eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৮৯৮৬

‘লুঙ্গি’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বর্মী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্মী</strong>। ‘লুঙ্গি’ শব্দটি মূলত বর্মী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের (পুরানো নাম বার্মা) সংস্কৃতির সাথে লুঙ্গির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে, যেসব শব্দ সরাসরি অন্য ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় মিশে গেছে, তার মধ্যে ‘লুঙ্গি’ একটি অন্যতম বর্মী শব্দ।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি একটি নির্দিষ্ট তথ্যমূলক প্রশ্ন, তাই সরাসরি মনে রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
৮৯৮৭

“আলপিন' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে 'আলপিন' একটি উল্লেখযোগ্য শব্দ, যা সরাসরি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা যখন সমুদ্রপথে বাণিজ্যের জন্য বাংলায় এসেছিল, তখন তারা তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের বেশ কিছু শব্দ আমাদের ভাষায় রেখে যায়।</li>
<li>'আলপিন' শব্দটি পর্তুগিজ শব্দ <strong>'alfinete'</strong> থেকে এসেছে।</li>
<li>একইভাবে আলমারি, চাবি, বালতি, সাবান—এই শব্দগুলোও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা, যা আমরা প্রতিদিনের কথাবার্তায় অনায়াসেই ব্যবহার করি।</li>
</ul>
৮৯৮৮

ম্যাক্সিম গোর্কীর ‘মা’ উপন্যাস কোন্ ভাষায় রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রুশ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রুশ</strong>। ম্যাক্সিম গোর্কী ছিলেন একজন বিশ্বখ্যাত রুশ লেখক, তাই তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘মা’ (Mother) মূলত রুশ ভাষাতেই লেখা হয়েছিল।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ম্যাক্সিম গোর্কী রাশিয়ার একজন কালজয়ী সাহিত্যিক।</li>
<li>তার সাহিত্যকর্মের মূল ভিত্তিই ছিল রুশ সমাজ ও জীবনধারা।</li>
<li>১৯০৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বিশ্বসাহিত্যে রুশ বাস্তববাদী ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৮৯৮৯

'মর্সিয়া' শব্দের উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>

<p>‘মর্সিয়া’ শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ <strong>‘মাসা’</strong> (masa) থেকে, যার অর্থ হলো শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা। আরবি ভাষায় শোকগাথা বা কারো মৃত্যুতে যে শোক প্রকাশ করা হয়, তাকেই বলা হয় মর্সিয়া।</p>

<ul>
<li>মূল শব্দ: আরবি <strong>‘মাসা’</strong>।</li>
<li>অর্থ: শোক বা বিলাপ করা।</li>
<li>সাহিত্যে ব্যবহার: কারবালার ট্র্যাজেডি বা শোকাবহ ঘটনা নিয়ে রচিত কাব্যকেই আমরা মর্সিয়া সাহিত্য বলে জানি।</li>
</ul>

<p>তাই সাহিত্য বা ব্যাকরণের প্রশ্নে যখনই মর্সিয়া শব্দের উৎস জানতে চাওয়া হবে, চোখ বন্ধ করে <strong>আরবি</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন।</p>
৮৯৯০

‘গদাই লস্করি চাল' বাগধারাটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলসেমি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আলসেমি</strong>। বাগধারাটি মূলত কোনো কাজ খুব ধীরগতিতে বা অলসভাবে করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'গদাই লস্করি চাল' কথাটি শুনলেই মাথায় আসে এমন একজনের কথা, যে কোনো কাজ করতে একদমই তাড়া দেখায় না।</li>
<li>যে ব্যক্তি অলস প্রকৃতির হয়, তার কাজের গতি সবসময়ই মন্থর বা ধীরগতির হয়ে থাকে।</li>
<li>তাই যখনই কোনো কাজে অতিরিক্ত ধীরস্থির ভাব বা অলসতা প্রকাশ পায়, তখনই আমরা এই বাগধারাটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
৮৯৯১

কোনটি যৌগিক বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তুমি আমার বাড়িতে এস, আমি খুশি হব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>তুমি আমার বাড়িতে এস, আমি খুশি হব</strong>।</p>

