<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আদিত্য</strong>। সূর্যকে আমরা বিভিন্ন নামে চিনি, যার মধ্যে 'আদিত্য' একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রচলিত নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, অদিতির গর্ভে জন্ম নিয়েছেন বলে সূর্যকে <strong>আদিত্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দটি আসে, তাই এটি মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
<li>সূর্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রবি, দিনকর, ভাস্কর এবং সবিতা অন্যতম।</li>
</ul>
<p>সংক্ষেপে, যখনই সূর্যের প্রতিশব্দ খুঁজবেন, তখন <strong>আদিত্য</strong> শব্দটি মাথায় রাখলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বেছে নিতে পারবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষাদ সিন্ধু</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী এই মহাকাব্যিক উপন্যাসের কারবালার প্রান্তরের করুণ ও হৃদয়বিদারক দৃশ্যপট বর্ণনা করতে গিয়ে লেখক এই আবেগঘন ভাষা ব্যবহার করেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>বিষাদ সিন্ধু</strong> মূলত কারবালার যুদ্ধের বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে লেখা, তাই এর ভাষা ও বর্ণনাশৈলী অত্যন্ত করুণ ও নাটকীয়।</li>
<li>উদ্ধৃতাংশে 'খণ্ডিত শির' এবং 'বর্শার অগ্রভাগ'—এই শব্দগুলো কারবালার যুদ্ধের সেই মর্মান্তিক ঘটনার দিকেই সরাসরি ইঙ্গিত করে, যা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের গদ্যের এই বিশেষ আলঙ্কারিক ও আবেগপূর্ণ ভঙ্গিটি <strong>বিষাদ সিন্ধু</strong>-এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষাদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আনন্দ মানেই হলো মনের ভালো লাগা বা খুশির অনুভূতি। অন্যদিকে, বিষাদ শব্দটির অর্থ হলো দুঃখ বা মনের গভীর বেদনা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আনন্দ:</strong> হর্ষ, পুলক, সুখ বা উল্লাস—এগুলো সবই ইতিবাচক অনুভূতির প্রকাশ।</li>
<li><strong>বিষাদ:</strong> এটি আনন্দের ঠিক বিপরীত একটি শব্দ, যা শোক বা বিষণ্ণতাকে বোঝায়।</li>
</ul>
<p>তাই শব্দার্থের দিক থেকে 'বিষাদ' কখনোই আনন্দের সমার্থক হতে পারে না।</p>
২২৪০
ডালে ডালে কুসুম ভার। এখানে “ভার” কোন অর্থ প্রকাশ করছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমূহ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, এই বাক্যে “ভার” শব্দটি কোনো কিছুর ওজন বা বোঝা বোঝাচ্ছে না। বরং এটি দিয়ে ফুলের আধিক্য বা প্রাচুর্য বোঝানো হয়েছে। কবিতার ভাষায় বা বিশেষ প্রয়োগে যখন অনেকগুলো ফুল একসাথে গুচ্ছ আকারে থাকে, তখন সেটিকে বোঝাতে “কুসুম ভার” বা ফুলের সমূহ ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>কুসুম</strong> মানে ফুল।</li>
<li><strong>ভার</strong> মানে এখানে গুচ্ছ বা সমূহ।</li>
<li>পুরো বিষয়টি দাঁড়াচ্ছে—ডালে ডালে ফুলে ফুলে ভরে থাকা বা ফুলের সমাহার।</li>
</ul>
<p>‘তামার বিষ’ কথাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অর্থের কুপ্রভাব</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মানুষের হাতে যখন প্রচুর টাকা বা অর্থ আসে, তখন অনেক সময় তার স্বভাব বা চরিত্রে নেতিবাচক পরিবর্তন দেখা দেয়।</li>
<li>এই অতিরিক্ত অর্থের কারণে মানুষের মধ্যে যে অহংবোধ বা খারাপ মানসিকতা তৈরি হয়, তাকেই রূপক অর্থে ‘তামার বিষ’ বলা হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, টাকা পয়সার কারণে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় বা কুপ্রভাব বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
২২৪২
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস- এ দু;টির মধ্যে কোনটি বেশি পুরাতন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় সাহিত্যের কালপঞ্জি বিশ্লেষণ করলে:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি সাহিত্যের লিখিত রূপ বা প্রাচীন ইংরেজি সাহিত্যের যাত্রা শুরু হয় সপ্তম শতাব্দীর দিকে (যেমন: বিউলফ মহাকাব্য)।</li>
<li>অন্যদিকে, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন 'চর্যাপদ' আবিষ্কৃত হয়েছে দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সময়ের হিসেবে ইংরেজি সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের চেয়ে প্রায় তিনশ থেকে চারশ বছর আগে থেকেই লিখিত রূপ পেতে শুরু করেছিল। তাই ঐতিহাসিকভাবে ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসই বেশি পুরাতন।</p>
