<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মৌলিক শব্দ চেনার একটি দারুণ কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাদেরই মৌলিক শব্দ বলে।</li>
<li><strong>ঢাকা</strong> শব্দটিকে ভাঙলে এমন কোনো অংশ পাওয়া যায় না যার আলাদা কোনো অর্থ আছে। তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, অন্য শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে প্রকৃতি ও প্রত্যয় বা সন্ধির মাধ্যমে আলাদা অর্থ পাওয়া যায়, তাই সেগুলো মৌলিক শব্দ নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃশানু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘অগ্নি’ বা আগুনের অনেকগুলো প্রতিশব্দ রয়েছে যার মধ্যে ‘কৃশানু’ অন্যতম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>অগ্নি মানেই আগুন, যা সবকিছু পুড়িয়ে ছাই করে দেয়।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, যে আগুন বা অগ্নিকে ধারণ করে, তাকেই <strong>কৃশানু</strong> বলা হয়।</li>
<li>অন্যান্য প্রতিশব্দগুলো যেমন—অনল, পাবক, হুতাশন বা বহ্নিও আগুনের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘অগ্নি’ শব্দটির সাথে ‘কৃশানু’ দেখলেই নিশ্চিন্তে দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃশানু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>‘অগ্নি’ বা আগুনের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে, যার মধ্যে ‘কৃশানু’ অন্যতম। কেন এটি সঠিক, তা নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>কৃশানু</strong> শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ‘কৃশ’ (যা দহন করে) থেকে, যা সরাসরি আগুনের একটি বিশেষ নাম।</li>
<li>পুরান বা সাহিত্যের ভাষায় আগুনকে প্রায়ই কৃশানু হিসেবে সম্বোধন করা হয়, কারণ এটি সবকিছু পুড়িয়ে ছাই বা কৃশ করে ফেলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অগ্নি, অনল, পাবক, হুতাশন এবং কৃশানু—এই শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে। তাই পরীক্ষার খাতায় ‘অগ্নি’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে কৃশানু দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দৌহিত্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু ভেঙে দেখলে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দকে প্রকৃতি ও প্রত্যয়যোগে বিশ্লেষণ করা যায় এবং যার অর্থ মূল শব্দের অর্থের অনুগামী হয়, তাকেই যৌগিক শব্দ বলে।</li>
<li><strong>দৌহিত্র</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: <strong>দুহিতা + অ (ষ্ণ্য)</strong>।</li>
<li>এর অর্থ হলো 'দুহিতার (কন্যার) সন্তান'। এখানে মূল শব্দের অর্থের সাথে নতুন শব্দের অর্থের সরাসরি মিল রয়েছে, তাই এটি একটি যৌগিক শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই থাকে, সেটিই যৌগিক শব্দ।</p>
<p>‘তিতাস একটি নদীর নাম’ হলো অদ্বৈত মল্লবর্মণের লেখা একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। এই বইটিকে কেন উপন্যাস বলা হয়, তার কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত তিতাস নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জেলেপাড়ার মানুষের জীবনসংগ্রাম, আনন্দ-বেদনা এবং তাদের সংস্কৃতির একটি বিস্তৃত আখ্যান।</li>
<li>উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো একটি দীর্ঘ কাহিনি বা জীবনচিত্র, যেখানে অনেকগুলো চরিত্র ও ঘটনার সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জগৎ তৈরি হয়।</li>
<li>অদ্বৈত মল্লবর্মণ এখানে কোনো ছোট গল্প বা ভ্রমণকাহিনি নয়, বরং একটি সুসংগঠিত সমাজচিত্র তুলে ধরেছেন, যা উপন্যাসের সংজ্ঞাকে পুরোপুরি পূরণ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তিতাস নদীর তীরের মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে যে বিশাল ক্যানভাসে গল্পটি সাজানো হয়েছে, তা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাচ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মাথায় রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যে কর্তা, কর্ম বা ভাবের প্রকাশের যে ভিন্ন ভিন্ন ভঙ্গি বা রীতি থাকে, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>বাচ্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, বাক্যটি কার ওপর জোর দিচ্ছে—কর্তার ওপর, নাকি কর্মের ওপর, নাকি কাজের ওপর—এই পুরো বিষয়টিই বাচ্যের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।</li>
<li>যেমন: 'আমি বই পড়ি' (কর্তৃবাচ্য), 'আমার দ্বারা বই পড়া হয়' (কর্মবাচ্য)—এখানে প্রকাশের ভঙ্গি বদলে যাচ্ছে, আর এই পরিবর্তনের নামই হলো বাচ্য।</li>
</ul>
২৮১৩
মেয়েলি ব্রতের সাথে সম্পর্কিত কাহিনী কি নামে খ্যাত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রতকথা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের লোকসংস্কৃতিতে নারীরা বিভিন্ন ব্রত পালনের সময় যে কাহিনীগুলো পাঠ করেন বা শোনেন, সেগুলোই মূলত ব্রতকথা নামে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>ব্রত:</strong> এটি হলো নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য পালন করা আচার।</li>
