<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ গঠনে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘আই’ প্রত্যয়টি যখন কোনো বিশেষ্য পদের সাথে যুক্ত হয়, তখন সেটি সেই বিশেষ্যকে গুণ বা বৈশিষ্ট্যে রূপান্তর করে।</li>
<li>যেমন, ‘চোর’ একটি বিশেষ্য পদ, কিন্তু এর সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘চোরাই’ শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>এই ‘চোরাই’ শব্দটি এখন কোনো বস্তু বা বিষয়কে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয় (যেমন: চোরাই মাল)।</li>
<li>যেহেতু এটি এখন বিশেষ্যকে বিশেষিত করছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি <strong>বিশেষণ গঠনে</strong> ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
২২৬৭
‘হাঁড়ি হাঁড়ি সন্দেশ’ - এখানে কোন কোন পদযোগে বহুবচন হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য ও বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা পদগুলোর দিকে তাকাই:</p>
<ul>
<li>এখানে 'হাঁড়ি' একটি বিশেষ্য পদ (পাত্রের নাম)।</li>
<li>আবার 'সন্দেশ'ও একটি বিশেষ্য পদ (বস্তুর নাম)।</li>
</ul>
<p>যখন একই বিশেষ্য পদ পরপর দুইবার বসে বহুবচন বা আধিক্য বোঝায়, তখন তাকে বিশেষ্য ও বিশেষ্য যোগে গঠিত বহুবচন বলা হয়। যেমন— 'হাঁড়ি হাঁড়ি' বলতে অনেকগুলো হাঁড়ি বা প্রচুর পরিমাণ সন্দেশকে বোঝানো হয়েছে। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি বিশেষ্য ও বিশেষ্যের মিলন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ সাধু ও চলিত ভাষার রূপভেদের মূল জায়গাটাই হলো এই দুটি পদ।</p>
<ul>
<li><strong>সর্বনাম পদ:</strong> সাধু ভাষায় আমরা বলি 'তাহারা', 'যাহারা', কিন্তু চলিত ভাষায় এগুলো হয়ে যায় 'তারা', 'যারা'।</li>
<li><strong>ক্রিয়া পদ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়ার রূপ হয় দীর্ঘ, যেমন— 'করিতেছে', 'খাইয়াছে'। চলিত ভাষায় এগুলো সংক্ষিপ্ত হয়ে হয় 'করছে', 'খেয়েছে'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্যের গঠন বা বিশেষ্য-বিশেষণ খুব একটা না বদলালেও, ক্রিয়া আর সর্বনামের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমেই মূলত সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দের কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ যাদের লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তি দিয়ে পরিবর্তন করা যায় না, তাদেরই অব্যয় বলা হয়।</li>
<li>'না' শব্দটি একটি না-বোধক শব্দ যা বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, কিন্তু এর নিজস্ব কোনো রূপভেদ নেই।</li>
<li>যেহেতু 'না' শব্দটিকে কোনোভাবেই রূপান্তর করা সম্ভব নয়, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি <strong>অব্যয়</strong> পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা পদের কাজটা খেয়াল করি।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘চেনা’ শব্দটি ‘লোক’ বিশেষ্য পদটিকে বিশেষিত করছে।</li>
<li>অর্থাৎ, লোকটির গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে যে সে আমাদের পরিচিত বা চেনা।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তাকেই <strong>বিশেষণ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে ‘চেনা’ শব্দটি লোকটির পরিচয় বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে বলেই এটি বিশেষণ পদ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়া</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি মূলত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর। তবে খাঁটি বাংলা শব্দের ক্ষেত্রে সন্ধি সব সময় হয় না।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সন্ধি সাধারণত বিশেষ্য, বিশেষণ বা অব্যয় পদের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।</li>
<li><strong>ক্রিয়া পদের</strong> রূপ পরিবর্তনের সময় সন্ধি কাজ করে না, কারণ ক্রিয়া পদের গঠন প্রকৃতি সন্ধির নিয়মের চেয়ে বিভক্তি বা প্রত্যয়ের ওপর বেশি নির্ভরশীল।</li>
<li>তাই ব্যাকরণগতভাবে ক্রিয়া পদের সাথে সন্ধি করার কোনো সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি একদম সহজ!</p>
<p>ব্যাকরণে ‘না’ শব্দটিকে অব্যয় বলা হয় কারণ:</p>
<ul>
<li>অব্যয় হলো সেই শব্দ যার কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না।</li>
<li>বাক্যে ‘না’ শব্দটি ব্যবহারের সময় এর লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তির কোনো পরিবর্তন ঘটে না।</li>
