<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিশ্র বাক্য</strong>। কারণটা খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে।</li>
<li>এখানে 'তুমি আসবে বলে' অংশটি একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, যা মূল ঘটনা 'সখিনা বিবির কপাল ভাঙল'-এর কারণ বা শর্ত নির্দেশ করছে।</li>
<li>যেহেতু বাক্যটিতে একটি সাপেক্ষ ভাব বা শর্ত জড়িয়ে আছে, তাই এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি মিশ্র বাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভ্রম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'রজ্জু' মানে হলো দড়ি এবং 'সর্পজ্ঞান' মানে হলো সাপ বলে ভুল করা।</li>
<li>অন্ধকারে বা অসতর্ক অবস্থায় অনেক সময় আমরা দড়িকে সাপ ভেবে ভয় পাই।</li>
<li>অর্থাৎ, যা আসলে দড়ি, তাকে ভুল করে সাপ মনে করাটাই হলো চোখের বা মনের একটি ভুল ধারণা বা <strong>বিভ্রম</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে ভিন্ন কিছু মনে করাই হলো এই বাগধারার মূল অর্থ।</p>
<p>সঠিক বানানটি হলো <strong>বিভূতিভূষণ</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, এই শব্দটিতে দুটি অংশই দীর্ঘ-ই কার (ী) এবং মূর্ধন্য-ষ (ষ) দিয়ে গঠিত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>বিভূতি:</strong> শব্দের শুরুতে 'বি' এবং শেষে 'তি' থাকলেও মাঝখানের 'ভূ' অংশে দীর্ঘ-উ কার (ূ) ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>ভূষণ:</strong> এই অংশেও দীর্ঘ-উ কার (ূ) এবং মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দটির প্রতিটি সন্ধি বা প্রত্যয়জাত অংশে দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার মনে রাখলে বানানটি ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। তাই সবসময় <strong>বিভূতিভূষণ</strong> বানানটিই শুদ্ধ হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রধান</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'উত্তম' বলতে সাধারণত কোনো কিছুর সেরা বা সর্বোচ্চ পর্যায়কে বোঝায়।</p>
<ul>
<li>'উত্তম' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট বা সেরা।</li>
<li>একইভাবে, কোনো দল বা বিষয়ের ক্ষেত্রে 'প্রধান' বলতেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা শ্রেষ্ঠ অংশকে বোঝানো হয়।</li>
<li>তাই প্রসঙ্গের বিচারে 'উত্তম' এবং 'প্রধান' শব্দ দুটি সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাম</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ থেকে নেওয়া এই পঙ্ক্তিতে ‘ভিখারী রাঘব’ বলতে রামচন্দ্রকেই বোঝানো হয়েছে।</p>
<ul>
<li>এখানে ‘রাঘব’ শব্দটি রঘুবংশজাত বা রঘুর বংশধর হিসেবে রামচন্দ্রকে নির্দেশ করে।</li>
<li>রাবণ যখন মেঘনাদকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে বলেন, তখন তিনি অত্যন্ত অবজ্ঞার সাথে রামকে ‘ভিখারী’ বলে সম্বোধন করেছেন।</li>
<li>বনবাসে থাকা এবং রাজকীয় ঐশ্বর্যহীন রামের অবস্থাকে ব্যঙ্গ করতেই রাবণ তাকে ‘ভিখারী রাঘব’ বলে অভিহিত করেছেন।</li>
</ul>
<p>মঙ্গলকাব্য সৃষ্টির প্রধান উদ্দেশ্য হলো <strong>বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করা</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এই কাব্যগুলো মূলত কোনো নির্দিষ্ট লৌকিক দেবদেবীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>মঙ্গলকাব্যগুলো মূলত দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য লেখা হতো।</li>
<li>কবিরা বিশ্বাস করতেন, নির্দিষ্ট কোনো দেবীর পূজা করলে বা তাদের গুণগান করলে মানুষের ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ সাধিত হবে।</li>
<li>তাই মঙ্গলকাব্যের মূল লক্ষ্যই ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে সেই দেবদেবীর প্রতি ভক্তি ও পূজা করার মানসিকতা তৈরি করা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার এবং তাদের পূজা-অর্চনাকে জনপ্রিয় করাই ছিল এই কাব্যধারার মূল ভিত্তি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভাবসু</strong>। সূর্যের অনেকগুলো সমার্থক শব্দের মধ্যে এটি একটি অন্যতম পরিচিত শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>বিভাবসু</strong> শব্দটির অর্থ হলো 'যিনি আলো বা বিভা দান করেন'।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'বিভা' (আলো) এবং 'বসু' (বাসস্থান বা দাতা) মিলে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত সূর্যকে নির্দেশ করে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো (যেমন: রবি, দিনকর, ভাস্কর, বিভাবসু) একসাথে একটি ছন্দে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিহঙ্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘পক্ষী’ বা পাখি আকাশে উড়ে বেড়ায়। ‘বিহঙ্গ’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যা আকাশে বা শূন্যে গমন করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বি</strong> মানে আকাশ বা শূন্য।</li>
