<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মে শূন্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যে কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকেই <strong>কর্ম কারক</strong> বলে।</li>
<li>এখানে খালেদ কী পড়ছে? উত্তর হলো 'বই'। অর্থাৎ 'বই' হলো ক্রিয়ার কর্ম।</li>
<li>'বই' শব্দের সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, এ, য়) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কর্তা যা পড়ে বা যাকে আশ্রয় করে কাজ সম্পন্ন করে, সেটিই কর্ম কারক। যেহেতু এখানে কোনো বিভক্তি চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না, তাই এটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।</p>
৮৫২২
কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করুন: কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মে শূন্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'কুসুমকলি' হলো কর্ম, কারণ 'কী ফুটিল?'—এই প্রশ্নের উত্তরে 'কুসুমকলি' পাওয়া যায়।</li>
<li>ক্রিয়াকে 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্মকারক।</li>
<li>'কুসুমকলি' শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, দ্বারা, দিয়া) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে কুসুমকলি কর্মকারক এবং এতে কোনো বিভক্তি চিহ্ন না থাকায় এটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্প্রদানে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যাকে কোনো কিছু দান বা সাহায্য করা হয়, তাকে <strong>সম্প্রদান কারক</strong> বলে।</li>
<li>'দীনে দয়া কর' বাক্যটিতে 'দীন' বা গরিব মানুষকে দয়া করার কথা বলা হয়েছে, অর্থাৎ এখানে সাহায্য করার বিষয়টি স্পষ্ট।</li>
<li>'দীনে' শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা বাংলা ব্যাকরণে <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>তাই এটি মূলত সম্প্রদান কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্প্রদানে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যাকে কোনো কিছু স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা হয় বা কোনো কিছুর বিনিময়ে কিছু পাওয়া যায়, সেখানে <strong>সম্প্রদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>'রতনে রতন চিনে' বাক্যটিতে রতন বা গুণী ব্যক্তি রতন বা গুণী ব্যক্তিকে চেনে। এখানে রতনকে চেনার বিষয়টি একটি বিশেষ জ্ঞান বা দান হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু কাউকে অর্পণ বা চেনার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়, তখন তা সম্প্রদান কারকের অন্তর্ভুক্ত হয়। তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো সম্প্রদানে ৭মী।</p>
৮৫২৫
‘আমি কি ডরাই সখী ভিখারি রাঘবে’? - ‘রাঘবে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা কারকের মূল কনসেপ্টটি খেয়াল করি:</p>
<ul>
<li><strong>অপাদান কারক:</strong> যখন কোনো কিছু থেকে ভয়, ভীতি, উৎপন্ন হওয়া বা বিচ্যুত হওয়া বোঝায়, তখন সেটি অপাদান কারক হয়।</li>
<li><strong>যুক্তি:</strong> এই বাক্যে 'রাঘব' (শ্রীরামচন্দ্র) থেকে ভয় পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভয় পাওয়ার অর্থই হলো অপাদান।</li>
<li><strong>বিভক্তি:</strong> 'রাঘবে' শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী <strong>৭মী বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভয়ের উৎস বা ভয়ের কারণ বোঝালেই তা অপাদান কারক হয়, আর শব্দের শেষে 'এ' থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'জিজ্ঞাসিব' (জিজ্ঞাসা করা) ক্রিয়াটি লক্ষ্য করুন।</li>
<li>কাকে জিজ্ঞাসা করা হবে? উত্তর আসে— 'জনে' (ব্যক্তিকে)।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যাকে কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করা হয় বা যাকে উদ্দেশ্য করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, সেটিই <strong>কর্ম কারক</strong>।</li>
<li>'জনে' শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা বাংলা ব্যাকরণে <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যাকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে সে-ই কর্ম এবং শব্দের শেষে 'এ' থাকায় এটি কর্মে ৭মী বিভক্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>কারক নির্ণয়:</strong> ‘এক থালাতে’ বলতে এখানে খাওয়ার স্থান বা আধারকে বোঝানো হচ্ছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা আধারকে <strong>অধিকরণ কারক</strong> বলা হয়।</li>
<li><strong>বিভক্তি নির্ণয়:</strong> শব্দের শেষে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত আছে। বাংলা ব্যাকরণে ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’ বিভক্তিগুলো সাধারণত <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>তাই, যেহেতু এখানে স্থান বোঝাচ্ছে এবং ‘তে’ বিভক্তি যুক্ত আছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>অধিকরণে ৭মী</strong> বিভক্তি।</p>
৮৫২৮
”তিনি ব্যকরণে পন্ডিত” -বাক্যে “ব্যকরণে” শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>অধিকরণ কারক:</strong> কোনো কিছুতে দক্ষতা, বিষয় বা স্থান বোঝালে সেটি অধিকরণ কারক হয়। এখানে 'ব্যকরণে' শব্দটি দিয়ে একটি বিশেষ বিষয়ে তার দক্ষতার ক্ষেত্র বোঝানো হয়েছে।</li>