<p>যৌগিক বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য কোনো যোজক বা অব্যয় (যেমন: ও, এবং, আর, কিন্তু, অথবা) দ্বারা যুক্ত থাকে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে কেন এটি সঠিক:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন অংশ আছে: ১. <strong>তুমি আমার বাড়িতে এস</strong> এবং ২. <strong>আমি খুশি হব</strong>।</li>
<li>এই দুটি অংশ একটি কমা (,) বা উহ্য যোজক দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করছে।</li>
<li>যৌগিক বাক্যে কোনো শর্ত বা নির্ভরশীলতা থাকে না, বরং দুটি আলাদা বাক্য পাশাপাশি বসে একটি নতুন ভাব তৈরি করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানে দুটি স্বাধীন বাক্য পাশাপাশি বসে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ তৈরি করে, সেটাই যৌগিক বাক্য।</p>
৮৯৯২

সাধু ভাষায় কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না</strong>।</p>

<p>সাধু ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা এবং তৎসম শব্দের সঠিক প্রয়োগ। এই বাক্যটি কেন শুদ্ধ, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদের রূপ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ সবসময় পূর্ণরূপে থাকে। এখানে 'আসিবে' এবং 'করিতেছি' শব্দ দুটি সাধু রীতির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ও স্পষ্ট।</li>
<li><strong>সর্বনাম ও অব্যয়:</strong> 'বলিয়া' শব্দটি সাধু ভাষার একটি আদর্শ রূপ। চলিত ভাষায় আমরা বলি 'বলে', কিন্তু সাধু রীতিতে 'বলিয়া' ব্যবহার করাই নিয়ম।</li>
<li><strong>বাক্যের গঠন:</strong> পুরো বাক্যটিতে সাধু ভাষার গাম্ভীর্য ও ব্যাকরণগত কাঠামো যথাযথভাবে বজায় রাখা হয়েছে, যা অন্য অপশনগুলোতে অনুপস্থিত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত রূপ (যেমন: আসবে, করছি) ব্যবহার করা যায় না। তাই যেখানেই পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদ দেখবেন, সেটিই সাধু ভাষার শুদ্ধ বাক্য হিসেবে গণ্য হবে।</p>
৮৯৯৩

নিচের কোনটি মিশ্র বাক্যের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যে ভালো ছেলে তাকে সবাই শ্রদ্ধা করে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যে ভালো ছেলে তাকে সবাই শ্রদ্ধা করে</strong>। মিশ্র বাক্য চেনার উপায় খুব সহজ, নিচে দেখে নাও:</p>

<ul>
<li>মিশ্র বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং অন্যটি তার ওপর নির্ভরশীল থাকে।</li>
<li>এই বাক্যে <strong>'যে'</strong> এবং <strong>'তাকে'</strong>—এই ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন একটি বাক্যের অংশ অন্যটির ওপর নির্ভর করে অর্থ প্রকাশ করে, তখনই সেটি মিশ্র বাক্য হয়। এখানে 'যে ভালো ছেলে' অংশটি ছাড়া 'তাকে সবাই শ্রদ্ধা করে' বাক্যটি অসম্পূর্ণ মনে হয়, তাই এটিই মিশ্র বাক্যের সঠিক উদাহরণ।</li>
</ul>
৮৯৯৪

You must make your views kown to all- এর বাংলা অনুবাদ কি হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তুমি অবশ্যই সকলকে তোমার মতামত জানিয়ে দেবে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুমি অবশ্যই সকলকে তোমার মতামত জানিয়ে দেবে</strong>। এর কারণ হলো ইংরেজি বাক্যটিতে 'make your views known' বলতে নিজের মতামত অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়া বা জানানোর কথা বোঝানো হয়েছে।</p>

<ul>
<li><strong>Make known:</strong> এর অর্থ হলো কাউকে কোনো কিছু জানানো বা প্রকাশ করা।</li>
<li><strong>Your views:</strong> এর অর্থ হলো তোমার মতামত।</li>
<li><strong>To all:</strong> এর অর্থ হলো সকলকে।</li>
</ul>

<p>পুরো বাক্যটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে কাউকে কোনো কিছু জানানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, যা অপশন B-তে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
৮৯৯৫

কোনটি সরল বাক্য

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তুমি অধম বলে আমি উত্তম হবো না কেন?
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>তুমি অধম বলে আমি উত্তম হবো না কেন?</strong></p>

<p>সহজ কথায়, সরল বাক্য চেনার উপায় হলো এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং কোনো যোজক বা অব্যয় দিয়ে একাধিক খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে না। এই বাক্যটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে একটি মাত্র প্রধান উদ্দেশ্য (আমি) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (হবো না) রয়েছে।</li>
<li>এখানে 'বলে' অংশটি বাক্যের একটি অংশ মাত্র, এটি কোনো আলাদা খণ্ডবাক্য তৈরি করেনি।</li>
<li>পুরো বাক্যটি একটি অখণ্ড ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি সরল বাক্য।</li>
</ul>

