eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২১৯১

দেশি শব্দের উদাহরণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কুলা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুলা</strong>।</p>

<p>বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে যেগুলোর উৎস বা মূল খুঁজে পাওয়া যায় না, কিন্তু এগুলো অনাদিকাল থেকে আমাদের ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই শব্দগুলোই মূলত দেশি শব্দ।</p>

<ul>
<li><strong>কুলা</strong> একটি খাঁটি দেশি শব্দ, যা অস্ট্রিক বা কোল জাতির ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত এমন আরও কিছু পরিচিত দেশি শব্দ হলো: ডাব, ডিঙি, টোপর, পেট, ঝোল ইত্যাদি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলোর সংস্কৃত বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষার সাথে সরাসরি সম্পর্ক পাওয়া যায় না, সেগুলোই দেশি শব্দ। তাই এখানে <strong>কুলা</strong> শব্দটিই সঠিক।</p>
২১৯২

‘সূর্য তুমি সাথী’, ‘মরণ বিলাস’-রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা:
<p>‘সূর্য তুমি সাথী’ এবং ‘মরণ বিলাস’—এই কালজয়ী উপন্যাস দুটির রচয়িতা হলেন <strong>আহমদ ছফা</strong>। বাংলা সাহিত্যের এই অনন্য কথাসাহিত্যিক তার লেখনীতে সমাজ ও মানুষের মনস্তত্ত্বকে খুব গভীর ও তীক্ষ্ণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<p>সহজ মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আহমদ ছফা</strong> বললেই আমাদের মাথায় আসে তার বিদ্রোহী ও দার্শনিক সত্তার কথা।</li>
<li>তার লেখা <strong>‘সূর্য তুমি সাথী’</strong> উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে এক অসাধারণ সৃষ্টি।</li>
<li>একইভাবে <strong>‘মরণ বিলাস’</strong> উপন্যাসটিও তার লেখনশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন, যা পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই লেখকের নাম ও তার বিখ্যাত এই দুটি উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
২১৯৩

নিচের কোনটি যৌগিক বাক্যের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তার বয়স হয়েছে কিন্তু বুদ্ধি হয়নি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তার বয়স হয়েছে কিন্তু বুদ্ধি হয়নি</strong>। কারণটা খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>যৌগিক বাক্যের প্রধান শর্ত হলো, এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য থাকে।</li>
<li>এই বাক্য দুটি সাধারণত <strong>ও, এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা</strong>—এই ধরনের অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে।</li>
<li>এখানে 'তার বয়স হয়েছে' এবং 'বুদ্ধি হয়নি'—এই দুটি আলাদা বাক্যকে <strong>কিন্তু</strong> অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগানো হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন দুটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি বড় বাক্য তৈরি করে, তখনই তাকে আমরা যৌগিক বাক্য বলি। তাই এই উদাহরণটি একদম নিখুঁত!</p>
২১৯৪

'বায়স' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা অভিধানে 'বায়স' শব্দটি মূলত কাকের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>'বায়স' শব্দটি এসেছে সংস্কৃত থেকে, যার অর্থ হলো যে পাখি 'বায়ু' বা আকাশে ওড়ে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে এটি কাকের একটি অত্যন্ত পরিচিত নাম।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই কোথাও 'বায়স' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>কাক</strong>-কে নির্দেশ করছে।</p>
২১৯৫

কোনটি শুদ্ধ বানান?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বুদ্ধিজীবী</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>শব্দটির শেষে 'জীবী' প্রত্যয় যুক্ত হয়, যার বানান সবসময় <strong>দীর্ঘ ঈ-কার (ঈ)</strong> দিয়ে শুরু হয়।</li>
<li>'বুদ্ধি' শব্দটির শেষেও <strong>দীর্ঘ ঈ-কার (ঈ)</strong> বসে।</li>
<li>তাই পুরো শব্দটি হবে: <strong>বুদ্ধি + জীবী = বুদ্ধিজীবী</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এই শব্দে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করাই শুদ্ধ। এটি মনে রাখলে বানানের ভুল হওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই!</p>
২১৯৬

বুদ্ধিমান শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি + মতুপ
ব্যাখ্যা:
<p>বুদ্ধিমান শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বুদ্ধি + মতুপ</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, সংস্কৃত ‘মতুপ’ (মতুপ্) প্রত্যয়টি সাধারণত ‘মান’ বা ‘বান’ রূপে শব্দের শেষে যুক্ত হয়।</p>

