<p>ডাক, খনার বচন ও রূপকথা মূলত <strong>প্রাচীন যুগের</strong> সাহিত্যের নিদর্শন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চর্যাপদকে যেমন প্রাচীন যুগের প্রধান সাহিত্যকর্ম ধরা হয়, তেমনি লোকমুখে প্রচলিত এই বচন ও রূপকথাগুলোও সেই সময়ের সমাজ ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ মূলত ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> এই সময়ে লিখিত সাহিত্যের পাশাপাশি মৌখিক সাহিত্যের ব্যাপক প্রচলন ছিল।</li>
<li><strong>কেন এটি সঠিক:</strong> ডাক ও খনার বচনগুলো কৃষিভিত্তিক সমাজব্যবস্থার অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান, যা প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালির দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>‘প্রাতরাশ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রাতঃ+আশ</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এখানে বিসর্গ (ঃ) এর সাথে 'আ' যুক্ত হয়ে সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় লোপ পায় বা পরিবর্তিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>প্রাতঃ</strong> এবং <strong>আশ</strong> মিলে বিসর্গটি উঠে গিয়ে 'আ' কারের সাথে মিশে <strong>প্রাতরাশ</strong> শব্দটি তৈরি করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সকালের খাবার বা প্রাতঃকালীন আহার থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি, তাই সন্ধি করার সময় <strong>প্রাতঃ</strong> এবং <strong>আশ</strong> আলাদা করলে অর্থ ও ব্যাকরণ—দুটোই ঠিক থাকে।</p>
<p>'Farce' শব্দটির সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো <strong>প্রহসন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>Farce</strong> বলতে মূলত এমন এক ধরনের নাটক বা সাহিত্যকর্মকে বোঝায়, যেখানে হাস্যরস সৃষ্টির জন্য অতিরঞ্জিত ঘটনা বা অদ্ভুত সব পরিস্থিতির অবতারণা করা হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এই ধরনের ব্যঙ্গাত্মক ও হাসির নাটককেই আমরা <strong>প্রহসন</strong> বলে থাকি।</li>
<li>তাই যখনই কোনো সাহিত্যিক আলোচনায় 'Farce' শব্দটি আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এর অর্থ হলো প্রহসন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন রচিত ‘আনোয়ারা’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তৎকালীন মুসলিম সমাজের পারিবারিক জীবন, নারীর শিক্ষা এবং সামাজিক সংস্কারের চিত্র এই উপন্যাসে খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
২৭৮০
'শিক্ষার লক্ষ্য' মোতাহের হোসেন চৌধুরীর কোন ধরনের রচনা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবন্ধ</strong>। মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'শিক্ষার লক্ষ্য' মূলত একটি চিন্তাশীল ও বিশ্লেষণধর্মী রচনা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মোতাহের হোসেন চৌধুরী মূলত তাঁর মননশীল গদ্য ও প্রবন্ধের জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>যেসব লেখায় কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা দর্শন নিয়ে যুক্তিপূর্ণ আলোচনা করা হয়, তাকেই প্রবন্ধ বলা হয়।</li>
<li>'শিক্ষার লক্ষ্য' রচনায় লেখক শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা করেছেন, তাই এটি একটি সার্থক <strong>প্রবন্ধ</strong>।</li>
</ul>
<p>‘আটঘাট বাঁধা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>প্রস্তুতি নেওয়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>কোনো বড় কাজ শুরু করার আগে আমরা যেমন সব দিক গুছিয়ে নিই বা সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করি, ঠিক সেভাবেই ‘আটঘাট বাঁধা’ কথাটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর মূল ভাব হলো কোনো কাজের জন্য নিজেকে পুরোপুরি তৈরি করে রাখা বা সব দিক থেকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা বাস্তব জীবনে যখনই দেখবেন কোনো কাজের জন্য আগাম সতর্কতামূলক প্রস্তুতির কথা বলা হচ্ছে, তখনই চোখ বন্ধ করে ‘প্রস্তুতি নেওয়া’ উত্তরটি বেছে নেবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রসারণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—আকুঞ্চন মানে হলো কোনো কিছুকে সংকুচিত করা বা গুটিয়ে ফেলা। অন্যদিকে, প্রসারণ মানে হলো কোনো কিছুকে ছড়িয়ে দেওয়া বা বড় করা।</p>
<ul>
<li><strong>আকুঞ্চন:</strong> কোনো বস্তু বা অঙ্গের সংকুচিত বা ছোট হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া।</li>
<li><strong>প্রসারণ:</strong> কোনো বস্তুর আয়তন বা সীমানা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রক্রিয়া।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একটির কাজ হলো ছোট করা, আর অন্যটির কাজ হলো বড় করা। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী আকুঞ্চনের ঠিক বিপরীত অবস্থা বোঝাতে আমরা প্রসারণ শব্দটি ব্যবহার করি।</p>
<p>বাক্যের বলিষ্ঠ ভঙ্গি বা তেজস্বী প্রকাশকে বলা হয় <strong>ওজো গুণ</strong>। সহজ কথায়, যে ধরনের শব্দ বা বাক্য শুনলে মনে উদ্দীপনা জাগে এবং ভাষার মধ্যে এক ধরনের দৃঢ়তা বা গাম্ভীর্য ফুটে ওঠে, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় ওজো গুণ বলে।</p>
<ul>
