<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>একটি সরল বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।</li>
<li>এখানে 'করে' হলো একমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া।</li>
<li>বাক্যটিতে কোনো সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন: যে-সে, যিনি-তিনি) বা অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু) নেই যা বাক্যটিকে জটিল বা যৌগিক করতে পারে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র ক্রিয়া সরাসরি কোনো কাজ সম্পন্ন করে, সেটিই সরল বাক্য। তাই এই বাক্যটি গঠনগত দিক থেকে একটি নিখুঁত সরল বাক্য।</p>
<p>‘অপসৃয়মান’ শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>উদীয়মান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>অপসৃয়মান</strong> মানে হলো যা ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে বা হারিয়ে যাচ্ছে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>উদীয়মান</strong> মানে হলো যা নতুন করে উঠছে বা বিকশিত হচ্ছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু হারিয়ে যাওয়া বা দূরে সরে যাওয়ার ঠিক উল্টো হলো কোনো কিছুর নতুন করে জেগে ওঠা বা উদয় হওয়া। তাই শব্দার্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরোধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘প্রতিবাদ’ শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর বিরুদ্ধে কথা বলা বা আপত্তি জানানো।</li>
<li>এখানে ‘প্রতি’ উপসর্গটি কোনো কিছুর বিপরীতে বা উল্টো দিকে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো কাজ বা ভাবের বিপরীত অবস্থা বোঝানো হয়, তখন ‘প্রতি’ উপসর্গটি <strong>বিরোধ</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া বা বাধা দেওয়াই হলো বিরোধ, আর সেই অর্থেই এখানে ‘প্রতি’ উপসর্গটি বসেছে।</p>
<p>‘পাতিহাঁস’ শব্দটিতে ‘পাতি’ উপসর্গটি <strong>ছোট</strong> বা সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ভাষায় অনেক সময় কোনো কিছুর ক্ষুদ্র বা সাধারণ রূপ বোঝাতে শব্দের আগে ‘পাতি’ যুক্ত করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>পাতিহাঁস মানে সাধারণ হাঁসের চেয়ে আকারে ছোট হাঁস।</li>
<li>একইভাবে, পাতিলেবু বা পাতিশিয়াল শব্দগুলোতেও ‘পাতি’ উপসর্গটি ক্ষুদ্র বা সাধারণ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছোট</strong>।</p>
২৩৩০
কবি বিজয়গুপ্ত কাব্যের প্রতিনিধিস্থানীয় ও শেষ্ঠ কবি কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নারায়ণ দেব</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মনসামঙ্গল কাব্যের ধারায় তিনি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী কবি হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজ কিছু তথ্য যা মনে রাখলে আর ভুল হবে না:</p>
<ul>
<li>মনসামঙ্গল কাব্যের কবিদের মধ্যে <strong>নারায়ণ দেব</strong>-এর কাব্যই সবচেয়ে বেশি সমাদৃত।</li>
<li>তার রচিত কাব্যের নাম 'পদ্মপুরাণ', যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান দখল করে আছে।</li>
<li>সাহিত্যিক মান এবং বর্ণনার শৈলীর কারণে তাকেই এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
২৩৩১
মনসামঙ্গলা কাব্যের প্রতিনিধিস্থানীয় ও শ্রেষ্ঠ কবি কে?
<p>মনসামঙ্গলা কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে <strong>বিজয় গুপ্ত</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>তিনি ছিলেন মনসামঙ্গলা কাব্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি।</li>
<li>তার রচিত কাব্যের নাম 'পদ্মাপুরাণ', যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>তিনি হোসেন শাহের শাসনামলে এই কাব্য রচনা করেন এবং তার বর্ণনাভঙ্গি ও ভাষার সাবলীলতা সাধারণ মানুষের কাছে তাকে অনন্য করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মনসামঙ্গলা ধারায় বিজয় গুপ্তের কাব্যিক দক্ষতা ও শিল্পশৈলী তাকে অন্য সব কবিদের চেয়ে আলাদা ও শ্রেষ্ঠ অবস্থানে নিয়ে গেছে।</p>
২৩৩২
বাংলা সাহিত্যে সন তারিখযুক্ত মনসামঙ্গল কাব্যের প্রথম রচয়িতা কে?
