<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রশস্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দের বিপরীত অর্থ খোঁজার সময় আমাদের মূল শব্দের ভাবার্থ বুঝতে হয়।</p>
<ul>
<li>'সংকীর্ণ' শব্দটির অর্থ হলো যা খুব সরু বা যার জায়গা খুব কম।</li>
<li>এর বিপরীত হিসেবে আমরা এমন শব্দ খুঁজি যা বড় বা অনেক জায়গা বোঝায়।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে 'সংকীর্ণ' শব্দের সবচেয়ে উপযুক্ত এবং মার্জিত বিপরীত শব্দ হলো <strong>প্রশস্ত</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো সরু রাস্তার বিপরীত যেমন প্রশস্ত রাস্তা হয়, ঠিক তেমনি শব্দার্থের ক্ষেত্রেও এই জোড়াটি সবচেয়ে মানানসই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গালাগালি করা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'খেউর গাওয়া' বাগধারাটি মূলত অশ্লীল বা কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কাউকে গালিগালাজ করা বা অপমান করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। একসময় গ্রামবাংলার যাত্রাপালায় বা লোকজ অনুষ্ঠানে এক ধরনের অশ্লীল গানের প্রচলন ছিল, যা থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি। তাই যখনই কেউ কাউকে কটু কথা বা গালি দেয়, তখন আমরা একে 'খেউর গাওয়া' বলে থাকি।</p>
২৭৯৩
'আছে মা তোমার মুখে স্বর্গের কিরণ' পংক্তিটি রবীন্দ্রনাথ কাকে উদ্দেশ্য করে রচনা করেছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইন্দিরা দেবী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীর প্রতি গভীর স্নেহ ও ভালোবাসা থেকেই এই পংক্তিটি লিখেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের জীবনে ইন্দিরা দেবীর প্রভাব ছিল অনেকখানি।</li>
<li>তাদের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল, যা কবির অনেক সৃষ্টিতেই ফুটে উঠেছে।</li>
<li>'আছে মা তোমার মুখে স্বর্গের কিরণ'—এই লাইনটি মূলত ইন্দিরা দেবীর প্রতি কবির সেই অকৃত্রিম স্নেহ ও শ্রদ্ধারই বহিঃপ্রকাশ।</li>
</ul>
<p>শব্দটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘অট্টালিকা’ মানে হলো বড় দালান বা রাজপ্রাসাদ।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, এখানে ‘পয়-র ফলা’ এবং ‘দন্ত্য-স’ ব্যবহার হয়।</li>
<li>অনেকে ভুল করে ‘প্রসাধ’ বা ‘প্রমাদ’ লিখে ফেলেন, কিন্তু সঠিক বানানটি হলো <strong>প্রাসাদ</strong>, যার অর্থ সুউচ্চ অট্টালিকা বা রাজভবন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অট্টালিকা আর প্রাসাদ একই অর্থ বহন করে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>'Defendant' শব্দের সঠিক পরিভাষা হলো <strong>বিবাদি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আইনি ভাষায় যখন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়, তখন তাকে বলা হয় <strong>Defendant</strong> বা বিবাদি।</li>
<li>অন্যদিকে, যিনি মামলাটি দায়ের করেন বা অভিযোগকারী, তাকে বলা হয় <strong>Plaintiff</strong> বা বাদি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে বা যাকে বিবাদ করা হয়েছে, তিনিই হলেন বিবাদি। তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>বিবাদি</strong>।</p>
<p>'সংসদ বাঙ্গালা অভিধান'-এর সংকলক হলেন <strong>শৈলেন্দ্র বিশ্বাস</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য এই অভিধানটি তৈরির মূল কারিগর ছিলেন শৈলেন্দ্র বিশ্বাস।</li>
<li>দীর্ঘদিনের শ্রম ও গবেষণার মাধ্যমে তিনি এই অভিধানটিকে সাধারণ পাঠক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সহজবোধ্য করে তুলেছিলেন।</li>
<li>আজকের দিনে বাংলা শব্দভাণ্ডার বা অর্থের সন্ধানে এটি আমাদের কাছে সবচেয়ে আস্থার একটি নাম।</li>
</ul>
<p>‘কেরী সাহেবের মুন্সি’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>প্রমথনাথ বিশি</strong>। এটি মূলত একটি বিখ্যাত জীবনীমূলক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হলো উইলিয়াম কেরীর মুন্সি রামরাম বসুর জীবন ও কর্ম।</li>