<p>মনে রাখবেন, সরল বাক্যে কোনো জটিলতা থাকে না, এটি সরাসরি একটি বক্তব্য উপস্থাপন করে।</p>
৮৯৯৬

বাংলা নামের উৎপত্তি সম্বন্ধে কোন গ্রন্থে উল্লেখ আছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আইন-ই-আকবরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আইন-ই-আকবরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলের প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক তথ্যের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আকর গ্রন্থ এটি।</p>

<ul>
<li>আবুল ফজল রচিত এই বিখ্যাত গ্রন্থে তৎকালীন বাংলার ভৌগোলিক সীমানা এবং 'বঙ্গ' বা 'বাংলা' নামের উৎপত্তি সম্পর্কে ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায়।</li>
<li>বইটিতে সুলতানি আমল থেকে মুঘল আমল পর্যন্ত বাংলার প্রশাসনিক কাঠামোর বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে, যা আমাদের এই নামের উৎস বুঝতে সাহায্য করে।</li>
</ul>
৮৯৯৭

‘বানি’ শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণকারের মজুরি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বর্ণকারের মজুরি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>

<ul>
<li>বাংলা ভাষায় 'বানি' শব্দটি মূলত স্বর্ণ বা সোনা গলিয়ে গয়না তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>স্বর্ণকার যখন সোনা দিয়ে অলংকার তৈরি করেন, তখন সেই কাজের বিনিময়ে তিনি যে পারিশ্রমিক বা মজুরি গ্রহণ করেন, তাকেই পারিভাষিক শব্দে <strong>বানি</strong> বলা হয়।</li>
<li>দৈনন্দিন জীবনে বা গয়নার দোকানে হিসাব করার সময় এই শব্দটি বেশ পরিচিত।</li>
</ul>
৮৯৯৮

'কুল' শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যূথ
ব্যাখ্যা:
<p>'কুল' শব্দটির সঠিক প্রতিশব্দ হলো <strong>যূথ</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'কুল' শব্দটি এখানে সমষ্টি বা দল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>'যূথ' শব্দের অর্থ হলো দল, গোষ্ঠী বা সমষ্টি।</li>
<li>সাহিত্যে বা ব্যাকরণে যখন আমরা কোনো কিছুর সমাহার বা দলবদ্ধ অবস্থাকে নির্দেশ করি, তখন 'কুল' এবং 'যূথ' একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>

<p>তাই কোনো কিছুর দল বা সমষ্টি বোঝাতে 'কুল' এর পরিবর্তে অনায়াসেই 'যূথ' শব্দটি ব্যবহার করা যায়।</p>
৮৯৯৯

‘অনিষ্ট’ -র বিপরীত অর্থবোধক শব্দ হচ্ছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইষ্ট
ব্যাখ্যা:
<p>‘অনিষ্ট’ শব্দটির বিপরীত অর্থবোধক শব্দ হলো <strong>ইষ্ট</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>‘অনিষ্ট’ মানে হলো যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর বা অকল্যাণকর।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘ইষ্ট’ শব্দের অর্থ হলো যা আমাদের জন্য কল্যাণকর, প্রিয় বা কাম্য।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে ‘অ’ বা ‘অন’ উপসর্গ যোগ করে অনেক সময় বিপরীত শব্দ তৈরি করা হয়। তাই ‘ইষ্ট’-এর সাথে ‘অনি’ যুক্ত হয়ে যেমন ‘অনিষ্ট’ হয়েছে, তেমনি ‘অনিষ্ট’-এর বিপরীত হিসেবে আমরা সরাসরি ‘ইষ্ট’ শব্দটিকে পাই।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অকল্যাণ বা ক্ষতির বিপরীত হলো কল্যাণ বা ইষ্ট।</p>
৯০০০

'আর্বিভাব' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিরোভাব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিরোভাব</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>আবির্ভাব</strong> মানে হলো কোনো কিছুর প্রকাশ পাওয়া বা দেখা দেওয়া।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>তিরোভাব</strong> মানে হলো কোনো কিছুর অদৃশ্য হয়ে যাওয়া বা বিলীন হওয়া।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, একটির মাধ্যমে কোনো কিছু সামনে আসে, আর অন্যটির মাধ্যমে তা আড়ালে চলে যায়। তাই ব্যাকরণগতভাবে আবির্ভাবের বিপরীত শব্দ হিসেবে তিরোভাবই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।