<p>বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় 'কার'। আমাদের বাংলা ভাষায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি থাকলেও, এর মধ্যে 'অ' বর্ণটির কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার চিহ্ন নেই। তাই বাকি ১০টি স্বরবর্ণের জন্য ১০টি কার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>মাত্রাবৃত্ত ছন্দে পূর্ণ-পর্ব সাধারণত <strong>৬ মাত্রার</strong> হয়ে থাকে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মূল ভিত্তি হলো মাত্রার সুষম বিন্যাস।</li>
<li>এই ছন্দে সাধারণত একটি পূর্ণ-পর্বে <strong>৬টি মাত্রা</strong> থাকে, যা ছন্দকে একটি ধীর ও গম্ভীর লয় প্রদান করে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, এই ছন্দে আমরা সাধারণত $৬ + ৬$ বা $৬ + ৪$ মাত্রার বিন্যাস দেখতে পাই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মাত্রাবৃত্তের চাল বা গতি যেহেতু একটু ধীর, তাই এর পূর্ণ-পর্বের আদর্শ মাপকাঠি হিসেবে <strong>৬</strong> সংখ্যাটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ বা উৎস থেকে বিচার করলে শব্দকে মূলত <strong>৫টি</strong> শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। এই ৫টি শ্রেণী হলো: তৎসম, তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>উৎস বা উৎপত্তি অনুযায়ী:</strong> শব্দভাণ্ডারকে এই ৫টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে।</li>
<li><strong>তৎসম:</strong> সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দ।</li>
<li><strong>তদ্ভব:</strong> সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দ।</li>
<li><strong>অর্ধ-তৎসম:</strong> কিছুটা পরিবর্তিত সংস্কৃত শব্দ।</li>
<li><strong>দেশি:</strong> বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দ।</li>
<li><strong>বিদেশি:</strong> বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দ।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৫</strong>। এই ৫টি শ্রেণী মনে রাখলে শব্দের উৎস সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুব সহজ হয়ে যায়।</p>
<p>তৎসম সন্ধি মূলত <strong>৪ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সন্ধিকে প্রধানত এই চারটি ভাগে ভাগ করা হয়:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরসন্ধি:</strong> স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলন।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জনসন্ধি:</strong> স্বরধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন।</li>
<li><strong>বিসর্গ সন্ধি:</strong> বিসর্গের সাথে স্বর বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন।</li>
<li><strong>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি:</strong> যে সন্ধিগুলো সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যাকরণের এই চারটি নিয়ম জানলেই তৎসম সন্ধির মূল ভিত্তিটা পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সাধিত শব্দ মূলত <strong>৪ প্রকার</strong>। শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া বা ব্যুৎপত্তি অনুযায়ী এদের ভাগ করা হয়েছে। এই ৪ প্রকার সাধিত শব্দ হলো:</p>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলোকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায়, সেগুলোই সাধিত শব্দ। এই চারটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাংলা ভাষায় নতুন নতুন শব্দ তৈরি হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৪</strong>।</p>
<p>একটি আদর্শ বাক্যের গঠনশৈলী ও সার্থকতা বিচারে মূলত <strong>৩টি</strong> গুণের কথা বলা হলেও, ব্যাকরণবিদদের মতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও আদর্শ বাক্যের ক্ষেত্রে <strong>৪টি</strong> গুণ থাকা আবশ্যক। এই গুণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>আকাঙ্ক্ষা:</strong> বাক্যের এক অংশ শোনার পর অন্য অংশ শোনার ইচ্ছা।</li>
<li><strong>আসত্তি:</strong> বাক্যের পদগুলোকে সঠিক স্থানে বিন্যস্ত করা।</li>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> বাক্যের অর্থগত ও ভাবগত সামঞ্জস্য।</li>
<li><strong>তাৎপর্য:</strong> বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বা গভীর ভাব প্রকাশের ক্ষমতা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই চারটি উপাদানের সঠিক সমন্বয়ই একটি বাক্যকে অর্থবহ ও আদর্শ করে তোলে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৪টি</strong>।</p>
৮৯৫০
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্নগুলোর কতটি বাক্যের শেষে বসে?