<li>এটি সাধারণত কোনো কাজ বা বিষয়ের অস্বীকৃতি বা নিষেধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বাক্যের গঠনকে প্রভাবিত করলেও নিজে অপরিবর্তিত থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দের কোনো ক্ষয় বা পরিবর্তন নেই, সেটিই অব্যয়। আর ‘না’ শব্দটি সবসময় একই রূপে থাকে বলে এটি অব্যয় পদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা দেখি শব্দটি বাক্যে কী কাজ করছে।</p>
<ul>
<li>এখানে ‘চেনা’ শব্দটি ‘লোক’ বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকেই <strong>বিশেষণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ‘লোকটি কেমন?’—এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা পাচ্ছি ‘চেনা’। তাই এটি এখানে বিশেষণের কাজ করছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' বিশেষ্যটির দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকেই বিশেষণ বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'লোক' কেমন? উত্তর হলো 'চেনা'। তাই 'চেনা' শব্দটি এখানে লোক বিশেষ্যটির বিশেষণ হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বনাম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, কোনো কিছুর নাম বা বিশেষ্যের পরিবর্তে যা বসে, তাকেই সর্বনাম বলে।</li>
<li>এখানে 'কী' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট নাম বা বস্তুর পরিবর্তে প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এটি বিশেষ্যের জায়গায় বসে প্রশ্ন তৈরি করছে, তাই এটি একটি <strong>প্রশ্নবাচক সর্বনাম</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে কোনো কিছু জানতে চায়, তখন সেটি সর্বনাম পদই হয়।</p>
<p>একটি বাক্যের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অংশ হলো <strong>ক্রিয়া</strong>। কারণটা খুব সহজ—একটি বাক্য তৈরি হতে হলে তাতে অবশ্যই কোনো কাজ বা অবস্থার প্রকাশ থাকতে হয়।</p>
<ul>
<li>বাক্যের প্রাণ হলো ক্রিয়া বা ভার্ব।</li>
<li>ক্রিয়া ছাড়া কোনো বাক্য পূর্ণতা পায় না।</li>
<li>আপনি বিশেষ্য বা বিশেষণ ছাড়া ছোট বাক্য তৈরি করতে পারলেও, ক্রিয়া ছাড়া মনের ভাব প্রকাশ করা প্রায় অসম্ভব।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্যের মূল ভিত্তিই হলো ক্রিয়া, যা ছাড়া বাক্য তার অর্থ হারিয়ে ফেলে। তাই ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়াই বাক্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।</p>
<p>দ্বিগু সমাসে সমাস নিষ্পন্ন পদটি সবসময় <strong>বিশেষ্য</strong> পদ হয়। এটি চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনটি খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>দ্বিগু সমাসে পূর্বপদটি হয় সংখ্যাবাচক শব্দ।</li>
<li>পরপদটি হয় বিশেষ্য পদ।</li>
<li>সমাস হওয়ার পর পুরো শব্দটি একটি সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়, যা ব্যাকরণগতভাবে একটি বিশেষ্য হিসেবেই কাজ করে।</li>
</ul>
<p>যেমন, 'তিন কালের সমাহার' = <strong>ত্রিকাল</strong>। এখানে 'ত্রিকাল' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। তাই মনে রাখবে, দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ পদটি সবসময় বিশেষ্যই হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এক ধরনের গান</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, টপ্পা হলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের একটি বিশেষ ও জনপ্রিয় ধারা।</p>
<ul>
<li>এটি মূলত পাঞ্জাবি লোকসংগীত থেকে উদ্ভূত একটি গায়কী।</li>
<li>বাংলা গানে টপ্পা ধারার প্রবর্তন করেন রামনিধি গুপ্ত, যিনি নিধুবাবু নামে পরিচিত।</li>
<li>এই গানের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর দ্রুত লয় এবং তানের কারুকাজ, যা শুনতে বেশ মিষ্টি ও প্রাণবন্ত লাগে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, টপ্পা কোনো বাদ্যযন্ত্র বা খেলা নয়, বরং এটি আমাদের সংগীতের ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
২২৭৯
'পৃথিবীর একটি উপগ্রহ আছে ' - এখানে 'উপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুদ্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'উপ' উপসর্গটি যখন কোনো বিশেষ্য পদের আগে বসে, তখন তা প্রায়ই মূল বস্তুর চেয়ে ছোট বা কম গুরুত্বপূর্ণ কিছু বোঝায়।</li>
<li>পৃথিবী একটি বিশাল গ্রহ, আর চাঁদ তার তুলনায় অনেক ছোট। তাই পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে বলে চাঁদকে বলা হয় 'উপগ্রহ'।</li>
<li>সহজ কথায়, মূল গ্রহের চেয়ে আকারে ছোট বলেই এখানে 'উপ' উপসর্গটি <strong>ক্ষুদ্র</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
২২৮০
'পৃথিবীর একটি উপগ্রহ আছে' - এখানে 'উপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।