<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অচলাবস্থা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'deadlock' শব্দটি সাধারণত এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে কোনো কাজ বা প্রক্রিয়া আর সামনে এগোতে পারে না।</p>
<ul>
<li>'Dead' মানে মৃত বা স্থির এবং 'lock' মানে তালাবদ্ধ অবস্থা।</li>
<li>যখন কোনো জটিল পরিস্থিতিতে দুই বা ততোধিক পক্ষ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং কেউই কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, তখন সেই স্থবির অবস্থাকেই বাংলায় <strong>অচলাবস্থা</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু আর নড়াচড়া করার সুযোগ পায় না, সেই অচল পরিস্থিতিই হলো 'deadlock'।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তখন তাকে সরল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে ‘জ্ঞানী লোক’ হলো বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং ‘শ্রদ্ধা পান’ হলো সমাপিকা ক্রিয়া বা বিধেয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই এবং একাধিক বাক্যের সংযোগও নেই, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি সরল বাক্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে একটিমাত্র কাজ বা ভাব প্রকাশ পায়, সেটাই সরল বাক্য।</p>
<p>‘আগত’ শব্দটিতে ‘আ’ উপসর্গটি এখানে <strong>‘প্রতি’</strong> বা <strong>‘অভিমুখ’</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শুরুতে ‘আ’ যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর দিকে আসা বা কোনো কিছুর প্রতি নির্দেশ করে, তখন সেটি ‘প্রতি’ অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li>‘আ’ উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন: অভাব, ঈষৎ, ব্যাপ্তি বা প্রতি।</li>
<li>‘আগত’ মানে হলো যা বা যিনি ‘দিকে এসেছেন’ বা ‘প্রতি এসেছেন’।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে ‘আ’ উপসর্গটি গমনের অভিমুখ বা ‘প্রতি’ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘আধোয়া’ শব্দের সঠিক উত্তর হলো <strong>অভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করি:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘আ’ একটি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হলো কোনো কিছুর অনুপস্থিতি বা ঘাটতি।</li>
<li>‘ধোয়া’ মানে যা পরিষ্কার করা হয়েছে।</li>
<li>যখন আমরা ‘আ’ উপসর্গটি যুক্ত করি, তখন শব্দটি দাঁড়ায় ‘আধোয়া’, যার সহজ অর্থ হলো যা ধোয়া হয়নি বা যার ধোয়ার <strong>অভাব</strong> রয়েছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণে অনেক সময় ‘আ’ উপসর্গটি নেতিবাচক বা অভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেমন— ‘আকাল’ (কালের অভাব) বা ‘আধোয়া’ (ধোয়ার অভাব)। তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো অভাব।</p>
<p>‘আজীবন’ শব্দটিতে ‘আ’ উপসর্গটি যুক্ত হয়ে ‘জীবন পর্যন্ত’ বা ‘জীবনব্যাপী’ অর্থ প্রকাশ করছে। এখানে ‘আ’ উপসর্গটি মূলত ব্যাপ্তি বা সীমা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘আ’ উপসর্গ যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে সীমা বা ব্যাপ্তি বোঝায়, তখন তার অর্থ হয় <strong>পর্যন্ত</strong>।</li>
<li>যেমন: ‘আজীবন’ মানে জীবন <strong>পর্যন্ত</strong>, ‘আকণ্ঠ’ মানে কণ্ঠ <strong>পর্যন্ত</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্যন্ত</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশদ আলোচনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ভাব-সম্প্রসারণের মূল কাজই হলো কোনো একটি ছোট বা সংক্ষিপ্ত ভাবকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা।</p>
<ul>
<li>ভাব-সম্প্রসারণে কোনো একটি গভীর বা তাৎপর্যপূর্ণ উক্তি বা কবিতার লাইনকে বেছে নেওয়া হয়।</li>
<li>সেই সংক্ষিপ্ত কথাটির অন্তর্নিহিত অর্থ বা দর্শনকে সহজ ভাষায় বড় করে তুলে ধরা হয়।</li>
<li>এটি মূলত মূল ভাবকে বিভিন্ন যুক্তি, উদাহরণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পাঠকের কাছে স্পষ্ট করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ছোট একটি বীজ থেকে যেমন বড় গাছ জন্মায়, তেমনি একটি ছোট ভাবকে বড় পরিসরে ফুটিয়ে তোলাই হলো ভাব-সম্প্রসারণের কাজ।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা হয় মূলত <strong>আঠার শতক</strong> থেকে। যদিও এর আগে গদ্যের কিছু নিদর্শন পাওয়া যায়, তবে আঠার শতকেই গদ্যের ব্যবহারিক রূপটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।</p>
<ul>
<li>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠার অনেক আগে থেকেই ব্যক্তিগত চিঠিপত্র ও দলিল-দস্তাবেজে গদ্যের ব্যবহার শুরু হয়েছিল।</li>
<li>আঠার শতকের মাঝামাঝি সময়ে রচিত বিভিন্ন নথিপত্র ও চিঠিপত্র প্রমাণ করে যে, বাংলা গদ্যের ভিত্তি এই সময়েই তৈরি হয়েছিল।</li>