<li><strong>৭মী বিভক্তি:</strong> শব্দের শেষে 'এ', 'য়' বা 'তে' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা ৭মী বিভক্তি হয়। 'ব্যকরণ' শব্দের সাথে 'এ' যুক্ত হয়ে 'ব্যকরণে' হয়েছে, তাই এটি ৭মী বিভক্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা বা দক্ষতা বোঝালে চোখ বন্ধ করে সেটি <strong>অধিকরণে ৭মী</strong> বিভক্তি দাগিয়ে দেবেন।</p>
৮৫২৯
‘বাবাকে বড্ড ভয় পাই’ - এখানে ‘বাবাকে’ শব্দটি কোন কারক ও বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে ২য়া</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ভয় পাওয়ার কারণ বা উৎস বোঝালে সেটি সবসময় <strong>অপাদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘বাবাকে’ শব্দটি ভয়ের উৎস হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি অপাদান কারক।</li>
<li>শব্দটির শেষে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত আছে, আর আমরা জানি ‘কে’ বা ‘রে’ বিভক্তি হলো <strong>২য়া বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভয় পাওয়া বোঝালেই তা অপাদান কারক, আর বিভক্তি হিসেবে এখানে ২য়া বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্প্রদানে ৪র্থী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কাউকে কোনো কিছু নিঃস্বার্থভাবে দান করা হয় বা কোনো কিছু ফিরিয়ে নেওয়ার আশা না রেখে দেওয়া হয়, তখন সেটি <strong>সম্প্রদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>‘ভিখারিকে ভিক্ষা দাও’—এখানে ভিক্ষা দেওয়ার পর তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক।</li>
<li>ভিখারি শব্দের শেষে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত আছে, আর ‘কে’ বিভক্তিটি সাধারণত দ্বিতীয় বা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সম্প্রদান কারকের ক্ষেত্রে একে <strong>চতুর্থী বিভক্তি</strong> হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিঃস্বার্থ দান = সম্প্রদান কারক এবং ‘কে’ বিভক্তি = চতুর্থী বিভক্তি। তাই এটি <strong>সম্প্রদানে ৪র্থী</strong>।</p>
৮৫৩১
"টাকায়" অসাধ্য সাধন হয় ---বাক্য নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণ কারকে সপ্তমী</strong>।</p>
<ul>
<li>বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে অসাধ্য সাধন হয়—এর উত্তর হলো "টাকায়"। </li>
<li>কোনো কিছু দিয়ে বা মাধ্যম বোঝালে সেটি <strong>করণ কারক</strong> হয়। </li>
<li>'টাকায়' শব্দটির শেষে 'য়' (এ) বিভক্তি যুক্ত আছে, যা সপ্তমী বিভক্তির নির্দেশক।</li>
</ul>
৮৫৩২
"ব্যায়ামে শরীর ভালো হয়" বাক্যে ‘ব্যায়ামে’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণ কারকে সপ্তমী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>করণ কারক:</strong> কোনো কিছু করার উপায় বা মাধ্যম বোঝালে তাকে করণ কারক বলে। এখানে 'ব্যায়াম' হলো শরীর ভালো করার একটি মাধ্যম বা উপায়।</li>
<li><strong>সপ্তমী বিভক্তি:</strong> শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে। যেমন: ব্যায়াম + এ = ব্যায়ামে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের শেষে 'এ', 'য়' বা 'তে' থাকলে তা <strong>সপ্তমী বিভক্তি</strong> হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর ভালো হচ্ছে, তাই এটি করণ কারক এবং 'এ' বিভক্তির কারণে এটি সপ্তমী বিভক্তি।</p>
৮৫৩৩
সাপের হাসিবেদেয় চেনে। রেখা চিহ্নিত শব্দটির কারক নির্ণয় করুন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্তৃকারক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ক্রিয়া হলো 'চেনে'।</li>
<li>এখন প্রশ্ন করুন—কে চেনে? উত্তর আসে 'সাপের হাসিবেদেয়'।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে বা যারা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তারাই হলো কর্তা।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'সাপের হাসিবেদেয়' নিজেই চেনার কাজটি করছে, তাই এটি সরাসরি <strong>কর্তৃকারক</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ক্রিয়াকে 'কে' বা 'কারা' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তা। এখানে সেই নিয়মটিই কাজ করছে।</p>
৮৫৩৪
‘বগুড়ার চিনিপাতা দই সুস্বাদু।’ - বাক্যটিতে ‘চিনিপাতা’ কোন কারক?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণ কারক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>কারক নির্ণয়ের সময় প্রশ্ন করতে হয়—কী দিয়ে বা কিসের দ্বারা কাজটি সম্পন্ন হয়েছে?</li>
<li>এখানে দইটি কীভাবে বা কী দিয়ে পাতা হয়েছে? উত্তর আসে—<strong>চিনি দিয়ে</strong> বা চিনির সাহায্যে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো যন্ত্র, উপায় বা উপকরণ বোঝালে সেটি <strong>করণ কারক</strong> হয়।</li>
<li>যেহেতু 'চিনিপাতা' শব্দটি দই পাতার উপায় বা উপকরণ বোঝাচ্ছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে করণ কারক।</li>
</ul>
৮৫৩৫
‘বগুড়রার চিনিপাতা দই সুস্বাদু।’ - বাক্যটিতে ‘চিনিপাতা’ কোন কারক?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কারণ কারক</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে দই তৈরির নির্দিষ্ট একটি উপায় বা প্রণালী বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>যে পদ্ধতিতে বা উপকরণের মাধ্যমে কোনো কাজ সম্পন্ন হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় কারণ কারক বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'চিনিপাতা' শব্দটি দিয়ে দই পাতার বিশেষ পদ্ধতিকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা কারকের এই নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।