<li><strong>ওজো গুণের বৈশিষ্ট্য:</strong> এতে সাধারণত দীর্ঘ সমাসবদ্ধ পদ, কঠোর বর্ণ বা যুক্তাক্ষরের ব্যবহার বেশি থাকে।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> বীরত্ব, তেজ বা উদ্দীপনামূলক বর্ণনায় এই গুণের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।</li>
</ul>
<p>তাই বাক্যের বলিষ্ঠ ভঙ্গি বা শক্তির সাথে সরাসরি সম্পর্ক হলো <strong>ওজো গুণের</strong>।</p>
২৭৮৫
'শরতের পর আসে বসন্ত' -এখানে 'পর' অনুসর্গটি কি অর্থ প্রকাশ করেছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দীর্ঘবিরতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'শরতের পর বসন্ত'—এই বাক্যটিতে 'পর' অনুসর্গটি সময়ের একটি বড় ব্যবধান বা দীর্ঘ বিরতিকে নির্দেশ করছে।</li>
<li>শরৎ ঋতু শেষ হওয়ার পর হেমন্ত ও শীত ঋতু পেরিয়ে তবেই বসন্ত আসে।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানে বেশ কয়েকটি ঋতুর ব্যবধান রয়েছে, তাই এখানে 'পর' শব্দটি সময়ের <strong>দীর্ঘবিরতি</strong> বা দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানকেই স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।</li>
</ul>
২৭৮৬
'কি হেতু এসেছে কহ বিস্তারিয়া' এখানে 'হেতু' অনুসর্গটি কি অর্থ প্রকাশ করেছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিমিত্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের অর্থ খেয়াল করি।</p>
<p>এখানে 'হেতু' শব্দটি কোনো কিছুর কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী:</p>
<ul>
<li>'হেতু' অনুসর্গটি যখন কোনো কাজের কারণ বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করে, তখন তাকে <strong>নিমিত্ত</strong> বা কারণবাচক অনুসর্গ বলা হয়।</li>
<li>বাক্যটিতে 'কি হেতু' বলতে মূলত 'কি কারণে' বা 'কি উদ্দেশ্যে' বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>তাই এখানে 'হেতু' শব্দটি <strong>নিমিত্ত</strong> অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
২৭৮৭
‘এ কথা কে না জানে। -অর্থানুসারে বাক্যটি কোন শ্রেণীর?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রশ্নবোধক</strong>।</p>
<p>বাক্যটি দেখতে না-বোধক মনে হলেও এর অর্থ কিন্তু হ্যাঁ-বোধক। এই ধরনের বাক্যকে ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>প্রশ্নাত্মক বা প্রশ্নবোধক বাক্য</strong>। এর কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>বাক্যটির শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) বসানোর সুযোগ থাকে।</li>
<li>‘কে না জানে’ কথাটির মাধ্যমে আসলে বোঝানো হচ্ছে যে, ‘সবাই জানে’।</li>
<li>যখন কোনো বাক্যে প্রশ্ন করার মাধ্যমে কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়, তখন সেটি প্রশ্নবোধক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে প্রশ্ন করার ভঙ্গি ব্যবহার করে একটি সাধারণ সত্যকে জোর দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে, তাই এটি প্রশ্নবোধক।</p>
২৭৮৮
'এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো ‘- এ বাক্য কোন ধরনের?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্দেশাত্মক</strong>। কারণটা খুব সহজ—যখন কোনো বাক্যে সরাসরি কোনো তথ্য, ঘটনা বা অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেওয়া হয়, তখন তাকে নির্দেশাত্মক বা বিবৃতিমূলক বাক্য বলা হয়।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে বক্তা তার একটি অভিজ্ঞতার কথা সাধারণভাবেই প্রকাশ করছেন।</li>
<li>এখানে কোনো আদেশ, অনুরোধ, প্রশ্ন বা আবেগ প্রকাশ করা হয়নি।</li>
<li>যেহেতু বাক্যটি কেবল একটি তথ্য বা ঘটনাকে নির্দেশ করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি <strong>নির্দেশাত্মক বাক্য</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রশ্নচিহ্ন</strong>। বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্নগুলোকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়—অসমাপ্তি বা বাক্যের মাঝখানে ব্যবহৃত চিহ্ন এবং সমাপ্তি বা প্রান্তিক চিহ্ন।</p>
<p>সহজ কথায়, যে চিহ্নগুলো বাক্যের শেষে বসে বাক্য শেষ হওয়ার নির্দেশ দেয়, সেগুলোকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বলে। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>প্রশ্নচিহ্ন</strong> বাক্যের শেষে বসে কোনো কিছু জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন করা বোঝায়, তাই এটি একটি প্রান্তিক চিহ্ন।</li>
<li>দাঁড়ি এবং বিস্ময়সূচক চিহ্নও প্রান্তিক বিরাম চিহ্নের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>অন্যদিকে, কমা, সেমিকোলন বা ড্যাশ বাক্যের ভেতরে বিরতি দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো প্রান্তিক চিহ্ন নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাসাদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে দালান বা বড় অট্টালিকাকে বোঝাতে 'প্রাসাদ' শব্দটিই ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>প্রাসাদ:</strong> এর অর্থ হলো রাজপ্রাসাদ, অট্টালিকা বা বড় দালান।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, এখানে তালব্য-শ (শ) ব্যবহৃত হয়, যা অট্টালিকার বিশালতাকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলো বানানের ভুলে ভরা অথবা ভিন্ন অর্থ বহন করে, তাই দালান বা অট্টালিকার সঠিক প্রতিশব্দ হিসেবে আমরা সবসময় <strong>প্রাসাদ</strong> শব্দটিই বেছে নেব।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।