<p>বাংলা সাহিত্যে সন-তারিখযুক্ত মনসামঙ্গল কাব্যের প্রথম রচয়িতা হলেন <strong>বিজয়গুপ্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিজয়গুপ্ত তাঁর বিখ্যাত <strong>'পদ্মাপুরাণ'</strong> বা মনসামঙ্গল কাব্যে নিজেই উল্লেখ করেছেন যে, তিনি হোসেন শাহের রাজত্বকালে ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে (৮৯৯ বঙ্গাব্দ) এই কাব্য রচনা সম্পন্ন করেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটিই প্রথম কোনো মনসামঙ্গল কাব্য, যেখানে রচনার সুনির্দিষ্ট সন-তারিখ পাওয়া যায়।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে সন-তারিখের ভিত্তিতে বিজয়গুপ্তকেই প্রথম রচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি মূলত <strong>সমীভবনের</strong> নিয়মে হয়ে থাকে। বিষয়টি খুব সহজ—যখন পাশাপাশি দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে বা প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে একই রকম বা কাছাকাছি ধ্বনিতে পরিণত হয়, তখন তাকে সমীভবন বলে।</p>
<p>বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধির ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি যেভাবে কাজ করে:</p>
<ul>
<li>দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনধ্বনি পাশাপাশি বসলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য একটি ধ্বনি অন্যটির মতো হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন: 'ছোট' + 'দা' = 'ছোটদা' (এখানে 'ট' ধ্বনিটি 'দ'-এর প্রভাবে পরিবর্তিত হয়েছে)।</li>
<li>এই ধ্বনিগত মিল বা সাদৃশ্য তৈরির প্রক্রিয়াটিই হলো সমীভবন, যা বাংলা সন্ধির মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ণ বিপর্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিজেদের স্থান অদলবদল করে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>বর্ণ বিপর্যয়</strong> বা <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'লাফ' শব্দটির 'ল' এবং 'ফ' নিজেদের জায়গা পরিবর্তন করে 'ফাল' শব্দে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতর বর্ণগুলোর এই উলটপালট অবস্থানই হলো বর্ণ বিপর্যয়ের মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আদিস্বরাগম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'Prothesis' বা আদিস্বরাগম হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে শব্দের শুরুতে উচ্চারণের সুবিধার জন্য অতিরিক্ত একটি স্বরধ্বনি যুক্ত হয়।</li>
<li>যেমন: ইংরেজি 'Station' শব্দটি বাংলায় উচ্চারণের সময় শুরুতে একটি 'ই' ধ্বনি যোগ হয়ে হয়ে যায় 'ইস্টেশন'।</li>
<li>যেহেতু স্বরধ্বনিটি শব্দের একদম <strong>আদিতে</strong> বা শুরুতে যুক্ত হচ্ছে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় একে <strong>আদিস্বরাগম</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বাড়তি স্বরধ্বনি আসা মানেই হলো আদিস্বরাগম।</p>
<p>’খিচুড়ী পাকানো’ প্রবচনটির সঠিক অর্থ হলো <strong>বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে ভাবুন—যখন অনেকগুলো ভিন্ন ধরনের উপাদান একসাথে মিশিয়ে জগাখিচুড়ি তৈরি করা হয়, তখন যেমন কোনো কিছুরই আলাদা অস্তিত্ব থাকে না এবং সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়, ঠিক তেমনি কোনো কাজে যখন অহেতুক জটিলতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়, তখনই আমরা এই প্রবচনটি ব্যবহার করি।</p>
<ul>
<li><strong>মূল ধারণা:</strong> কোনো সুশৃঙ্খল কাজে জগাখিচুড়ি পাকিয়ে গোলমাল বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> খিচুড়িতে যেমন সব উপাদান মিশে একাকার হয়ে যায়, তেমনি কোনো বিষয়ে অগোছালো পরিস্থিতি তৈরি করাকেই 'খিচুড়ী পাকানো' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্রোহী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ উপসর্গ সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</p>
<ul>
<li><strong>বিদ্রোহী</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই: <strong>বি</strong> + <strong>দ্রোহী</strong>।</li>
<li>এখানে <strong>বি</strong> হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা 'দ্রোহী' শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন একটি অর্থ প্রকাশ করছে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো মূল শব্দ বা প্রত্যয়জাত, তাই সেগুলোতে আলাদা করে কোনো উপসর্গ নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে <strong>বি</strong> যোগ হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমার্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>'হাট' এবং 'বাজার' শব্দ দুটি আলাদা মনে হলেও এদের কাজ বা অর্থ প্রায় একই।</li>
<li>যখন দুটি সমজাতীয় বা একই অর্থবোধক শব্দ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি করে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>সমার্থে</strong> দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু হাট এবং বাজার উভয়ই কেনাকাটার জায়গা বোঝায়, তাই এদের মিলন বা সমষ্টিকে আমরা সমার্থের দ্বন্দ্ব হিসেবে চিহ্নিত করি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিলনার্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে যখন দুটি পদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বা মিল বোঝায়, তখন তাকে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।</li>
<li>আমরা সাধারণত চায়ের সাথে বিস্কুট খাই, অর্থাৎ এই দুটি খাবার একে অপরের পরিপূরক বা সঙ্গী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেহেতু চা ও বিস্কুট একসাথে মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ নাস্তা বা খাবারের অনুষঙ্গ তৈরি করে, তাই এটি <strong>মিলনার্থে</strong> দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অহিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কোনো শব্দের শুরুতে 'অ' যুক্ত করে খুব সহজেই তার বিপরীত অর্থ তৈরি করা যায়।</p>
<ul>
<li>'হিত' মানে হলো যা কল্যাণকর বা ভালো।</li>
<li>এর বিপরীত বা নেতিবাচক অর্থ বোঝাতে শব্দের আগে একটি 'অ' উপসর্গ যোগ করলেই হয়।</li>
<li>তাই, হিত-এর বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>অহিত</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।