<p>বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণে <strong>মতুপ</strong> প্রত্যয়ান্ত শব্দে ‘ম’ বা ‘ব’ এর ব্যবহার হয়।</li>
<li>‘বুদ্ধি’ শব্দের সাথে যখন <strong>মতুপ</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন সেটি ‘বুদ্ধিমান’ শব্দ গঠন করে।</li>
<li>এখানে ‘মতুপ’ প্রত্যয়ের ‘ম’ অংশটি ‘মান’ হিসেবে শব্দের শেষে যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>তাই, বুদ্ধিমান = বুদ্ধি + মতুপ — এই সূত্রটি মনে রাখলেই যেকোনো পরীক্ষায় নির্ভুল উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
২১৯৭

মাইকেল হার্ট একশত জন বিশ্ববরেন্য নেতার ক্রিয়া-কর্ম বিশ্লেষণ করে এক নম্বর স্থান দিয়েছেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হযরত মুহাম্মদ (স) কে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হযরত মুহাম্মদ (স)</strong>।</p>

<p>মাইকেল এইচ. হার্ট তার বিখ্যাত গ্রন্থ <em>'The 100: A Ranking of the Most Influential Persons in History'</em>-এ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জন ব্যক্তির তালিকা তৈরি করেন। তিনি এই তালিকার শীর্ষে হযরত মুহাম্মদ (স)-কে স্থান দিয়েছেন। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li>তিনি একই সাথে ধর্মীয় এবং জাগতিক উভয় ক্ষেত্রেই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছিলেন।</li>
<li>ইসলাম ধর্মের প্রচার এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে তিনি বিশ্ব ইতিহাসে যে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছেন, তা অন্য যেকোনো নেতার তুলনায় অনেক বেশি।</li>
<li>তার আদর্শ এবং শিক্ষা আজও কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।</li>
</ul>
২১৯৮

আধুনিকদের মধ্যে সবচেয়ে দুরূহ কবি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুধীন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। আধুনিক বাংলা কবিতার জগতে তাকে সবচেয়ে 'দুরূহ' বা জটিল কবি বলা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তার কবিতায় প্রচুর পরিমাণে সংস্কৃত শব্দ এবং দর্শনের গভীর প্রভাব রয়েছে।</li>
<li>তিনি তার লেখায় শব্দের ব্যবহার এবং ছন্দের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সচেতন ও ধ্রুপদী ছিলেন, যা সাধারণ পাঠকের কাছে অনেক সময় বেশ কঠিন মনে হয়।</li>
<li>তার চিন্তাধারা এবং প্রকাশভঙ্গি ছিল বুদ্ধিবৃত্তিক, যা তাকে সমসাময়িক অন্যান্য কবিদের থেকে আলাদা এবং কিছুটা দুর্বোধ্য করে তুলেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তার কবিতার গভীরতা এবং শব্দের কারুকাজ এতটাই সূক্ষ্ম যে, সেগুলোকে বুঝতে হলে বেশ মনোযোগ ও পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন হয়। তাই বাংলা সাহিত্যে তিনি 'দুরূহ কবি' হিসেবেই পরিচিত।</p>
২১৯৯

আধুনিকদের মধ্যে সবচেয়ে শান্ত, স্নিগ্ধ, ধ্যানী বলে মনে করা হয় কারে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অমিয় চক্রবর্তী</strong>। আধুনিক বাংলা কবিতার ধারায় তাকে সবচেয়ে শান্ত, স্নিগ্ধ এবং ধ্যানী কবি হিসেবে গণ্য করা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তার কবিতার ভাষা ও প্রকাশভঙ্গি অত্যন্ত মার্জিত এবং ধীরস্থির।</li>
<li>তিনি মূলত বিশ্বজনীন মানবিকতা এবং আধ্যাত্মিক চেতনার কবি, যা তার লেখায় এক ধরনের প্রশান্তি নিয়ে আসে।</li>
<li>অন্যান্য আধুনিক কবিদের তুলনায় তার কবিতায় অস্থিরতা বা তীব্র সংঘাতের চেয়ে এক ধরনের গভীর পর্যবেক্ষণ ও ধ্যানের ছাপ বেশি স্পষ্ট।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তার কাব্যিক মেজাজ এবং জীবনবোধ তাকে আধুনিক কবিদের ভিড়ে একজন শান্ত ও স্নিগ্ধ ব্যক্তিত্ব হিসেবে আলাদা করে তুলেছে।</p>
২২০০

