<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দশানন</strong>। বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর অর্থ। বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ পায়।</p>
<ul>
<li><strong>দশানন</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'দশ আনন (মাথা) যার'।</li>
<li>এখানে 'দশ' বা 'আনন' কোনোটির অর্থ প্রধান নয়, বরং এই শব্দটি দিয়ে নির্দিষ্ট করে <strong>রাবণকে</strong> বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদ অন্য কাউকে বা কোনো বিশেষ কিছুকে ইঙ্গিত করে, তখনই সেটি বহুব্রীহি সমাস হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গর্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান অনুযায়ী 'বিবর' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো কিছুর ভেতরে থাকা ফাঁপা জায়গা বা গর্ত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>সাধারণত মাটির নিচে বা কোনো কঠিন বস্তুর ভেতরে যে গভীর বা ফাঁপা অংশ থাকে, তাকেই আমরা <strong>বিবর</strong> বলি।</li>
<li>যেমন: সাপের গর্ত বা কোনো গুহার মুখকে অনেক সময় বিবর হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরাগ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিপরীতার্থক শব্দ মানেই হলো মূল শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করা।</p>
<ul>
<li><strong>অনুরাগ</strong> শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি গভীর ভালোবাসা, টান বা আসক্তি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বিরাগ</strong> শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি অনীহা, ঘৃণা বা বিরক্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছুর প্রতি টান থাকে না বা ভালো লাগে না, তখন আমরা তাকে 'বিরাগ' বলি। তাই অনুরাগের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অবস্থা বোঝাতে 'বিরাগ' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>‘অনুরাগ’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>বিরাগ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>অনুরাগ</strong> মানে হলো কোনো কিছুর প্রতি গভীর ভালোবাসা, টান বা আসক্তি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বিরাগ</strong> মানে হলো কোনো কিছুর প্রতি অনীহা, ঘৃণা বা বিরক্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন আমরা কোনো কিছু খুব পছন্দ করি তখন সেটা হয় অনুরাগ, আর যখন সেই একই জিনিসের প্রতি আমাদের অরুচি বা বিতৃষ্ণা তৈরি হয়, তখন তাকেই বলা হয় বিরাগ। তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিরাগই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরহ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ করি।</p>
<ul>
<li>'মিলন' মানে হলো কারো সাথে একত্রিত হওয়া বা কাছাকাছি আসা।</li>
<li>অন্যদিকে, 'বিরহ' শব্দটির অর্থ হলো প্রিয়জনের কাছ থেকে দূরে থাকা বা বিচ্ছেদ।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারের নিয়ম অনুযায়ী, বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'মিলন'-এর বিপরীতে 'বিরহ' ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি মানুষ বা বস্তুর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়, সেই অবস্থাকেই আমরা বিরহ বলি, যা মিলনের ঠিক উল্টো একটি অনুভূতি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরহ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিপরীত শব্দ মানেই হলো মূল শব্দের উল্টো অর্থ প্রকাশ করা।</p>
<ul>
<li><strong>মিলন</strong> মানে হলো কারো সাথে একত্রিত হওয়া বা কাছাকাছি থাকা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বিরহ</strong> শব্দটির অর্থ হলো প্রিয়জন থেকে দূরে থাকা বা বিচ্ছেদের বেদনা।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে এবং ভাবার্থের দিক থেকে মিলনের বিপরীত অবস্থা বোঝাতে <strong>বিরহ</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরল</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'বহুল' শব্দটির অর্থ হলো যা অনেক বা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।</li>
<li>অন্যদিকে, 'বিরল' শব্দটির অর্থ হলো যা খুব কম বা সহজে পাওয়া যায় না।</li>
<li>শব্দার্থের এই বিপরীতমুখী সম্পর্কের কারণেই 'বহুল' এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'বিরল' সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু যখন খুব বেশি থাকে তখন তা 'বহুল', আর যখন তা খুঁজে পাওয়া কঠিন বা খুব কম থাকে তখন তা 'বিরল'।</p>
২৩০৩
‘সে নাকি আসবে না’ এ বাক্যে না অব্যয়ের প্রয়োগ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ভাবনা অর্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'সে নাকি আসবে না' বলতে নিশ্চিত কোনো তথ্য বোঝানো হচ্ছে না, বরং একটি অনিশ্চয়তা বা শোনা কথার ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে।</li>
