eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৮৯৫৬

অলুক তৎপুরুষ সমাস ‘তেলেভাজা’র ব্যাসবাক্য কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তেলেভাজা
ব্যাখ্যা:
<p>‘তেলেভাজা’ শব্দটি একটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। এখানে সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>তেলে ভাজা</strong>।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>অলুক সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, সমাস করার সময় পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: এ, য়, তে) লোভ পায় না।</li>
<li>এখানে ‘তেল’ শব্দের সাথে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘তেলে’ হয়েছে।</li>
<li>ব্যাসবাক্য করার সময়ও আমরা এই বিভক্তিটি বজায় রাখি, তাই এটি ‘তেলে ভাজা’ হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে সমাসে বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে, সেটিই অলুক সমাস। তাই এখানে ‘তেলে’ পদটি অপরিবর্তিত থেকে ব্যাসবাক্য গঠন করেছে।</p>
৮৯৫৭

অলুক তৎপুরুষ সমাস 'তেলেভাজা'র ব্যাসবাক্য কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তেলে ভাজা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তেলে ভাজা</strong>।</p>

<p>অলুক তৎপুরুষ সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না। এখানে বিষয়টি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>'তেলে' শব্দটির সাথে <strong>'এ'</strong> বিভক্তি যুক্ত আছে।</li>
<li>সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও এই <strong>'এ'</strong> বিভক্তিটি অপরিবর্তিত থেকে 'তেলেভাজা' শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু বিভক্তিটি এখানে থেকেই যাচ্ছে, তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৮৯৫৮

কোনটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
খেচর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খেচর</strong>। উপপদ তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনটি খেয়াল করা।</p>

<ul>
<li>উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের সমাস হয়।</li>
<li><strong>খেচর</strong> শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়: <strong>খ-এ (আকাশে) চরে যে</strong>।</li>
<li>এখানে 'খ' হলো উপপদ এবং 'চর' হলো কৃদন্ত পদ।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো পদের শেষে 'চর', 'কর', 'দ', 'স্থ' বা 'জ্ঞ' জাতীয় কৃদন্ত পদ থাকে এবং তা কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখনই সেটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো—শব্দটি যদি কোনো বিশেষ কাজ বা অবস্থাকে নির্দেশ করে এবং শেষে 'চর' বা এই জাতীয় কোনো অংশ থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে একে উপপদ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
৮৯৫৯

প্যারীচাঁদ মিত্রের গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলালের ঘরের দুলাল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যে <strong>আলালী ভাষা</strong> বা চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>১৮৫৮ সালে প্রকাশিত <strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এই উপন্যাসের মাধ্যমেই তিনি তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার ও অবক্ষয়কে সহজ-সরল চলিত ভাষায় তুলে ধরেছিলেন, যা সেই সময়ে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা উপন্যাসের ধারায় প্যারীচাঁদ মিত্রের নাম এলেই সবার আগে <strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong>-এর কথা মনে রাখতে হবে।</p>
৮৯৬০

‘তৃষ্ণার্ত’ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তৃষ্ণা + ঋত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৃষ্ণা + ঋত</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজ, নিচে দেখে নাও:</p>

<ul>
<li>এখানে 'তৃষ্ণার্ত' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: তৃষ্ণা + ঋত।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর যদি 'ঋ' থাকে, তবে উভয় মিলে 'অর' (র্‌) হয়।</li>
<li>এখানে তৃষ্ণার শেষে থাকা 'আ' এবং ঋত-এর শুরুতে থাকা 'ঋ' মিলে 'অর' বা রেফ (র্‌) তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $আ + ঋ = অ + র্‌$।</li>
</ul>

<p>এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো শব্দকে সহজেই সন্ধি বিচ্ছেদ করতে পারবে!</p>
৮৯৬১

