<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সূর্য</strong>।</p>
<p>শব্দটির অর্থ মনে রাখা খুব সহজ। 'অর্ক' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো সূর্য বা সূর্যের কিরণ। প্রাচীন সাহিত্যে বা কবিতায় সূর্যের প্রতিশব্দ হিসেবে 'অর্ক' শব্দটি বেশ জনপ্রিয়।</p>
<ul>
<li>সহজ কথায়, অর্ক = সূর্য।</li>
<li>এটি মনে রাখার জন্য আপনি এভাবে ভাবতে পারেন: সূর্য যেমন আমাদের শক্তির উৎস, তেমনি 'অর্ক' শব্দটি সূর্যের তেজ ও দীপ্তিকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীণা</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, বাদ্যযন্ত্র হিসেবে পরিচিত এই শব্দটি লিখতে দীর্ঘ-ঈকার ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, তাই এর সঠিক বানান হলো <strong>বীণা</strong>।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে সবসময় মনে রাখবেন, বাদ্যযন্ত্রটির নামের শেষে মূর্ধন্য-ণ (<strong>ণ</strong>) ব্যবহৃত হয়, দন্ত্য-ন (<strong>ন</strong>) নয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো প্রয়োজনে <strong>বীণা</strong> বানানটিই শুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বীণা</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী বাদ্যযন্ত্রটির নাম লিখতে সবসময় দীর্ঘ-ঈ (ঈ) এবং মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহার করতে হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির সঠিক বানান হলো <strong>বীণা</strong>।</li>
<li>বানানে দীর্ঘ-ঈ কার (ী) এবং শেষে মূর্ধন্য-ণ (ণ) যুক্ত হয়।</li>
<li>অন্যান্য বানানগুলো (যেমন: বিনা, বিণা বা বীনা) ব্যাকরণগতভাবে ভুল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো প্রয়োজনে সবসময় <strong>বীণা</strong> বানানটিই সঠিক হিসেবে বেছে নেবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বীচি</strong> ও <strong>হিল্লোল</strong>। কারণ ‘উর্মি’ শব্দের অর্থ হলো ঢেউ বা পানির কম্পন। বাংলা সাহিত্যে এবং অভিধান অনুযায়ী, ঢেউয়ের সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘বীচি’ এবং ‘হিল্লোল’ শব্দ দুটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>উর্মি</strong> মানেই হলো পানির ঢেউ।</li>
<li><strong>বীচি</strong> শব্দটি ঢেউয়ের একটি চমৎকার প্রতিশব্দ।</li>
<li><strong>হিল্লোল</strong> বলতে সাধারণত পানির মৃদু ঢেউ বা দোলাকে বোঝায়।</li>
</ul>
<p>তাই শব্দার্থের বিচারে এই জোড়টিই সবচেয়ে নির্ভুল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বারিধি</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাকি শব্দগুলো সরাসরি ঢেউ বা জলতরঙ্গকে বোঝায়, কিন্তু বারিধি শব্দটি ভিন্ন অর্থ বহন করে।</p>
<ul>
<li><strong>বারি</strong> মানে হলো জল এবং <strong>ধি</strong> মানে আধার বা পাত্র। অর্থাৎ, বারিধি বলতে মূলত <strong>সমুদ্র</strong> বা সাগরকে বোঝানো হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, তরঙ্গ, ঊর্মি এবং বীচি—এই তিনটি শব্দই পানির ঢেউয়ের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই ঢেউয়ের সমার্থক শব্দ না হওয়ার কারণে বারিধিই এখানে সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঊর্মি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>‘ঢেউ’ শব্দটির অর্থ হলো পানির তরঙ্গ বা লহরি। বাংলা ব্যাকরণে এবং শব্দভাণ্ডারে ‘ঊর্মি’ শব্দটি সরাসরি ঢেউয়ের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আপনি যদি নিচের সহজ কৌশলটি মনে রাখেন, তবে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই:</p>
<ul>
<li><strong>ঊর্মি</strong> মানেই হলো সমুদ্র বা নদীর পানির ছোট-বড় ঢেউ।</li>
<li>সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় ঢেউ বোঝাতে ‘ঊর্মি’ শব্দটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘ঢেউ’ এর প্রতিশব্দ খুঁজবেন, চোখ বন্ধ করে <strong>ঊর্মি</strong> বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তীকে</strong> ‘ভোরের পাখী’ বলা হয়। এর পেছনের কারণটা বেশ মজার এবং সহজ:</p>
<ul>
<li>উনি মূলত বাংলা গীতি কবিতার জনক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যপ্রতিভা বিকাশের পেছনে বিহারীলালের কবিতার গভীর প্রভাব ছিল।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে আধুনিক রোমান্টিক ধারার সূচনা করেছিলেন তিনিই।</li>
<li>ভোরবেলা যেমন নতুন দিনের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে, তেমনি বাংলা কবিতায় নতুন যুগের বা আধুনিকতার সুর প্রথম তিনিই নিয়ে এসেছিলেন বলে তাকে ‘ভোরের পাখী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতার ভোরের সূচনালগ্নে তার আগমন ঘটেছিল বলেই তিনি এই বিশেষ নামে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভারতচন্দ্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।</li>
