<p>শ্রী চৈতন্যের আসল বা জন্মকালীন নাম হলো <strong>বিশ্বম্ভর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শ্রী চৈতন্যের জন্মের পর তাঁর মা-বাবা আদর করে তাঁকে <strong>নিমাই</strong> বলে ডাকতেন, কারণ তিনি নিম গাছের নিচে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।</li>
<li>তবে তাঁর আনুষ্ঠানিক বা আসল নাম ছিল <strong>বিশ্বম্ভর</strong>।</li>
<li>পরবর্তীতে সন্ন্যাস গ্রহণের পর তিনি <strong>শ্রী চৈতন্য</strong> নামে পরিচিত হন।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নের ক্ষেত্রে যখন 'আসল নাম' জানতে চাওয়া হয়, তখন সঠিক উত্তরটি হবে <strong>বিশ্বম্ভর</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বজনীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিশেষ্য পদের সাথে 'ঈন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন তা সাধারণ বা সবার জন্য প্রযোজ্য বোঝায়, তখন তাকে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সর্বজন</strong> মানে হলো সবাই বা সকল মানুষ।</li>
<li>যখন কোনো কিছু সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয়, তখন তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>সর্বজনীন</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই 'সর্বজন' শব্দের বিশেষণ হিসেবে 'সর্বজনীন' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সঠিক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, কোনো কিছুর নাম বোঝালে তা বিশেষ্য পদ হয়।</li>
<li>'লাজ' শব্দটির অর্থ হলো লজ্জা বা শরম, যা একটি গুণের নাম বা ভাববাচক বিশেষ্য।</li>
<li>আমরা যখন বলি "তার লাজ নেই", তখন এখানে 'লাজ' একটি নাম বা সত্তা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই এটি বিশেষ্য পদ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, লজ্জা বা শরম যখন নাম হিসেবে বসে, তখন তা সবসময় <strong>বিশেষ্য</strong> হিসেবেই গণ্য হয়।</p>
<p>তৎপুরুষ সমাসে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরপদের</strong> অর্থ প্রধান থাকে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তৎপুরুষ সমাসে সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়।</li>
<li>বিভক্তি চলে যাওয়ার ফলে মূল গুরুত্ব বা অর্থটা তখন <strong>পরপদের</strong> ওপর গিয়ে পড়ে।</li>
<li>যেমন: 'বই পড়া' বলতে কিন্তু 'বই' নয়, বরং 'পড়া' কাজটিকে বোঝানো হচ্ছে। এখানে 'পড়া' হলো পরপদ, তাই এর অর্থই প্রধান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, চোখ বন্ধ করে তাকেই তৎপুরুষ সমাস বলা যায়।</p>
<p>সাধারণত সমাসের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষ পদে</strong>। এর কারণটা খুব সহজ—সমাসবদ্ধ শব্দ তৈরি করার সময় বিভক্তি সাধারণত শেষের পদটির সাথেই যুক্ত থাকে।</p>
<p>বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সমাস মানেই হলো একাধিক পদের মিলন।</li>
<li>যখন আমরা ব্যাসবাক্য থেকে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করি, তখন মাঝখানের বিভক্তিগুলো লোপ পায়।</li>
<li>সবশেষে যে পদটি থাকে, তার সাথেই বিভক্তিটি টিকে থাকে বা যুক্ত হয়।</li>
<li>যেমন: 'বইয়ের পড়া' থেকে হয় 'বইপড়া'। এখানে 'বই' এবং 'পড়া' মিলে একটি শব্দ হয়েছে, যেখানে বিভক্তিটি শেষ পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সমাসের প্রক্রিয়ায় শেষ পদটিই প্রধান ভূমিকা পালন করে এবং বিভক্তি সাধারণত সেখানেই অবস্থান করে।</p>
<p>বাংলা ভাষায় সাধুরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ব্যাকরণগত কাঠামোর সুনির্দিষ্ট নিয়ম। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সাধুরীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ সবসময় পূর্ণাঙ্গ থাকে, যেমন— 'করিতেছে', 'খাইতেছে' বা 'গিয়াছে'।</li>
<li>সর্বনাম পদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য, যেমন— 'তাহারা', 'যাহাদের' বা 'ইহাদের'।</li>
<li>চলিত রীতিতে আমরা যেখানে 'করছে' বা 'তারা' বলি, সাধুরীতিতে সেই জায়গাগুলোতে ক্রিয়া ও সর্বনামের দীর্ঘ ও সুনির্দিষ্ট রূপ ব্যবহার করা হয়, যা এই রীতিকে গাম্ভীর্যপূর্ণ করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাধুরীতি চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হলো এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের বিশেষ গঠনশৈলী লক্ষ্য করা।</p>
২২৫৭
বাংলা ব্যাকরণ কোন পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানে না?