<li><strong>হঙ্গ</strong> বা গ (গমন করা) মানে যে আকাশে বিচরণ করে।</li>
</ul>
<p>তাই পাখি বা পক্ষী বোঝাতে ‘বিহঙ্গ’ শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়জনিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'উৎকর্ষ' শব্দটির সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করলে শব্দটি হয় <strong>উৎকর্ষ</strong>।</li>
<li>মূল শব্দ 'উৎকর্ষ' নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, তাই এর সাথে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যোগ করার কোনো প্রয়োজন নেই।</li>
<li>অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহারের কারণে 'উৎকর্ষতা' শব্দটি অশুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠনগত ভুল বা অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয়ের ব্যবহারের কারণেই এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়জনিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'উৎকর্ষ' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করা বাহুল্য।</li>
<li>'উৎকর্ষ' নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো উৎকর্ষের অবস্থা বা গুণ।</li>
<li>এর সাথে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যোগ করলে শব্দের গঠনগত ভুল তৈরি হয়, যাকে আমরা <strong>প্রত্যয়জনিত অশুদ্ধি</strong> বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, 'উৎকর্ষ' শব্দটিই যথেষ্ট, তাই 'উৎকর্ষতা' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অপ্রয়োজনীয় এবং ভুল।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়জনিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'উৎকর্ষ' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করলে শব্দটি হয় <strong>উৎকর্ষ</strong>।</li>
<li>মূল শব্দ 'উৎকর্ষ' নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ, তাই এর সাথে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যোগ করার কোনো প্রয়োজন নেই।</li>
<li>'উৎকর্ষতা' শব্দটি গঠনগতভাবে ভুল কারণ এখানে অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহারের ফলে শব্দের অপপ্রয়োগ ঘটেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'উৎকর্ষ' শব্দটিই শুদ্ধ, আর 'তা' প্রত্যয় যোগ করার কারণে এটি <strong>প্রত্যয়জনিত</strong> অশুদ্ধিতে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রহার'।</li>
<li>সহজ ট্রিক: 'উপ' মানে হলো কাছে বা সামনে। তাই যে শব্দাংশ শব্দের সামনে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, তাকেই উপসর্গ বলে।</li>
</ul>
<p>ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো শব্দের গঠন বুঝতে আপনার আর কোনো সমস্যা হবে না!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রহার', যা সম্পূর্ণ নতুন একটি শব্দ।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের <strong>উপরে বা আগে</strong> যা বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, তাকেই উপসর্গ বলে।</li>
<li>অন্যান্য ব্যাকরণিক উপাদান যেমন প্রত্যয় বা বিভক্তি সাধারণত শব্দের শেষে বসে, তাই এগুলোর সাথে গুলিয়ে ফেলার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো: <strong>উপসর্গ = আগে</strong>।</p>
২৩২৪
শব্দ বিভক্তির মতো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে কোনটি ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>অনুসর্গগুলো সাধারণত শব্দের পরে আলাদাভাবে বসে বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করে।</li>
<li>এগুলো অনেকটা বিভক্তির মতোই কাজ করে, অর্থাৎ বাক্যের বিভিন্ন পদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে।</li>
<li>যেমন: 'বিনা', 'সহ', 'জন্য', 'কর্তৃক'—এগুলো বাক্যে ব্যবহার করলে আলাদা বিভক্তি ছাড়াই অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিভক্তি শব্দের সাথে মিশে থাকে, আর <strong>অনুসর্গ</strong> শব্দের পরে আলাদাভাবে বসে একই কাজ করে। তাই বাক্যের অর্থ প্রকাশে এটি বিভক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটির সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীদাস</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি চণ্ডীদাস তাঁর পদাবলীতে মানবতাবাদকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চণ্ডীদাস ছিলেন বৈষ্ণব পদাবলীর কবি, যিনি মানুষের ভালোবাসাকেই ঈশ্বর প্রেমের চেয়ে বড় করে দেখতেন।</li>
<li>তাঁর দর্শনে মানুষের চেয়ে বড় কোনো সত্য বা শক্তি নেই, তাই তিনি লিখেছিলেন: <strong>‘সবার উপর মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই’</strong>।</li>
<li>সাহিত্য বা সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষায় এই লাইনটি দেখলে চোখ বন্ধ করে চণ্ডীদাসকে বেছে নিতে পারেন, কারণ এটি তাঁর দর্শনের মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।