eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯০০১

‘আবির্ভাব’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিরোভাব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিরোভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দার্থের দিক থেকে ‘আবির্ভাব’ মানে হলো কোনো কিছুর প্রকাশ পাওয়া বা সামনে আসা। অন্যদিকে, ‘তিরোভাব’ মানে হলো কোনো কিছুর অদৃশ্য হয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আবির্ভাব:</strong> কোনো কিছুর আগমন বা দৃশ্যমান হওয়া।</li>
<li><strong>তিরোভাব:</strong> কোনো কিছুর প্রস্থান বা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া।</li>
</ul>

<p>তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ‘আবির্ভাব’-এর ঠিক উল্টোটি হলো ‘তিরোভাব’।</p>
৯০০২

আবির্ভাব এর বিপরীট শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিরোভাব
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিরোভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>আবির্ভাব</strong> শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রকাশ পাওয়া বা সামনে আসা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>তিরোভাব</strong> মানে হলো কোনো কিছুর অদৃশ্য হয়ে যাওয়া বা বিলীন হওয়া।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু যখন দৃশ্যমান হয় তখন তাকে বলি আবির্ভাব, আর যখন তা হারিয়ে যায় বা আড়ালে চলে যায়, তখন তাকে বলি তিরোভাব। তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে তিরোভাবই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
৯০০৩

সন্ধি বিচ্ছেদ করুনঃ 'তিরস্কার'--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিরঃ + কার
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিরঃ + কার</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের এই নিয়মটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি <strong>ক</strong>, <strong>খ</strong>, <strong>প</strong> বা <strong>ফ</strong> থাকে, তবে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে।</li>
<li>এখানে 'তিরঃ' শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং তার ঠিক পরেই 'কার' শব্দের শুরুতে <strong>ক</strong> বর্ণটি রয়েছে।</li>
<li>তাই সন্ধি করার সময় বিসর্গটি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই যুক্ত হয়ে যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, <strong>তিরঃ + কার = তিরস্কার</strong>। এই নিয়মটি মনে রাখলে 'পুরস্কার' বা 'নমস্কার'-এর মতো শব্দগুলোও খুব সহজে বিচ্ছেদ করতে পারবেন।</p>
৯০০৪

কোন বাক্যে ক্রিয়া-বিশেষণ রয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন।
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন।</strong></p>

<p>ক্রিয়া-বিশেষণ চেনার উপায় খুব সহজ। যে পদ দিয়ে ক্রিয়া বা কাজ সম্পাদনের ধরন, সময় বা স্থান বোঝায়, তাকেই ক্রিয়া-বিশেষণ বলে। এখানে কেন এটি সঠিক তা দেখে নিন:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে হাঁটার কাজটা কীভাবে হচ্ছে, তা <strong>ধীরে ধীরে</strong> শব্দটির মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু <strong>ধীরে ধীরে</strong> শব্দটি হাঁটা (ক্রিয়া) সম্পন্ন হওয়ার ধরন বা রীতি বোঝাচ্ছে, তাই এটি একটি চমৎকার ক্রিয়া-বিশেষণ।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কাজ 'কীভাবে' বা 'কেমন করে' হচ্ছে তা জানতে চাইলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই ক্রিয়া-বিশেষণ।</li>
</ul>
৯০০৫

কোনটি সঠিক বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়</strong>। কারণ অন্য তিনটি বাক্যে ব্যাকরণগত ভুল রয়েছে। চলুন দেখে নিই কেন সেগুলো ভুল:</p>

<ul>
<li><strong>নদীর জল হ্রাস হয়েছে:</strong> 'হ্রাস' শব্দটি সাধারণত পরিমাণ বা সংখ্যার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। নদীর জলের ক্ষেত্রে 'কমেছে' বা 'জলস্তর নেমেছে' বলা বেশি মানানসই।</li>
<li><strong>তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন:</strong> 'স্বস্ত্রীক' বানানটি ভুল। সঠিক বানান হবে 'সস্ত্রীক'। 'স' উপসর্গ যোগে এটি গঠিত হয়।</li>
<li><strong>তিনি আরোগ্য হইয়াছেন:</strong> 'আরোগ্য' একটি বিশেষ্য পদ, তাই এখানে 'আরোগ্য লাভ করেছেন' বলা সঠিক। 'আরোগ্য হয়েছেন' বললে বাক্যটি শ্রুতিমধুর হয় না।</li>
</ul>

<p>যেহেতু অন্য অপশনগুলোতে স্পষ্ট ভুল রয়েছে, তাই <strong>উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়</strong>—এই অপশনটিই এখানে যৌক্তিক ও সঠিক।</p>
৯০০৬

