলম্বন করতে পারেন: <strong>'সাঈদ আহমেদের কালবেলা ও শেষ নবাব'</strong>—এই নামটি কয়েকবার পড়লেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
১৬৯৮

নিচের কোন শব্দে ণ-ত্ব বিধি অনুসারে ‘ণ’ এর ব্যবহার হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যাকরণ</strong>। ণ-ত্ব বিধির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দে ‘র’ বা ‘র-ফলা’ এর পরে যদি ‘ক’ বর্গীয় (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) বা ‘প’ বর্গীয় (প, ফ, ব, ভ, ম) ধ্বনি থাকে, তবে তার পরবর্তী দন্ত্য-ন (ন) মূর্ধন্য-ণ (ণ) হয়ে যায়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ব্যাকরণ</strong> শব্দটিতে ‘র’ এর পরে ‘ক’ বর্গীয় ধ্বনি ‘ক’ রয়েছে।</li>
<li>এই নিয়মের কারণেই এখানে ‘ন’ পরিবর্তিত হয়ে <strong>‘ণ’</strong> হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো শব্দের বানান নির্ভুলভাবে লেখা সম্ভব।</li>
</ul>
১৬৯৯

‘অলীক’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাস্তব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাস্তব</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজ। 'অলীক' মানে হলো যা মিথ্যা, অবাস্তব বা যার কোনো ভিত্তি নেই। অন্যদিকে, 'বাস্তব' বলতে আমরা এমন কিছু বুঝি যা সত্য এবং যার অস্তিত্ব আছে। তাই অলীক শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে বাস্তব শব্দটি।</p>

<ul>
<li><strong>অলীক:</strong> যা সত্য নয় বা কল্পনাপ্রসূত।</li>
<li><strong>বাস্তব:</strong> যা সত্য এবং বাস্তবে বিদ্যমান।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অলীক মানেই হলো অবাস্তব, আর এর বিপরীতটিই হলো বাস্তব।</p>
১৭০০

‘ময়ূর’ শব্দের সমার্থক কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কলাপী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কলাপী</strong>। ময়ূর শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ময়ূরের পেখম বা লেজকে সংস্কৃতে বলা হয় <strong>'কলাপ'</strong>।</li>
<li>যার কলাপ বা পেখম আছে, তাকেই বলা হয় <strong>'কলাপী'</strong>।</li>
<li>এই সহজ যুক্তিটি মনে রাখলেই আপনি খুব সহজে ময়ূরের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'কলাপী' শব্দটি চিনে ফেলতে পারবেন।</li>
</ul>
১৭০১

নিচের কোনটি সূর্যের প্রতিশব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সবিতা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবিতা</strong>। সূর্যের অনেকগুলো নামের মধ্যে 'সবিতা' একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রচলিত শব্দ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li><strong>সবিতা</strong> মানেই হলো সূর্য বা রবি।</li>
<li>অন্যদিকে, অবনী বলতে পৃথিবী বোঝায়।</li>
<li>সুধাকর এবং কলানিধি—এই দুটি শব্দই মূলত চাঁদকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় যখনই সূর্যের প্রতিশব্দ খুঁজবেন, তখন সবিতা, রবি, ভানু বা ভাস্কর—এই শব্দগুলো মাথায় রাখলেই খুব সহজে সঠিক উত্তরটি বেছে নিতে পারবেন।</p>
১৭০২

‘জিলাপির প্যাঁচ’ বাগধারাটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কুটিল বুদ্ধি
ব্যাখ্যা:
<p>‘জিলাপির প্যাঁচ’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>কুটিল বুদ্ধি</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>জিলাপি যেমন বাইরে থেকে দেখতে গোলমেলে এবং এর ভেতরটা অনেক প্যাঁচানো থাকে, ঠিক তেমনি কোনো মানুষের স্বভাব যখন খুব জটিল বা ধূর্ত হয়, তখন তাকে আমরা ‘জিলাপির প্যাঁচ’ বলে থাকি।</li>
<li>সহজ কথায়, যারা সরাসরি কথা না বলে বা কাজ না করে বাঁকা পথে বা চালাকির আশ্রয় নেয়, তাদের কুটিল বুদ্ধিকে বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
১৭০৩

‘জিলাপির প্যাঁচ’ - বাগধারাটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কুটিল বুদ্ধি
১৭০৪

‘কুটুম্ব’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আত্মীয়
ব্যাখ্যা:
<p>‘কুটুম্ব’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>আত্মীয়</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের সমাজে বা আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে যারা খুব কাছের মানুষ, তাদেরই আমরা আদর করে বা আঞ্চলিক ভাষায় কুটুম্ব বলে থাকি।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা গ্রাম্য ভাষায় ‘কুটুম’ বা ‘কুটুম্ব’ শব্দটি মূলত রক্তের সম্পর্কের মানুষ বা আত্মীয়দের বোঝাতেই ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি <strong>আত্মীয়</strong> অপশনটি বেছে নিতে পারেন। এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন আত্মীয়তার সম্পর্কের সাথেই সরাসরি যুক্ত।</p>
১৭০৫