<li><strong>কথা:</strong> ব্রত পালনের সময় যে কাহিনী বা উপাখ্যান বলা হয়, তাকেই একত্রে বলা হয় <strong>ব্রতকথা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্রতের সাথে জড়িয়ে থাকা এই কাহিনীগুলোই ব্রতকথা হিসেবে আমাদের ঐতিহ্যে টিকে আছে।</p>
২৮১৪
‘যুদ্ধ পূর্ব বাংলাদেশ’ চরিত্রের দিক হতে কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
<p>‘যুদ্ধ পূর্ব বাংলাদেশ’ মূলত একটি <strong>প্রবন্ধ গবেষণা</strong>। এর কারণ হলো, এই ধরনের সাহিত্যকর্মে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা সামাজিক প্রেক্ষাপটকে কেবল বর্ণনা করা হয় না, বরং তার পেছনে থাকা তথ্য-উপাত্ত ও ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ:</strong> এখানে লেখক যুদ্ধের আগের বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে বিভিন্ন গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে তুলে ধরেছেন।</li>
<li><strong>গবেষণামূলক দৃষ্টিভঙ্গি:</strong> এটি সাধারণ কোনো প্রবন্ধের মতো শুধু মতামত নয়, বরং ইতিহাসের অকাট্য প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি গবেষণাধর্মী কাজ।</li>
<li><strong>কাঠামো:</strong> বিষয়বস্তুর গভীরতা এবং উপস্থাপনার ধরণ একে সাধারণ প্রবন্ধ থেকে আলাদা করে ‘প্রবন্ধ গবেষণা’র মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'অপরাজিত' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের পরবর্তী অংশ হিসেবেই 'অপরাজিত' রচিত হয়েছে।</li>
<li>এখানে অপু চরিত্রের শৈশব থেকে কৈশোর ও যৌবনে পদার্পণের জীবনকাহিনী অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>যেহেতু এটি একটি দীর্ঘ আখ্যান বা কাহিনিমূলক গদ্য, তাই এটি সাহিত্যের শ্রেণিবিভাগে সরাসরি <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রণয়ন</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত শব্দের শুরুতে 'প' এবং শেষে 'ন' থাকলে মাঝখানের 'ন' পরিবর্তিত হয়ে 'ণ' হয়। একে নত্ব বিধানের নিয়ম বলা হয়।</p>
<ul>
<li>শব্দের শুরুতে 'প্র' উপসর্গ থাকলে এবং তার সাথে 'নয়ন' যুক্ত হলে, নিয়ম অনুযায়ী 'ন' পরিবর্তিত হয়ে <strong>ণ</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>তাই সঠিক রূপটি হবে: <strong>প্র + নয়ন = প্রণয়ন</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংস্কৃতজাত শব্দে 'র' বা 'ঋ'-এর পরে 'ন' থাকলে তা সবসময় <strong>ণ</strong> হয়, আর এই নিয়ম মেনেই 'প্রণয়ন' বানানটি শুদ্ধ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রণয়ন</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শেষে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হলে সেখানে মূর্ধন্য (ণ) ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'প্রণয়ন' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'প্র' উপসর্গ এবং 'নয়ন' ধাতুর সমন্বয়ে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ঋ, র, ষ-এর পরে দন্ত্য-ন (ন) পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ণ (ণ) হয়।</li>
<li>এখানে 'প্র' উপসর্গের 'র' কারের প্রভাবে পরের 'ন' পরিবর্তিত হয়ে <strong>ণ</strong> হয়েছে, তাই সঠিক বানানটি হবে <strong>প্রণয়ন</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্জন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কোনো কিছু গ্রহণ করার ঠিক বিপরীত কাজই হলো তা বর্জন করা বা ছেড়ে দেওয়া।</p>
<ul>
<li><strong>গ্রহণ</strong> মানে হলো কোনো কিছু নিজের কাছে নেওয়া বা মেনে নেওয়া।</li>
<li>এর উল্টো কাজ হলো কোনো কিছুকে প্রত্যাখ্যান করা বা বাদ দেওয়া, যাকে আমরা বলি <strong>বর্জন</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থের দিক থেকে 'গ্রহণ' শব্দের সবচেয়ে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ হলো 'বর্জন'।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গ্রহণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'অর্পণ' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু প্রদান করা বা কাউকে কোনো কিছু দেওয়া। অন্যদিকে, 'গ্রহণ' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু নিজের কাছে নেওয়া বা গ্রহণ করা।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>অর্পণ = দেওয়া (Give)</li>
<li>গ্রহণ = নেওয়া (Take)</li>
</ul>
<p>যেহেতু এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত কাজ নির্দেশ করে, তাই 'অর্পণ'-এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'গ্রহণ' সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষেধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'বিধি' শব্দের অর্থ হলো কোনো নিয়ম বা কোনো কিছু করার অনুমতি।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অবস্থা হলো কোনো কিছু করতে বারণ করা বা বাধা দেওয়া।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'বিধি' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'নিষেধ' সবচেয়ে উপযুক্ত, কারণ এটি কোনো কাজ করার ওপর বিধিনিষেধ বা বারণকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।