প্যারীচাঁদ মিত্র লিখিত গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটিই
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। কারণ প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লেখক এবং তাঁর লেখনী থেকেই বাংলা গদ্যের নতুন ধারার সূচনা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>আলালের ঘরের দুলাল:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস, যা প্যারীচাঁদ মিত্রের অমর সৃষ্টি।</li>
<li><strong>মদ খাওয়া বড় দায়:</strong> এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসনমূলক গ্রন্থ।</li>
<li><strong>অভেদী:</strong> এটিও প্যারীচাঁদ মিত্রের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এই তিনটি বইয়ের লেখকই হলেন প্যারীচাঁদ মিত্র, তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>তিনটিই</strong>।</p>
৯০০৭

বিমল মিত্রে'র রচিত উপন্যাস কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটিই
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। বিমল মিত্র বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তাঁর লেখনশৈলী এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলো বাংলা সাহিত্যে কালজয়ী হয়ে আছে।</p>

<ul>
<li><strong>কড়ি দিয়ে কিনলাম:</strong> এটি বিমল মিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস, যা তৎকালীন সমাজের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।</li>
<li><strong>সাহেব বিবি গোলাম:</strong> এটি তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস, যা নিয়ে পরবর্তীতে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে।</li>
<li><strong>একক দশক শতক:</strong> এটিও তাঁর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসিত উপন্যাস।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, উল্লিখিত তিনটি উপন্যাসই বিমল মিত্রের নিজস্ব সৃষ্টি। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>তিনটিই</strong>।</p>
৯০০৮

আবুল হুসেন রুশ বিপ্লবের প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে কোন প্রবন্ধটি রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটিই
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। আবুল হুসেন ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রগতিশীল চিন্তাবিদ, যিনি রুশ বিপ্লবের সাম্যবাদী আদর্শে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত ছিলেন।</p>

<p>তার এই আদর্শিক চেতনার প্রতিফলন ঘটেছিল তৎকালীন কৃষক সমাজের দুরবস্থা ও শোষণের চিত্র তুলে ধরার মাধ্যমে। তিনি তার লেখনীতে সমাজ পরিবর্তনের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার প্রমাণ মেলে এই তিনটি প্রবন্ধেই:</p>

<ul>
<li><strong>কৃষকের আর্তনাদ</strong></li>
<li><strong>কৃষকের দুর্দশা</strong></li>
<li><strong>কৃষি বিপ্লবের সূচনা</strong></li>
</ul>

<p>মূলত, শোষিত মানুষের মুক্তি এবং সমাজতান্ত্রিক চেতনার প্রসারে তিনি এই প্রবন্ধগুলো লিখেছিলেন, যা তাকে বাংলা সাহিত্যে একজন সমাজ সচেতন লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।</p>
৯০০৯

কোনটি সমর সেনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটিই
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। সমর সেন আধুনিক বাংলা কবিতার জগতে এক উজ্জ্বল নাম, যিনি তাঁর স্বতন্ত্র গদ্যশৈলী ও কাব্যভাষার জন্য পরিচিত। তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাটি বেশ সমৃদ্ধ, যার মধ্যে উল্লিখিত তিনটি গ্রন্থই তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি:</p>

<ul>
<li><strong>কয়েকটি কবিতা:</strong> এটি তাঁর অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li><strong>নানাকথা:</strong> তাঁর গদ্য রচনার সংকলন হিসেবে এটি বেশ পরিচিত।</li>
<li><strong>খোলাচিঠি:</strong> এটিও তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের একটি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সমর সেনের সৃজনশীলতার বিভিন্ন দিক এই তিনটি বইয়েই ফুটে উঠেছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>তিনটিই</strong>।</p>
৯০১০

সুকুমার রায় রচিত শিশুসাহিত্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটিই
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। সুকুমার রায় বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অনন্য জাদুকর, যার প্রতিটি সৃষ্টিই কালজয়ী। কেন এই তিনটিই সঠিক, তা নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>আবোল তাবোল:</strong> এটি সুকুমার রায়ের লেখা কালজয়ী ছড়ার বই, যা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা সৃষ্টি।</li>
<li><strong>হ য ব র ল:</strong> এটি একটি অদ্ভুত ও মজার গল্পের বই, যেখানে যুক্তির চেয়ে কল্পনা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।</li>
<li><strong>পাগলা দাশু:</strong> এই বইয়ের প্রধান চরিত্র দাশু তার অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানা দিয়ে পাঠকদের সবসময় হাসিয়ে এসেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এই তিনটি বই-ই সুকুমার রায়ের অমর সৃষ্টি, যা ছোট-বড় সবার কাছে সমান জনপ্রিয়। তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>তিনটিই</strong>।</p>
৯০১১

কোনটি পৌরাণিক মঙ্গলকাব্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটিই
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে মঙ্গলকাব্যের ধারাটি ছিল অত্যন্ত বিস্তৃত এবং বৈচিত্র্যময়। এই ধারায় দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কাব্য রচিত হয়েছিল, যার মধ্যে উল্লিখিত তিনটি কাব্যই অন্তর্ভুক্ত।</p>