নিম্নের কোনটি তৎসম শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দধি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দধি</strong>। কারণ, যে সব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>দধি</strong> শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে, তাই এটি তৎসম।</li>
<li>তৎসম শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর বানান ও গঠন। সাধারণত যেসব শব্দে যুক্তবর্ণ বা সংস্কৃত ব্যাকরণের ছাপ স্পষ্ট থাকে, সেগুলোই তৎসম শব্দ।</li>
<li>আপনি যদি দেখেন কোনো শব্দ হুবহু সংস্কৃতের মতো শোনাচ্ছে এবং এর অর্থও একই, তবে চোখ বন্ধ করে সেটিকে তৎসম শব্দ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</li>
</ul>
১৭০৬

দোভাষী পুঁথি সাহিত্যকে বটতলার পুঁথি বলা হত কেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কলকাতার সস্তা প্রেস থেকে বের হত বলে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>কলকাতার সস্তা প্রেস থেকে বের হত বলে</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজ। উনিশ শতকের দিকে কলকাতার বটতলা এলাকায় অনেক ছোট ছোট ছাপাখানা গড়ে উঠেছিল। সেখান থেকে খুব কম খরচে এবং সাধারণ মানের কাগজে সস্তায় বই বা পুঁথি ছাপানো হতো। এই বইগুলো সাধারণ মানুষের কাছে খুব দ্রুত পৌঁছে যেত। যেহেতু এই বইগুলো মূলত বটতলার ছাপাখানাগুলো থেকেই বের হতো, তাই এগুলোকে লোকে আদর করে 'বটতলার পুঁথি' বলে ডাকত।</p>

<ul>
<li><strong>স্থান:</strong> কলকাতার বটতলা এলাকা।</li>
<li><strong>কারণ:</strong> সস্তা ছাপাখানা বা প্রেস থেকে এগুলো প্রকাশিত হতো।</li>
<li><strong>ফলাফল:</strong> কম দামের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই সাহিত্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।</li>
</ul>
১৭০৭

‘আলালী ভাষা’ বলতে নিচের কোনটিকে বুঝায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কলকাতা অঞ্চলের কথ্য ভাষা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কলকাতা অঞ্চলের কথ্য ভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্যারীচাঁদ মিত্র তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসে তৎকালীন <strong>কলকাতা অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা</strong> ব্যবহার করেছিলেন।</li>
<li>এই ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য ছিল সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ এবং কথ্য ভাষার সাবলীল প্রয়োগ।</li>
<li>সাহিত্যিক পরিভাষায় এই বিশেষ শৈলীটিই 'আলালী ভাষা' বা 'আলালী রীতি' নামে পরিচিতি পায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কলকাতার তৎকালীন নাগরিক জীবনের দৈনন্দিন কথোপকথনই এই ভাষার মূল ভিত্তি।</p>
১৭০৮

‘তিনি বাড়ি নেই’ - কোন কারক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে শূন্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে শূন্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>কারক নির্ণয়ের সময় প্রশ্ন করতে হয়—ক্রিয়াটি কোথায় বা কখন ঘটছে?</li>
<li>বাক্যটিতে 'তিনি কোথায় নেই?'—এই প্রশ্নের উত্তরে আসে 'বাড়ি'।</li>
<li>যেহেতু 'বাড়ি' একটি স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে, তাই এটি <strong>অধিকরণ কারক</strong>।</li>
<li>'বাড়ি' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: এ, য়, তে) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, স্থান বোঝালে এবং কোনো বিভক্তি চিহ্ন দৃশ্যমান না থাকলে সেটিই অধিকরণে শূন্য।</p>
১৭০৯

"আজকে নগদ কালকে বাকী- কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে পঞ্চমী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে পঞ্চমী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>অধিকরণ কারক:</strong> যখন কোনো কিছু ঘটার সময় বা কাল বোঝায়, তখন তাকে অধিকরণ কারক বলে। এখানে 'আজকে' এবং 'কালকে' দিয়ে সময়ের একটি নির্দিষ্ট পর্যায় বোঝানো হয়েছে।</li>
<li><strong>পঞ্চমী বিভক্তি:</strong> বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, সময়বাচক শব্দের সাথে যখন 'এ' বা 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন তা অধিকরণ কারক হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবধান বা তুলনা বোঝাতে পঞ্চমী বিভক্তির প্রয়োগ দেখা যায়।</li>
<li>সহজ কথায়, নির্দিষ্ট সময়ের প্রেক্ষাপটে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি এখানে <strong>অধিকরণ</strong> এবং বিভক্তির প্রয়োগ অনুযায়ী এটি <strong>পঞ্চমী</strong> বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
১৭১০

‘সব ঝিনুকে মুক্তা মেলে না’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অপাদানে সপ্তমী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে সপ্তমী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>কারক নির্ণয়ের সময় খেয়াল করুন, ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়া যায়। অর্থাৎ, কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, বিচ্যুত বা গৃহিত হওয়া বোঝালে সেটি <strong>অপাদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>‘ঝিনুকে’ শব্দটির শেষে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত আছে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’ বিভক্তিগুলো সাধারণত <strong>সপ্তমী বিভক্তি</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>যেহেতু ঝিনুক থেকে মুক্তা বিচ্যুত বা পাওয়া যাচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারক এবং ‘এ’ বিভক্তির কারণে এটি সপ্তমী বিভক্তি।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।