eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২২২১

ওদিকে যাব না।—এ বাক্যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্তি অর্থে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুনরাবৃত্তি অর্থে</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাক্যটিতে 'ওদিকে' শব্দটি দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের পুনরাবৃত্তি বা পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে।</p>

<ul>
<li>সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা স্থানের কথা যখন পুনরায় বোঝানো হয়, তখন তাকে পুনরাবৃত্তি বা নির্দেশক হিসেবে ধরা হয়।</li>
<li>এখানে 'ওদিকে' শব্দটি দিয়ে বক্তা পূর্বের কোনো পরিচিত বা নির্দিষ্ট দিকের কথা পুনরায় মনে করিয়ে দিচ্ছেন, যা ব্যাকরণগতভাবে পুনরাবৃত্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
২২২২

‘অমৃত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গরল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘অমৃত’ মানে হলো যা পান করলে অমর হওয়া যায় বা যা অত্যন্ত সুস্বাদু ও কল্যাণকর। অন্যদিকে, ‘গরল’ শব্দের অর্থ হলো বিষ বা যা প্রাণঘাতী।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অমৃত:</strong> সুধা বা অমৃততুল্য পানীয়।</li>
<li><strong>গরল:</strong> বিষ বা হলাহল।</li>
</ul>

<p>শব্দার্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত, তাই ‘অমৃত’-এর বিপরীত শব্দ হিসেবে ‘গরল’ সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
২২২৩

‘সঙ্কুচিত’-এর বিপরীতার্থক শব্দ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রসারিত
ব্যাখ্যা:
<p>‘সঙ্কুচিত’-এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>প্রসারিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>সঙ্কুচিত</strong> মানে হলো কোনো কিছুকে গুটিয়ে ফেলা বা ছোট করে আনা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প্রসারিত</strong> মানে হলো কোনো কিছুকে ছড়িয়ে দেওয়া বা বড় করা।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু সংকুচিত হয়, তার বিপরীত অবস্থা হলো সেটি ছড়িয়ে বা প্রসারিত হয়ে যাওয়া। তাই ব্যাকরণগতভাবে ‘সঙ্কুচিত’-এর বিপরীত হিসেবে ‘প্রসারিত’ শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
২২২৪

‘সংক্ষিপ্ত’-এর বিপরীত শব্দ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিস্তৃত
ব্যাখ্যা:
<p>‘সংক্ষিপ্ত’-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>বিস্তৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>‘সংক্ষিপ্ত’ মানে হলো যা ছোট বা অল্প কথায় প্রকাশ করা হয়েছে।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘বিস্তৃত’ মানে হলো যা অনেক বড় বা বিস্তারিতভাবে ছড়িয়ে আছে।</li>
<li>শব্দার্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই ব্যাকরণগতভাবে ‘বিস্তৃত’ই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।</li>
</ul>
২২২৫

‘বিদিত’ এর বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অজ্ঞাত
ব্যাখ্যা:
<p>‘বিদিত’ শব্দের অর্থ হলো যা জানা বা পরিচিত। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমরা ‘অজ্ঞাত’ ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো যা জানা নেই বা অজানা।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিদিত</strong> = জানা বা প্রকাশ্য।</li>
<li><strong>অজ্ঞাত</strong> = অজানা বা গোপন।</li>
</ul>

<p>তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে <strong>অজ্ঞাত</strong>-ই সবচেয়ে সঠিক এবং মানানসই।</p>
২২২৬

‘বিদিত’-এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অজ্ঞাত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অজ্ঞাত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দার্থের দিক থেকে ‘বিদিত’ মানে হলো যা জানা আছে বা যা জ্ঞাত। এর ঠিক উল্টো অবস্থা বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে আমরা ‘অজ্ঞাত’ শব্দটি ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো যা জানা নেই বা অজানা।</p>

<ul>
<li><strong>বিদিত:</strong> জ্ঞাত বা জানা আছে এমন।</li>
<li><strong>অজ্ঞাত:</strong> যা জানা নেই বা অজানা।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু জানা থাকলে তা ‘বিদিত’, আর না জানা থাকলে তা ‘অজ্ঞাত’। তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
২২২৭