<p>বাংলা ব্যাকরণে <strong>অব্যয়</strong> পদটি সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মেনে চলে না। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>অব্যয়</strong> শব্দের অর্থই হলো যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন নেই।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণে লিঙ্গভেদে শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়, কিন্তু বাংলা অব্যয় পদগুলো সব সময় অপরিবর্তিত থাকে।</li>
<li>অর্থাৎ, লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তিভেদে অব্যয়ের কোনো রূপান্তর ঘটে না, তাই এটি সংস্কৃতের লিঙ্গ সংক্রান্ত কঠোর নিয়মগুলো অনুসরণ করে না।</li>
</ul>
<p>‘বিরাগী’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>উদাসীন</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় বলতে গেলে, বিরাগী বলতে এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি জাগতিক সুখ-দুঃখ, মায়া বা মোহ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যার কোনো কিছুর প্রতি বিশেষ কোনো আসক্তি বা টান নেই, তিনিই বিরাগী। তাই এই শব্দের সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থ হিসেবে আমরা ‘উদাসীন’ শব্দটিকে বেছে নিই।</p>
<ul>
<li><strong>বিরাগী</strong> = যে ব্যক্তি সংসার বা জাগতিক বিষয় থেকে বিমুখ।</li>
<li><strong>উদাসীন</strong> = যার কোনো বিষয়ে কোনো আগ্রহ বা আসক্তি নেই।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যখন কেউ কোনো কিছুর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে বা নির্লিপ্ত থাকে, তখন তাকেই আমরা বিরাগী বা উদাসীন বলে থাকি।</p>
<p>‘বিরাগী’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>উদাসীন</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘বিরাগী’ শব্দটি এসেছে ‘বিরাগ’ থেকে, যার অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি আসক্তি বা আগ্রহ না থাকা।</li>
<li>যিনি জাগতিক সুখ-দুঃখ বা পার্থিব কোনো কিছুর প্রতি আগ্রহ বোধ করেন না, তাকেই আমরা উদাসীন বা বিরাগী বলে থাকি।</li>
<li>সহজ কথায়, যার মনে কোনো বিষয়ে কোনো টান বা আসক্তি নেই, তিনিই বিরাগী।</li>
</ul>
<p>‘অভিনিবেশ’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>মনোযোগ</strong>। সহজ কথায়, কোনো কিছুতে গভীরভাবে মন বসানো বা একাগ্রচিত্তে কোনো কাজ করাই হলো অভিনিবেশ।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>অভিনিবেশ</strong> মানে হলো কোনো বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করা।</li>
<li>যখন আমরা কোনো কাজে পুরোপুরি ডুবে যাই, তখন তাকেই বলা হয় গভীর মনোযোগ বা অভিনিবেশ।</li>
<li>পরীক্ষায় এই শব্দটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখবেন—এর অর্থ হলো একাগ্রতা বা <strong>মনোযোগ</strong>।</li>
</ul>
২২৬১
সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি আছে এই বাক্যে ‘সুন্দর’ শব্দটি কোন পদ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সাধারণত ‘সুন্দর’ শব্দটি কোনো কিছুর দোষ বা গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হলে তা বিশেষণ হয়।</li>
<li>কিন্তু এই বাক্যে ‘সুন্দর’ শব্দটি কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বা কোনো কিছুর নাম হিসেবে বসেছে।</li>
<li>যখন কোনো বিশেষণ পদ বাক্যে বিশেষ্যের মতো কাজ করে বা কোনো কিছুর নামকে নির্দেশ করে, তখন তাকে <strong>বিশেষ্য</strong> হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>এখানে ‘সুন্দর’ বলতে সুন্দর কোনো বস্তুকে বা সুন্দর বিষয়কে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি এখানে বিশেষ্য পদ।</li>
</ul>
২২৬২
‘এক এক বিরাট সত্য‘ এখানে ‘সত্য’ কোন পদ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘সত্য’ শব্দটি একটি গুণের নাম বা ভাব প্রকাশ করছে।</li>
<li>যখন কোনো শব্দ কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের নাম বোঝায়, তখন সেটি ব্যাকরণ অনুযায়ী <strong>বিশেষ্য</strong> পদ হয়।</li>
<li>এখানে ‘সত্য’ শব্দটি কোনো কিছুর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না, বরং এটি একটি অস্তিত্ব বা ধারণাকে নির্দেশ করছে, তাই এটি বিশেষ্য পদ।</li>
</ul>
২২৬৩
যারা অত্যন্ত পরিশ্রমী তারাই উন্নতি করে-বাক্যে উদ্দেশ্য সম্প্রসারণ কিভাবে ঘটেছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমার্থক বাক্যাংশ যোগে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠনটা দেখি:</p>
<ul>
<li>মূল বাক্যটি ছিল: "পরিশ্রমীরাই উন্নতি করে।"</li>
<li>এখানে 'পরিশ্রমী' এবং 'যারা অত্যন্ত পরিশ্রমী' একই অর্থ প্রকাশ করছে।</li>
<li>মূল উদ্দেশ্য 'পরিশ্রমী'-কে আরও বড় করে বোঝাতে 'যারা অত্যন্ত পরিশ্রমী' এই বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>যেহেতু মূল উদ্দেশ্যের সাথে একই অর্থবোধক একটি বাক্যাংশ যোগ করে উদ্দেশ্যকে বড় বা সম্প্রসারিত করা হয়েছে, তাই এটি <strong>সমার্থক বাক্যাংশ যোগে</strong> উদ্দেশ্য সম্প্রসারণের উদাহরণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পরপদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটিকে বলা হয় <strong>পূর্বপদ</strong>।</li>
<li>ঠিক তার পরের বা শেষের অংশটিকে বলা হয় <strong>পরপদ</strong> (একে উত্তরপদও বলা হয়)।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে 'বইমেলা' শব্দটি দেখলে বোঝা যায়, এখানে 'বই' হলো পূর্বপদ এবং 'মেলা' হলো <strong>পরপদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সমাসের ক্ষেত্রে পরের পদটিই হলো পরপদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পূর্বপদ</strong>। বিষয়টি একদম সহজ:</p>
<ul>
<li>সমাস মানে হলো একাধিক পদের মিলন। এই মিলন প্রক্রিয়ায় যে পদটি আগে বসে, তাকেই বলা হয় <strong>পূর্বপদ</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, যে পদটি পরে বসে তাকে বলা হয় <strong>পরপদ</strong> বা উত্তরপদ।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে, 'রাজার পুত্র' = 'রাজপুত্র'। এখানে 'রাজা' শব্দটি আগে বসেছে, তাই এটিই হলো <strong>পূর্বপদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সমাসের শুরুতে থাকা পদটিই হলো পূর্বপদ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।