<li>যখন আমরা কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে জানি না কিন্তু হওয়ার বা না হওয়ার একটি ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকে, তখন 'নাকি' অব্যয়টি ব্যবহার করি।</li>
<li>এখানে 'নাকি' শব্দটি দিয়ে তার আসার বা না আসার একটি সম্ভাবনা বা সংশয় প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি সম্ভাবনা অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
২৩০৪
‘সে নাকি আসবে না’ - এ বাক্যে না অব্যয়ের প্রয়োগ কি অর্থে হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ভাবনা অর্থে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যখন কোনো বাক্যে 'নাকি' বা 'না' অব্যয় ব্যবহার করে কোনো কিছু ঘটার বা না ঘটার অনিশ্চয়তা বোঝানো হয়, তখন তাকে সম্ভাবনা বা সংশয়বাচক প্রয়োগ বলা হয়।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'সে নাকি আসবে না' বলতে নিশ্চিত করে কিছু বলা হচ্ছে না, বরং সে আসবে কি আসবে না—এমন একটি <strong>সম্ভাবনা বা সন্দেহের</strong> কথা প্রকাশ পাচ্ছে।</li>
<li>সাধারণত কোনো বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে যখন আমরা অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলি, তখন 'না' অব্যয়টি এই সম্ভাবনা অর্থেই ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমার্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>'হাট' এবং 'বাজার' শব্দ দুটি আলাদা মনে হলেও এদের অর্থ কিন্তু একই বা সমজাতীয়।</li>
<li>যখন দুটি সমার্থক শব্দ মিলে একটি দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>সমার্থে দ্বন্দ্ব</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু হাট এবং বাজার একই ধরনের জায়গা বোঝায়, তাই এটি সমার্থের উদাহরণ।</li>
</ul>
২৩০৬
কৃদন্ত পদ গঠনে যদি আদিস্বর পরিবর্তিত হয়, তবে তাকে কি বলে ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিয়োগ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়। যখন কোনো শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ তৈরি হয়, তখন শব্দের আদি স্বরধ্বনি যদি পরিবর্তিত হয়ে লোপ পায় বা কমে যায়, তবে ব্যাকরণের ভাষায় তাকে <strong>বিয়োগ</strong> বলা হয়।</p>
<ul>
<li>কৃদন্ত পদ তৈরির সময় মূল শব্দের আদি স্বর যদি লোপ পায়, তবে তাকে বিয়োগ বা স্বরলোপজনিত পরিবর্তন বলে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, মূল শব্দ যদি হয় $A$ এবং পরিবর্তিত রূপ হয় $B$, যেখানে $A > B$, তবে এই স্বর কমে যাওয়া বা পরিবর্তিত হওয়াকেই আমরা বিয়োগ হিসেবে চিহ্নিত করি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিগ্রহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>'সন্ধি' শব্দের অর্থ হলো মিলন বা সংযোগ।</li>
<li>অন্যদিকে, 'বিগ্রহ' শব্দের অর্থ হলো বিচ্ছেদ বা লড়াই।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় আমরা এমন শব্দ খুঁজি যা মূল শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। তাই সন্ধি বা মিলনের বিপরীত হিসেবে বিগ্রহ শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মিলন যেখানে সন্ধি, সেখানে বিচ্ছেদ বা বিগ্রহ হলো তার বিপরীত অবস্থা।</p>
২৩০৮
হৃদয়ের মাঝে মেঘ উদয় করি। নয়নের মাঝে ঝরিল বারি। এখানে কি ধরনের অলঙ্কার এর প্রয়োগ হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অসঙ্গতি</strong>। অলঙ্কার শাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কারণ এক জায়গায় থাকে কিন্তু তার কার্য অন্য জায়গায় ঘটে, তখন তাকে অসঙ্গতি অলঙ্কার বলা হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে মেঘ উদয় হওয়ার কথা হৃদয়ের মাঝে, কিন্তু তার ফলে তৈরি হওয়া বারি বা অশ্রু ঝরছে নয়নের মাঝে।</li>
<li>অর্থাৎ, কারণ (মেঘ) এক স্থানে এবং কার্য (বারি) অন্য স্থানে সংঘটিত হচ্ছে।</li>
<li>এই যে কারণ ও কার্যের অবস্থানের মধ্যে অমিল বা অসঙ্গতি তৈরি হলো, এটিই মূলত অসঙ্গতি অলঙ্কারের বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>
<p>একটি বাক্যকে তখনই সরল বাক্য বলা হয়, যখন তাতে একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে। এই বাক্যটির গঠন লক্ষ্য করলে দেখবেন:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>'বিদ্বান লোক'</strong> হলো বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য।</li>
<li>বাক্যটিতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা অবস্থা প্রকাশ পেয়েছে, যা হলো <strong>'শ্রদ্ধার পাত্র'</strong>।</li>
</ul>
<p>যেহেতু এখানে কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু) নেই বা কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই, তাই এটি একটি নিখুঁত সরল বাক্য।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।