'তৃণাঙ্কুর' কার আত্নজীবনীমূলক গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে প্রকৃতি এবং নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। 'তৃণাঙ্কুর' মূলত তাঁর দিনলিপি বা ডায়েরি অবলম্বনে রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এই বইটিতে তিনি তাঁর জীবনের ছোটখাটো ঘটনা, প্রকৃতি প্রেম এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> আত্মজীবনীমূলক দিনলিপি।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের সহজ-সরল ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ।</li>
</ul>
২২০১

কখনো উপন্যাস লেখেনি

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুধীন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক এবং কবি হিসেবেই বাংলা সাহিত্যে পরিচিত।</p>

<ul>
<li>সুধীন্দ্রনাথ দত্ত তাঁর সমগ্র সাহিত্যিক জীবনে কোনো <strong>উপন্যাস</strong> রচনা করেননি।</li>
<li>তাঁর মূল শক্তি ছিল গভীর দর্শন ও বুদ্ধিবৃত্তিক কবিতা এবং প্রবন্ধের ওপর।</li>
<li>অন্যান্য কবিরা (যেমন: কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ বা বুদ্ধদেব বসু) তাঁদের সাহিত্য জীবনে অন্তত একটি হলেও উপন্যাস লিখেছেন, কিন্তু সুধীন্দ্রনাথ দত্তের ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে মনে রাখতে পারেন যে, পঞ্চপাণ্ডবদের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ দত্তই একমাত্র লেখক যিনি উপন্যাস থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন।</p>
২২০২

‘মৌমাছি’ কার ছদ্মনাম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিমল ঘোষ
ব্যাখ্যা:
<p>‘মৌমাছি’ ছদ্মনামটি মূলত জনপ্রিয় লেখক <strong>বিমল ঘোষের</strong>। তিনি মূলত শিশু-কিশোরদের জন্য লেখালেখি করে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিমল ঘোষের লেখা ছোটদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।</li>
<li>তিনি তার বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাসে ‘মৌমাছি’ নামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।</li>
</ul>
২২০৩

'বনফুল' -এর প্রকৃত নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, আর 'বনফুল' হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের অত্যন্ত পরিচিত একটি ছদ্মনাম। তিনি তাঁর ছোটগল্প এবং উপন্যাসে এই নামটিই ব্যবহার করতেন। মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>ব</strong>লাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় = <strong>ব</strong>নফুল।</li>
<li>উভয় নামের শুরুতেই 'ব' অক্ষরটি আছে, যা মনে রাখা বেশ সহজ।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই 'বনফুল' নামটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের কথা মনে করবেন!</p>
২২০৪

‘বর্জন’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বৃজ+অন
ব্যাখ্যা:
<p>‘বর্জন’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বৃজ + অন</strong>। এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত একটি শব্দ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত ধাতুর ক্ষেত্রে <strong>বৃজ্</strong> ধাতুর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘বর্জন’ শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে ‘বৃজ্’ ধাতুর ঋ-কারটি গুণের নিয়মে ‘অর’ হয়ে যায়, ফলে এটি <strong>বর্ + জ + অন</strong> মিলে ‘বর্জন’ রূপ ধারণ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, সন্ধি বিচ্ছেদের সময় মূল ধাতু বা প্রকৃতিকে আলাদা করতে পারলেই বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যায়।</li>
</ul>
২২০৫

‘বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী’ - এক কথায় তাকে কী বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বীরপ্রসূ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী’—এর এক কথায় প্রকাশ হলো <strong>বীরপ্রসূ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>এখানে ‘বীর’ বলতে সাহসী সন্তানকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>আর ‘প্রসূ’ শব্দটি এসেছে ‘প্রসূতি’ থেকে, যার অর্থ হলো যিনি সন্তান জন্ম দেন।</li>
<li>তাই খুব সহজেই আমরা বলতে পারি, যিনি বীর সন্তান জন্ম দেন, তিনিই হলেন <strong>বীরপ্রসূ</strong>।</li>
</ul>

<p>বাংলা ব্যাকরণে এক কথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দগুলো মূল শব্দের অর্থ বিশ্লেষণ করলেই সহজে মনে রাখা যায়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।