২২৪৩
‘কাঁদনা > কান্না’ কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করে বা একই রকম হয়ে যায়, তখন তাকে সমীভবন বলে।</li>
<li>এখানে 'কাঁদনা' শব্দে 'দ' এবং 'ন' দুটি আলাদা ধ্বনি ছিল।</li>
<li>পরবর্তীতে 'দ' ধ্বনিটি 'ন' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন' হয়ে গেছে, ফলে শব্দটি হয়েছে 'কান্না'।</li>
<li>অর্থাৎ, ভিন্ন দুটি ধ্বনি মিলে একই রকম ধ্বনিতে পরিণত হয়েছে বলেই এটি সমীভবনের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>‘প্রসন্ন’ শব্দটির অর্থ হলো প্রফুল্ল বা খুশি থাকা। এর বিপরীত অবস্থা বোঝাতে আমরা এমন শব্দ খুঁজি যা মনের মলিনতা বা দুঃখ প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষণ্ন</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প্রসন্ন:</strong> যখন মন খুব ফুরফুরে বা আনন্দিত থাকে।</li>
<li><strong>বিষণ্ন:</strong> যখন মন খারাপ বা মলিন থাকে।</li>
</ul>
<p>শব্দার্থের এই বিপরীতমুখী সম্পর্কের কারণেই ‘প্রসন্ন’ এর বিপরীত শব্দ হিসেবে ‘বিষণ্ন’ সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>’নন্দিত’ শব্দটির অর্থ হলো যা প্রশংসিত বা আনন্দিত। এর বিপরীত অর্থ বোঝাতে আমরা এমন শব্দ খুঁজি যা কোনো কিছুর নিন্দা বা অপছন্দ প্রকাশ করে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিন্দিত</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>নন্দিত:</strong> যার প্রশংসা করা হয়েছে বা যে আনন্দিত।</li>
<li><strong>নিন্দিত:</strong> যাকে নিন্দা করা হয়েছে বা যা ঘৃণিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রশংসা বা আনন্দের ঠিক উল্টো হলো নিন্দা। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নন্দিত শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে নিন্দিত-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশ্বের কবি</strong>। সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আমাদের মূল শব্দের অর্থ ও বিভক্তির দিকে খেয়াল রাখতে হয়।</p>
<ul>
<li>'বিশ্বকবি' শব্দটি ভাঙলে আমরা পাই 'বিশ্বের কবি'।</li>
<li>এখানে 'বিশ্বের' শব্দটিতে ষষ্ঠী বিভক্তি (এর) যুক্ত আছে, তাই এটি <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো পদের সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করে এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তখন তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে 'কবি' পদটিই প্রধান, তাই এটিই সঠিক ব্যাসবাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশ্বাসপ্রবণ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! আমরা যখন বলি কারো কান পাতলা, তার মানে হলো সে খুব সহজেই অন্যের কথা বিশ্বাস করে ফেলে। অর্থাৎ, যাচাই-বাছাই না করেই অন্যের কথায় প্রভাবিত হওয়া বা চটজলদি বিশ্বাস করে ফেলার স্বভাবকেই বাগধারায় বলা হয় <strong>কান পাতলা</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>কান পাতলা</strong> = যে ব্যক্তি অন্যের কথায় সহজেই বিশ্বাস স্থাপন করে।</li>
<li>সহজ কথায়, এমন মানুষ যারা অন্যের কথায় খুব দ্রুত প্রভাবিত হয়, তাদেরই আমরা <strong>বিশ্বাসপ্রবণ</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশ্বাসঘাতক হিসেবে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'ফিফথ কলাম' বা 'Fifth Column' শব্দটি মূলত সামরিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর অর্থ হলো এমন একদল লোক, যারা গোপনে শত্রুপক্ষকে সাহায্য করে এবং দেশের ভেতর থেকে নাশকতা বা বিশ্বাসঘাতকতা চালায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যারা নিজেদের দলের ভেতরে থেকে শত্রুর হয়ে কাজ করে, তাদেরই <strong>বিশ্বাসঘাতক</strong> বা 'ফিফথ কলাম' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ শত্রুদের চিহ্নিত করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গচ্চিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'আমানত' শব্দটির মূল অর্থ হলো এমন কোনো সম্পদ বা বস্তু, যা অন্য কারো কাছে নিরাপত্তার জন্য রাখা হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যা কারো কাছে <strong>গচ্ছিত</strong> বা জমা রাখা হয়, তাকেই আমানত বলা হয়।</li>
<li>তাই যখনই কোথাও কোনো কিছু গচ্ছিত রাখার প্রসঙ্গ আসে, তখনই 'আমানত' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।