'আরোহণ' -এর বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অবরোহণ
ব্যাখ্যা:
<p>'আরোহণ' শব্দটির অর্থ হলো উপরে ওঠা বা চড়া। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ বোঝাতে আমরা ব্যবহার করি 'অবরোহণ', যার মানে হলো নিচে নামা।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আরোহণ</strong> = উপরে ওঠা।</li>
<li><strong>অবরোহণ</strong> = নিচে নামা।</li>
</ul>

<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থগত দিক থেকে 'আরোহণ'-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>অবরোহণ</strong>।</p>
২২২৮

সন্ধি-সাধিত শব্দ ‘পরস্পর’ কোন ধরনের সন্ধির দৃষ্টান্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong>। ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মেনে অনেক সন্ধি গঠিত হয়, কিন্তু কিছু শব্দ আছে যা কোনো নিয়মই মানতে চায় না। এই ধরনের ব্যতিক্রমী শব্দগুলোকেই আমরা বলি 'নিপাতনে সিদ্ধ' সন্ধি।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'পরস্পর' শব্দটি মূলত <strong>পর + পর</strong> থেকে এসেছে।</li>
<li>সাধারণ সন্ধির নিয়ম এখানে কাজ করে না, তাই এটি সরাসরি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এমন কিছু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো: <strong>পরস্পর</strong>, <strong>তস্কর</strong>, <strong>গবাক্ষ</strong>, <strong>বনস্পতি</strong> ইত্যাদি।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই 'পরস্পর' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে এটিকে <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong> হিসেবে চিহ্নিত করবেন। এটি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়!</p>
২২২৯

যেসব ক্ষেত্রে সন্ধি নিয়মানুসারে হয় না তাকে বলে

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>সাধারণত সন্ধির ক্ষেত্রে আমরা ব্যাকরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা সূত্র মেনে চলি।</li>
<li>কিন্তু কিছু শব্দ আছে যা ব্যাকরণের কোনো সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না।</li>
<li>যেসব সন্ধি ব্যাকরণের কোনো নিয়মই মানে না, অথচ প্রচলিত আছে, তাদেরই বলা হয় <strong>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নিয়ম না মেনেও যে সন্ধিগুলো টিকে আছে, সেগুলোই হলো নিপাতনে সিদ্ধ। যেমন: 'গ + অক্ষ = গবাক্ষ' বা 'কুল + অটা = কুলটা'—এগুলো কোনো সাধারণ নিয়মে পড়ে না, তাই এগুলোকে আলাদাভাবে মনে রাখতে হয়।</p>
২২৩০

সন্ধি সাধিত শব্দ ‘পরস্পর’ কোন ধরনে সন্ধির দৃষ্টান্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে কিছু সন্ধি আছে যা সাধারণ নিয়মের তোয়াক্কা করে না। এগুলোকে আমরা <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong> সন্ধি বলি।</li>
<li>‘পরস্পর’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয়: <strong>পর + পর = পরস্পর</strong>।</li>
<li>সাধারণত সন্ধির নিয়মে এখানে কোনো পরিবর্তন হওয়ার কথা ছিল না, কিন্তু বিশেষ নিয়মে এটি ‘পরস্পর’ হিসেবে সিদ্ধ হয়েছে।</li>
<li>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, যেসব শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মানে না, সেগুলোই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ।</li>
</ul>
২২৩১

‘কুলটা’-কোন্ সন্ধির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মেনে ‘কুলটা’ শব্দটি গঠিত হয়নি।</p>

<ul>
<li>সাধারণত স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ + অ মিলে আ হওয়ার কথা, কিন্তু এখানে ‘কুল + অটা’ মিলে ‘কুলটা’ হয়েছে।</li>
<li>যেসব সন্ধি ব্যাকরণের কোনো সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মানে না, তাদেরই আমরা <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong> সন্ধি বলি।</li>
<li>যেহেতু এখানে স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নিয়ম না মানলেও যেহেতু এটি স্বরবর্ণের মিলন, তাই চোখ বন্ধ করে একে নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি হিসেবে মনে রাখা যায়।</p>
২২৩২