তৃষ্ণার্ত -সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তৃষ্ণা + ঋত
ব্যাখ্যা:
<p>তৃষ্ণার্ত শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>তৃষ্ণা + ঋত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর যদি 'ঋ' থাকে, তবে উভয় মিলে 'অর' (অ + ঋ = অর) হয়।</li>
<li>এখানে তৃষ্ণার 'আ' এবং ঋত-এর 'ঋ' মিলে 'আর' (আ + ঋ = আর) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>এই 'আর' অংশটি রেফ (র্) হিসেবে পরবর্তী বর্ণের মাথায় বসে যায়।</li>
<li>গাণিতিক রূপটি এমন: $আ + ঋ = আর$।</li>
</ul>

<p>এভাবেই তৃষ্ণার 'আ' এবং ঋত-এর 'ঋ' মিলে 'আর্ত' অংশটি তৈরি করে, যা মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে <strong>তৃষ্ণার্ত</strong> শব্দ গঠন করে।</p>
৮৯৬২

নিচের কোন বানানে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ বসেছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঔষধ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঔষধ</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কিছু শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই বা স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহৃত হয়। এই জাতীয় শব্দগুলোকে 'স্বভাবতই ন-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান' বলা হয়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু প্রচলিত শব্দ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ঔষধ</strong></li>
<li>ভাষা</li>
<li>আষাঢ়</li>
<li>ভাষণ</li>
<li>মানুষ</li>
<li>কোষ</li>
</ul>

<p>এই শব্দগুলোতে কোনো সন্ধি বা প্রত্যয়ের নিয়ম কাজ করে না, এগুলো এভাবেই শুদ্ধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই পরীক্ষার খাতায় এমন শব্দ দেখলে সরাসরি উত্তর দাগিয়ে দেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</p>
৮৯৬৩

‘দেবদত্ত’ কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চতুর্থী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ</strong>। সমাসটি বোঝার জন্য এর ব্যাসবাক্য খেয়াল করলেই বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>

<ul>
<li>‘দেবদত্ত’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>দেবকে দত্ত</strong>।</li>
<li>আমরা জানি, বিভক্তি অনুযায়ী ‘কে’ বা ‘রে’ বিভক্তি যুক্ত হলে সেটি <strong>দ্বিতীয়া</strong> বা <strong>চতুর্থী</strong> তৎপুরুষ সমাস হয়।</li>
<li>এখানে ‘দেবকে’ বলতে দেবতাকে উৎসর্গ করে বা নিমিত্ত অর্থে বোঝানো হয়েছে। যখন কোনো কিছু কাউকে দান বা উৎসর্গ করা হয়, তখন সেটি <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ</strong> সমাসের নিয়ম মেনে চলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যাকে কিছু দান বা অর্পণ করা হয়, সেই পদের সাথে চতুর্থী বিভক্তি যুক্ত হয়ে এই সমাস গঠিত হয়। তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষ।</p>
৮৯৬৪

"পোস্ট-অফিস" এর সমাস নিচের কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চতুর্থী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা ব্যাসবাক্যটি খেয়াল করি।</p>

<p>সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আমরা জানি:</p>
<ul>
<li>"পোস্ট-অফিস" শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় <strong>পোস্টের নিমিত্তে অফিস</strong>।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসে ব্যাসবাক্যে 'নিমিত্তে' বা 'জন্য' অব্যয় ব্যবহৃত হয়, তখন সেটি <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ</strong> সমাস হয়।</li>
<li>এখানে অফিসটি মূলত পোস্টের জন্য বা পোস্টের উদ্দেশ্যে তৈরি, তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
৮৯৬৫

"ফুলবাগান" কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটিকে ভেঙে দেখি।</p>

<ul>
<li>সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দটিকে ব্যাসবাক্যে রূপান্তর করলে দাঁড়ায়: <strong>ফুলের বাগান</strong>।</li>
<li>এখানে 'ফুল' শব্দের সাথে <strong>'এর'</strong> বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমাসে পূর্বপদে <strong>'র'</strong> বা <strong>'এর'</strong> বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তাকেই <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>