<li>প্রমথনাথ বিশি তাঁর চমৎকার লেখনশৈলীর মাধ্যমে তৎকালীন সমাজ ও সংস্কৃতির চিত্র এই বইটিতে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ হিসেবে প্রমথনাথ বিশির অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে এটি বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>'বরফ গলা নদী' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>জহির রায়হান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জহির রায়হান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক। তাঁর লেখা এই উপন্যাসটি মূলত ১৯৫০-এর দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস। এটি মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>জহির রায়হান</strong> তাঁর বাস্তবধর্মী লেখনীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>'বরফ গলা নদী' উপন্যাসে তিনি মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন ও মানসিক দ্বন্দ্ব খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই লেখকের নাম ও উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
<p>‘জীবনের মূল্য’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের এই বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক তার সাবলীল লেখনী ও বাস্তবধর্মী গল্পের জন্য পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় মূলত তার ছোটগল্পের জন্য বেশি পরিচিত হলেও, তিনি বেশ কিছু চমৎকার উপন্যাসও উপহার দিয়েছেন।</li>
<li>‘জীবনের মূল্য’ তার অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য লেখক ও তার এই বিশেষ উপন্যাসটিকে একটি জোড়া হিসেবে মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কালী প্রসন্ন সিংহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্যে ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য কালী প্রসন্ন সিংহ বিখ্যাত ছিলেন। তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'হুতোম প্যাঁচার নকশা'</strong>-তে তৎকালীন কলকাতার সমাজজীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছিলেন। এই বইটির জনপ্রিয়তার কারণেই তিনি সাহিত্যজগতে 'হুতোম প্যাঁচা' ছদ্মনামে পরিচিতি পান।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম।</p>
<ul>
<li><strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> ছিলেন বাংলা গদ্যের চলিত রীতির প্রবর্তক।</li>
<li>তিনি তার তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রবন্ধগুলো লেখার সময় <strong>‘বীরবল’</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>তার সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা <strong>‘সবুজপত্র’</strong>-এর মাধ্যমেই তিনি এই নামে সাহিত্যচর্চা করে বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘বীরবল’ মানেই প্রমথ চৌধুরী—এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরাঙ্গনা</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও, এই ছন্দের শৈল্পিক পূর্ণতা ও সাবলীল প্রয়োগ সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে তাঁর 'বীরাঙ্গনা' কাব্যগ্রন্থে।</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের হাতেই বাংলা কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক ব্যবহার শুরু হয়।</li>
<li>'বীরাঙ্গনা' কাব্যটি মূলত পত্রকাব্য, যেখানে তিনি ছন্দের বাঁধন ভেঙে আবেগের গভীরতাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এই কাব্যে ছন্দের যে গাম্ভীর্য ও প্রবাহ দেখা যায়, তা বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>'অপমান' শব্দে 'অপ' উপসর্গটি <strong>বিপরীত</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'মান' শব্দের অর্থ হলো সম্মান বা মর্যাদা।</li>
<li>যখন এর আগে 'অপ' উপসর্গটি যুক্ত হয়, তখন এটি মূল শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>অর্থাৎ, 'মান'-এর বিপরীত অবস্থা বা অসম্মান বোঝাতেই এখানে 'অপ' উপসর্গটি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের শুরুতে 'অপ' যুক্ত হয়ে যদি তা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ তৈরি করে, তবে সেখানে 'অপ' উপসর্গটি <strong>বিপরীত</strong> অর্থেই কাজ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্রোদয়ে কুমুদিনি বিকশিত হয়</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিশেষ সময়ে বা মুহূর্তে কোনো কাজ সম্পন্ন হলে সেখানে অধিকরণ কারকে সপ্তমীর বিভক্তি যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>চন্দ্রোদয়ে</strong> শব্দটির মূল হলো 'চন্দ্রোদয়' + 'এ' (সপ্তমী বিভক্তি)।</li>
<li>এখানে 'চন্দ্রোদয়' একটি নির্দিষ্ট সময় বা অবস্থাকে বোঝাচ্ছে, যখন কুমুদিনি ফুল ফোটার কাজটি ঘটছে।</li>
<li>যেহেতু সময় বা কাল বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং তাতে সাধারণত সপ্তমীর বিভক্তি (এ, য়, তে) যুক্ত থাকে, তাই এটিই সপ্তমীর সঠিক উদাহরণ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।