<li>পরবর্তীতে ঊনিশ শতকে এসে এটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলেও, এর সূচনালগ্ন হিসেবে <strong>আঠার শতককেই</strong> ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>‘অনুলোপ’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>প্রতিলোপ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>‘অনু’ উপসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর অনুকূলে বা দিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘প্রতি’ উপসর্গটি বিপরীত বা উল্টো দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অনুলোপের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে আমরা <strong>প্রতিলোপ</strong> শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর অনুগামী বা একই দিকের প্রবাহ হলো অনুলোপ, আর তার বিপরীতমুখী প্রবাহ বা প্রতিচ্ছবি হলো প্রতিলোপ।</p>
২২৮৯
বাক্যটি এক কথায় প্রকাশ করুন : “পরিমিত ব্যয় করে যে” -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিতব্যয়ী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে যে ব্যক্তি হিসাব করে বা প্রয়োজনের তুলনায় কম খরচ করেন, তাকে এক কথায় <strong>মিতব্যয়ী</strong> বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>পরিমিত</strong> মানে হলো যা মেপে বা হিসেব করে করা হয়।</li>
<li><strong>ব্যয়</strong> মানে হলো খরচ।</li>
<li>তাই যে ব্যক্তি হিসেব করে খরচ করেন, তাকে আমরা এক কথায় বলি <strong>মিতব্যয়ী</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অপচয় না করে গুছিয়ে খরচ করাই হলো মিতব্যয়িতা, আর যিনি এটি করেন তিনি মিতব্যয়ী।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিলম্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘আশু’ শব্দটির অর্থ হলো যা খুব দ্রুত বা তাড়াতাড়ি ঘটে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আশু</strong> মানে হলো দ্রুত বা তাৎক্ষণিক কোনো কাজ।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অবস্থা হলো কোনো কিছু দেরি করে হওয়া, যাকে আমরা বলি <strong>বিলম্ব</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো কাজের দ্রুততা বোঝাতে ‘আশু’ শব্দটি আসবে, তার বিপরীত হিসেবে সবসময় ‘বিলম্ব’ শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যষ্টি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>সমষ্টি</strong> বলতে বোঝায় অনেকগুলো একক বা উপাদানের সমষ্টি বা সামগ্রিক রূপ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>ব্যষ্টি</strong> হলো সেই সমষ্টির ক্ষুদ্রতম একক বা স্বতন্ত্র সত্তা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন আমরা পুরো দল বা বড় কোনো গোষ্ঠীকে নিয়ে কথা বলি, তখন তা হয় 'সমষ্টি'। আর যখন সেই দলের একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা একক বিষয়কে আলাদা করে দেখি, তখন তাকে বলা হয় 'ব্যষ্টি'। তাই ব্যাকরণগতভাবে সমষ্টির ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে ব্যষ্টি।</p>
২২৯২
ঈষৎ রক্তিম = আরক্তিম -এখানে ‘আ’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈষৎ</strong>। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ বা অব্যয় যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে, তখন তা শব্দের অর্থ বদলে দেয়। এখানে ‘আরক্তিম’ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই:</p>
<ul>
<li>‘আ’ উপসর্গটি এখানে <strong>ঈষৎ</strong> বা সামান্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>‘রক্তিম’ মানে হলো লাল বা রক্তবর্ণ।</li>
<li>তাই ‘আ’ + ‘রক্তিম’ মিলে হয় ‘আরক্তিম’, যার অর্থ হলো যা পুরোপুরি লাল নয়, বরং <strong>ঈষৎ লাল</strong> বা হালকা লালচে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর আভা বা সামান্য উপস্থিতি বোঝাতে এখানে ‘আ’ উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমার্থক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>'হাট' এবং 'বাজার' শব্দ দুটি আলাদা শোনালেও এদের অর্থ কিন্তু একই।</li>
<li>যখন দুটি শব্দের অর্থ একই হয় এবং তারা জোড়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু 'হাট' মানেই কেনাবেচার জায়গা এবং 'বাজার'-ও একই অর্থ প্রকাশ করে, তাই এদের মিলন বা বিরোধের কোনো সুযোগ নেই; এরা একে অপরের পরিপূরক বা সমার্থক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধানের নাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা প্রাচীন অভিধানে 'নীবার' বলতে মূলত বুনো ধান বা অরণ্যে জন্মানো এক বিশেষ ধরনের ধানকে বোঝানো হয়।</p>
<ul>
<li>প্রাচীনকালে ঋষিরা অরণ্যে যে ধান সংগ্রহ করতেন, তাকেই নীবার বলা হতো।</li>
<li>এটি সাধারণ চাষ করা ধানের চেয়ে আলাদা এবং প্রাকৃতিকভাবে জন্মে।</li>
<li>তাই শব্দার্থের ক্ষেত্রে 'নীবার' মানেই হলো <strong>ধানের একটি বিশেষ প্রজাতি</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: বরেণ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'ইতি' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর সমাপ্তি বা শেষ হওয়া।</li>
<li>যেহেতু অবসান, শেষ এবং বিরাম—এই তিনটি শব্দই সমাপ্তি বা বিরতি বোঝায়, তাই এগুলো 'ইতি' শব্দের প্রতিশব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বরেণ্য</strong> শব্দের অর্থ হলো যাঁর পূজা বা সম্মান করা হয়, অর্থাৎ 'শ্রদ্ধেয়' বা 'মান্য'। এটি সমাপ্তির সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাকি তিনটি শব্দ একই অর্থ প্রকাশ করলেও 'বরেণ্য' সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বহন করে, তাই এটি সঠিক উত্তর।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।