স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনের নাম -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসন্ধি</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—নাম থেকেই এর কাজ বোঝা যায়।</p>

<ul>
<li><strong>স্বরবর্ণ</strong> যখন অন্য একটি <strong>স্বরবর্ণের</strong> সাথে মিলে নতুন কোনো ধ্বনি তৈরি করে, তখন তাকে আমরা স্বরসন্ধি বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, সন্ধির সময় যদি দুই পাশেই স্বরবর্ণ থাকে, তবেই সেটি স্বরসন্ধি।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ: অ + অ = আ (যেমন: হিম + আলয় = হিমালয়)। এখানে 'ম'-এর সাথে থাকা 'অ' এবং 'আ'-এর 'আ' মিলে স্বরসন্ধি তৈরি করেছে।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলন মানেই <strong>স্বরসন্ধি</strong>।</p>
২২৩৩

‘মনোভিলাষ’ কোন সন্ধির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিসর্গ ও ব্যঞ্জন সন্ধির
ব্যাখ্যা:
<p>‘মনোভিলাষ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে আমরা পাই: <strong>মনঃ + অভিলাষ</strong>। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিসর্গ ও ব্যঞ্জন সন্ধির</strong>, কারণ বিষয়টি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>শব্দের প্রথম অংশে বিসর্গ (ঃ) রয়েছে।</li>
<li>দ্বিতীয় অংশের শুরুতে ‘অ’ বা স্বরবর্ণ থাকলেও, সন্ধির নিয়মে বিসর্গ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের প্রভাবে পরিবর্তিত হয় বা যুক্ত হয়, তখন তাকে বিসর্গ সন্ধি বলা হয়।</li>
<li>এখানে বিসর্গের সাথে ‘অভিলাষ’ শব্দের মিলনে সন্ধিটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ রূপ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বিসর্গের সাথে ব্যঞ্জন বা স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয়, তাকেই আমরা বিসর্গ সন্ধি বলি। তাই এখানে বিসর্গ ও ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়মটিই কার্যকর হয়েছে।</p>
২২৩৪

‘বিস্ময়াপন্ন’ সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিষ্ময়কে আপন্ন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষ্ময়কে আপন্ন</strong>। সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>‘বিস্ময়াপন্ন’ শব্দটি একটি <strong>দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
<li>যখন কোনো পদকে ব্যাসবাক্য করার সময় ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন সেটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ হয়।</li>
<li>এখানে ‘বিস্ময়’ শব্দটির সাথে ‘কে’ বিভক্তি যোগ করে ‘আপন্ন’ শব্দের সাথে যুক্ত করা হয়েছে, যা অর্থগতভাবে একদম সঠিক।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুতে আপন্ন বা মগ্ন হওয়া বোঝাতে আমরা কর্ম কারকের বিভক্তি ব্যবহার করি, তাই এখানে ‘বিস্ময়কে আপন্ন’ হওয়াই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।</p>
২২৩৫

‘করো সুখী, থাকো সুখে প্রীতিভরে হাসি মুখে পুষ্পগুচ্ছ যেন এক গাছে তা যদি না পার চিরদিন, একদিন এসনা তবু কাছে।’- কবিতার চরণ দুটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত কবিতার চরণ দুটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প বা কবিতার ভাষায় এক ধরণের স্নিগ্ধতা ও গভীর জীবনবোধ থাকে, যা এই চরণগুলোতে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>কবিতাটি মূলত তাঁর <strong>'কড়ি ও কোমল'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।</li>
<li>সাহিত্যিকদের শৈলী চেনার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তাঁদের রচনার ছন্দ এবং শব্দ চয়ন খেয়াল করা; এখানে 'প্রীতিভরে' ও 'পুষ্পগুচ্ছ' শব্দগুলোর ব্যবহার রবীন্দ্রনাথের কাব্যরীতির সাথে হুবহু মিলে যায়।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।