<ul>
<li><strong>অন্নদামঙ্গল:</strong> এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অমর সৃষ্টি, যা অন্নপূর্ণা দেবীর মাহাত্ম্য নিয়ে রচিত।</li>
<li><strong>গৌরীমঙ্গল:</strong> এটিও মঙ্গলকাব্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে দেবী গৌরীর গুণকীর্তন করা হয়েছে।</li>
<li><strong>দুর্গামঙ্গল:</strong> দেবী দুর্গার পূজা ও মাহাত্ম্য প্রচারের লক্ষ্যে এই জাতীয় কাব্যগুলো রচিত হতো।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মঙ্গলকাব্যের বিশাল পরিসরে অন্নদা, গৌরী এবং দুর্গা—এই তিন দেবীর নামেই স্বতন্ত্র কাব্যধারা গড়ে উঠেছিল, তাই এখানে সঠিক উত্তর তিনটিই।</p>
৯০১২

বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটিই
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। বিজন ভট্টাচার্য বাংলা নাট্যসাহিত্যের একজন কিংবদন্তি নাট্যকার, যিনি গণনাট্য আন্দোলনের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। তাঁর সৃজনশীল লেখনীতে উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও বাস্তবতার চিত্র।</p>

<ul>
<li><strong>নবান্ন:</strong> এটি তাঁর লেখা কালজয়ী নাটক, যা ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর ও গ্রামীণ জীবনের সংকটকে কেন্দ্র করে রচিত।</li>
<li><strong>জনপদ:</strong> এই নাটকেও তিনি প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সমাজের অসংগতিকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li><strong>অবরোধ:</strong> এটিও বিজন ভট্টাচার্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য নাটক, যেখানে তিনি নাট্যশৈলীর মাধ্যমে গভীর জীবনবোধ প্রকাশ করেছেন।</li>
</ul>

<p>তাই বলা যায়, এই তিনটি নাটকই বিজন ভট্টাচার্যের অনবদ্য সৃষ্টি।</p>
৯০১৩

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটিই
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা শিশুসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, আর তাঁর লেখনীতে এই তিনটি বই-ই অত্যন্ত জনপ্রিয়।</p>

<ul>
<li><strong>ক্ষীরের পুতুল:</strong> এটি তাঁর লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকথার গল্প, যা ছোট-বড় সবার কাছেই দারুণ প্রিয়।</li>
<li><strong>ভুত পত্রীর দেশ:</strong> এই বইটিতে তিনি তাঁর নিজস্ব জাদুকরী শৈলীতে ভুত ও কল্পনার জগতকে তুলে ধরেছেন।</li>
<li><strong>রংবেরং:</strong> এটিও তাঁর একটি চমৎকার শিল্পসমৃদ্ধ গ্রন্থ, যেখানে তিনি বিভিন্ন বিষয়কে সহজ ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এই তিনটি বই-ই অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি, তাই সঠিক উত্তরটি হলো তিনটিই।</p>
৯০১৪

বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পাঁচটি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে মূলত <strong>পাঁচটি</strong> ভাগে ভাগ করা হয়েছে। উৎস বা উৎপত্তি অনুযায়ী এই শ্রেণিবিভাগটি করা হয়, যা বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে।</p>

<p>এই পাঁচটি ভাগ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দ।</li>
<li><strong>অর্ধ-তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দ।</li>
<li><strong>তদ্ভব শব্দ:</strong> বিবর্তনের মাধ্যমে প্রাকৃত থেকে আসা শব্দ।</li>
<li><strong>দেশি শব্দ:</strong> বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দ।</li>
<li><strong>বিদেশি শব্দ:</strong> বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় মিশে যাওয়া শব্দ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের উৎস বা উৎপত্তি বিবেচনা করলে আমরা এই পাঁচটি প্রধান ধরণ দেখতে পাই।</p>
৯০১৫

সারমর্ম বা সারাংশ কয়টি অনুচ্ছেদে লেখা বাঞ্ছনীয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
একটি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>একটি</strong>। সারমর্ম বা সারাংশ লেখার মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো বড় রচনার মূল ভাব বা নির্যাসকে অত্যন্ত সংক্ষেপে উপস্থাপন করা।</p>

<p>বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সারমর্ম বা সারাংশ সবসময় <strong>একটি অনুচ্ছেদেই</strong> লিখতে হয়।</li>
<li>এতে মূল রচনার অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে শুধু মূল কথাটুকু গুছিয়ে আনা হয়।</li>
<li>একাধিক অনুচ্ছেদ ব্যবহার করলে এর মূল উদ্দেশ্য অর্থাৎ 'সংক্ষিপ্তকরণ' ব্যাহত হয়।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো রচনার সারমর্ম লেখার সময় সব সময় একটি অনুচ্ছেদেই সীমাবদ্ধ থাকা বাঞ্ছনীয়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।