<p>তাই, 'ফুলের বাগান' থেকে 'ফুলবাগান' শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
৮৯৬৬

ব্যপ্তি অর্থে কোন তৎপুরুষ সমাস হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়া
ব্যাখ্যা:
<p>ব্যপ্তি অর্থে সবসময় <strong>দ্বিতীয়া তৎপুরুষ</strong> সমাস হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো পদ দ্বারা সময় বা স্থানের ব্যাপ্তি বোঝানো হয়, তখন সেটি দ্বিতীয়া বিভক্তিযুক্ত হয়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো কাজ বা অবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে চলে, তখন তাকে 'ব্যপ্তি' বলা হয়।</li>
<li>যেমন: 'চিরকাল ব্যাপী সুখী' = <strong>চিরসুখী</strong>।</li>
<li>এখানে 'চিরকাল' শব্দটির সাথে দ্বিতীয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে সমাসটি গঠিত হয়েছে, তাই এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু কতক্ষণ বা কতদূর জুড়ে আছে—এই ব্যপ্তি বোঝাতে আমরা চোখ বন্ধ করে দ্বিতীয়া তৎপুরুষকে বেছে নিতে পারি।</p>
৮৯৬৭

কোনটি ‘বিটপি’ শব্দের সমার্থক নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তৃণ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৃণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘বিটপি’ শব্দের অর্থ হলো গাছ বা বৃক্ষ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘বিটপি’ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো পাদপ, দ্রুম, তরু, গাছ বা বৃক্ষ।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘তৃণ’ মানে হলো ঘাস বা লতাগুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ, যা বড় গাছের (বিটপি) অন্তর্ভুক্ত নয়।</li>
</ul>

<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে ‘তৃণ’ শব্দটি এখানে বিটপি বা বৃক্ষের সমার্থক হিসেবে গণ্য হয় না।</p>
৮৯৬৮

রূপক কর্মধারয় -এর সমস্তপদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষাদসিন্ধু</strong>। রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো—এখানে উপমান (যার সাথে তুলনা করা হয়) এবং উপমেয় (যাকে তুলনা করা হয়)-এর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>রূপক কর্মধারয় সমাসে সাধারণত ব্যাসবাক্যে মাঝখানে <strong>'রূপ'</strong> শব্দটি থাকে।</li>
<li>বিষাদসিন্ধু-এর ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>বিষাদ রূপ সিন্ধু</strong>।</li>
<li>এখানে বিষাদকে সিন্ধুর সাথে তুলনা করা হয়নি, বরং বিষাদকেই সিন্ধু বা সমুদ্রের সাথে অভিন্ন মনে করা হয়েছে।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই দেখবেন কোনো পদের মাঝে 'রূপ' লুকিয়ে আছে বা দুটির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই, চোখ বন্ধ করে সেটিই রূপক কর্মধারয় সমাস!</p>
৮৯৬৯

মধ্যগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জিলিপি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জিলিপি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>মধ্যগত স্বরসঙ্গতি</strong> বলতে বোঝায় যখন শব্দের মাঝখানের স্বরধ্বনির পরিবর্তনের ফলে পরের স্বরধ্বনি প্রভাবিত হয়।</li>
<li>মূল শব্দটি ছিল 'জিলাপী'। এখানে মাঝখানের 'আ' ধ্বনিটি পরবর্তী 'ই' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ই' হয়ে গেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, শব্দের মাঝখানের স্বরধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে যখন পরের স্বরধ্বনির সাথে মিলে যায়, তখন তাকে মধ্যগত স্বরসঙ্গতি বলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, <strong>জিলাপী > জিলিপি</strong> — এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই মধ্যগত স্বরসঙ্গতি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
৮৯৭০

নিচের কোনটি চলিত রীতির শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শুকনো
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।