<li>তার অমর সৃষ্টি <strong>'অন্নদামঙ্গল'</strong> কাব্যটি মূলত তিনটি খণ্ডে বিভক্ত—অন্নদামঙ্গল, মানসিংহ ও বিদ্যাসুন্দর।</li>
<li>অষ্টাদশ শতাব্দীর এই বিখ্যাত কাব্যটি তার কাব্যপ্রতিভা ও অলঙ্কার ব্যবহারের দক্ষতার জন্য বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অন্নদামঙ্গল কাব্যটির নাম শুনলেই আমাদের ভারতচন্দ্রের কথা মনে রাখতে হবে, কারণ তিনিই এর রচয়িতা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পৃপ</strong>। কারণ এটি পাখি শব্দের সমার্থক শব্দ নয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিহগ</strong>, <strong>গরুড়</strong> এবং <strong>বিহঙ্গ</strong>—এই শব্দগুলো সরাসরি পাখির প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>পৃপ</strong> শব্দটি মূলত 'পিপীলিকা' বা 'পিঁপড়া' বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় কনফিউশন এড়াতে পাখির সমার্থক শব্দগুলো (যেমন: খগ, পক্ষী, খেচর) আলাদা করে মনে রাখলে এমন প্রশ্নে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাকাব্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি শব্দ <strong>Epic</strong> মূলত এমন এক বিশাল ও দীর্ঘ আখ্যানকে বোঝায়, যেখানে কোনো বীরত্বগাথা বা মহৎ কোনো ঘটনার বর্ণনা থাকে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এই ধরনের বিশাল কলেবরের বীরত্বমূলক কাব্যকেই আমরা <strong>মহাকাব্য</strong> বলে থাকি।</li>
<li>সহজ কথায়, মহাকাব্য হলো Epic-এর আক্ষরিক ও ভাবার্থগত সঠিক পরিভাষা।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রশ্নসূচক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—যখন কোনো বাক্যের মাধ্যমে কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করা হয় বা কোনো প্রশ্ন করা হয়, তখন তাকে প্রশ্নসূচক বাক্য বলে।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে <strong>'সে কি যাবে?'</strong> জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে যে সে যাবে কি না।</li>
<li>বাক্যের শেষে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে কোনো কিছু জানার আগ্রহ প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশ্নসূচক বাক্য।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আদেশ সূচক</strong>। কারণ বাক্যটিতে কবি বীরকে কিছু করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন বা নির্দেশ দিচ্ছেন। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বাক্যে কাউকে কোনো কিছু করার জন্য আদেশ, অনুরোধ বা আহ্বান করা হয়, তখন তাকে আদেশসূচক বাক্য বলা হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>'বল'</strong> ক্রিয়াপদটি সরাসরি একটি নির্দেশ বা আদেশ প্রকাশ করছে।</li>
<li>যেহেতু বাক্যটি দিয়ে বীরকে সম্বোধন করে কিছু করার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি স্পষ্টভাবে একটি <strong>আদেশ সূচক</strong> বাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হ্যাঁ-বাচক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে।</p>
<p>সাধারণত ‘না’ শব্দটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করলেও, এখানে এটি একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়েছে। যখন আমরা কাউকে কোনো কিছু মনে করিয়ে দিতে চাই বা নিশ্চিত হতে চাই, তখন ‘না’ যোগ করে প্রশ্ন করলে তা আসলে হ্যাঁ-বাচক অর্থই প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে বক্তা নিশ্চিত হতে চাইছেন যে, অপর ব্যক্তি আসার কথা দিয়েছিলেন।</li>
<li>এখানে ‘না’ শব্দটি কোনো কিছু অস্বীকার করছে না, বরং আগের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বা কথার সত্যতা যাচাই করছে।</li>
<li>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের প্রশ্নে ‘না’-এর ব্যবহার মূলত <strong>হ্যাঁ-বাচক</strong> অর্থই বহন করে।</li>
</ul>
২২২০
ওদিকে আর যাব না।—এ বাক্যে আর শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুনরাবৃত্তি অর্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'আর' শব্দটি দিয়ে বোঝানো হচ্ছে যে, আগে কোনো এক জায়গায় যাওয়া হয়েছিল এবং ভবিষ্যতে সেই একই জায়গায় যাওয়ার সম্ভাবনা বা ইচ্ছা নেই।</li>
<li>যখন কোনো কাজ বা ঘটনা পুনরায় ঘটার সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়া হয়, তখন 'আর' শব্দটি <strong>পুনরাবৃত্তি</strong> বা পুনরায় ঘটা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, 'আবার' বা 'পুনরায়' শব্দের বিকল্প হিসেবে এখানে 'আর' ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।