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্নগুলোর মধ্যে মূলত <strong>৩টি</strong> চিহ্ন বাক্যের শেষে বসে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমরা যখন কোনো কথা শেষ করি, তখন এই চিহ্নগুলোই ব্যবহার করি:</p>
<ul>
<li><strong>দাঁড়ি ($|$)</strong>: সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য শেষ করতে।</li>
<li><strong>প্রশ্নবোধক চিহ্ন ($?$)</strong>: কোনো কিছু জানতে চাইলে বা প্রশ্ন করলে।</li>
<li><strong>বিস্ময়সূচক চিহ্ন ($!$)</strong>: আবেগ, আনন্দ বা দুঃখ প্রকাশ করে বাক্য শেষ করতে।</li>
</ul>
<p>এই তিনটি চিহ্নই মূলত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে, তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৩</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষার বিশাল শব্দভাণ্ডারে দেশি শব্দের ব্যবহার খুবই সামান্য। ভাষাবিদদের মতে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মোট শব্দের মধ্যে দেশি শব্দের পরিমাণ মাত্র ২ শতাংশ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শতকরা হিসেবে এটি হলো $2\%$, যা দশমিক ভগ্নাংশে প্রকাশ করলে দাঁড়ায় $\frac{2}{100} = 0.02$।</li>
<li>অর্থাৎ, প্রতি ১০০টি শব্দের মধ্যে গড়ে মাত্র ২টি শব্দ দেশি উৎস থেকে এসেছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে বিদেশী শব্দের প্রভাব বেশ লক্ষণীয়। ভাষাবিদদের মতে, আমাদের ব্যবহৃত মোট শব্দের মধ্যে বিদেশী শব্দের হার হলো <strong>০.০৮</strong> বা ৮ শতাংশ। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি হলো তদ্ভব শব্দ, যা প্রায় ৬০ শতাংশ।</li>
<li>এর পাশাপাশি তৎসম শব্দ প্রায় ২৫ শতাংশ।</li>
<li>বাকি অংশজুড়ে রয়েছে দেশী ও বিদেশী শব্দ।</li>
<li>পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিদেশী শব্দের এই অনুপাতটি হলো <strong>০.০৮</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, প্রতি ১০০টি শব্দের মধ্যে গড়ে ৮টি শব্দই বিদেশী উৎস থেকে এসেছে।</p>
৮৯৫৩
নিচের উদ্ধৃতাংশ কবি শামসুর রাহমানের কোন কবিতা হতে নেয়া হয়েছে? ‘পৃথিবীর এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত বুলন্ত ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে, নতুন নিশানা উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক এই বাংলায় তোমাকেই আসতে হবে।’
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা</strong>। শামসুর রাহমানের এই বিখ্যাত কবিতাটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল উপজীব্যই হলো স্বাধীনতার জন্য বাঙালির তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ত্যাগ।</li>
<li>উদ্ধৃতিতে থাকা 'নতুন নিশানা' এবং 'দামামা বাজিয়ে' শব্দগুলো কবির এই কবিতার স্বকীয় বৈশিষ্ট্য, যা স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে কবিতার মূল সুর বা মেজাজ খেয়াল করলেই খুব সহজে উত্তরটি খুঁজে পাওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুপন</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর উৎস মনে রাখা অনেক সময় কঠিন মনে হতে পারে, তবে কিছু শব্দ নিয়মিত চর্চা করলে খুব সহজেই আয়ত্ত করা যায়।</p>
<ul>
<li><strong>কুপন</strong> শব্দটি মূলত ফরাসি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ফরাসি শব্দ হিসেবে <strong>কুপন</strong>, <strong>কার্তুজ</strong> এবং <strong>রেস্তোরাঁ</strong> শব্দগুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই নির্দিষ্ট শব্দগুলো বারবার দেখলে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাযাত্রা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাদেরই <strong>যৌগরূঢ়</strong> শব্দ বলে।</li>
<li>‘মহাযাত্রা’ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় ‘মহা যে যাত্রা’। কিন্তু সাধারণ অর্থে এটি কোনো বড় যাত্রা নয়, বরং বিশেষ অর্থে এটি <strong>‘মৃত্যু’</strong> বা <strong>‘মারা যাওয়া’</strong> বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি তার আক্ষরিক অর্থ ছেড়ে একটি নির্দিষ্ট বিশেষ অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি খাঁটি যৌগরূঢ় শব্দ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।