<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই অন্য ভাষা থেকে এসেছে। 'গাং' শব্দটি মূলত হিন্দি বা প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যা নদী বা জলধারা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে এটি একটি তদ্ভব শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<ul>
<li><strong>মূল উৎস:</strong> হিন্দি বা প্রাকৃত।</li>
<li><strong>ব্যবহার:</strong> নদী বা প্রবাহের অর্থ প্রকাশে এটি বহুল প্রচলিত।</li>
</ul>
৮৯৭৩
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতানুযায়ী মধ্যযুগের ভাগ দুটি কি কি?
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাঠান আমল ও সুলতানী আমল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কালানুক্রমিক বিভাজন অনুযায়ী, মধ্যযুগের শুরুর দিকে সুলতানী আমল এবং পরবর্তী পর্যায়ে পাঠান আমলের প্রভাব স্পষ্ট।</li>
<li>তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত এই দুটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ধারার ভিত্তিতেই বিন্যস্ত করেছেন।</li>
<li>সহজ কথায়, মধ্যযুগের সাহিত্যিক বিবর্তন বুঝতে তিনি সুলতানী এবং পাঠান—এই দুই শাসনামলকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরেছেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হিন্দি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</p>
<ul>
<li>‘পিপা’ শব্দটি মূলত হিন্দি ভাষা থেকে আগত একটি বিশেষ্য পদ।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এমন আরও কিছু পরিচিত হিন্দি শব্দ হলো: চাহিদা, ডেরা, ফালতু, এবং খাতা।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য এই শব্দগুলোকে একটি ছোট তালিকার মতো করে মাথায় গেঁথে নিতে পারেন, এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা একদমই থাকবে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু নির্দিষ্ট শব্দ আছে যা সরাসরি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>কাঁচি</strong> শব্দটি একটি তুর্কি শব্দ।</li>
<li>তুর্কি শব্দ চেনার একটি সহজ কৌশল হলো—যেসব শব্দে সাধারণত 'চ', 'ক', 'গ' বা 'ত' এর প্রাধান্য থাকে এবং দৈনন্দিন ব্যবহার্য বস্তু বোঝায়, সেগুলো প্রায়ই তুর্কি হয়।</li>
<li>একইভাবে তুর্কি ভাষার আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: <strong>চাকু, কুলি, বেগম, বাবুর্চি, তোপ</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'কাঁচি' শব্দটির উৎস হিসেবে চোখ বন্ধ করে <strong>তুর্কি</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গুজরাটি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>‘হরতাল’ শব্দটি মূলত একটি গুজরাটি শব্দ। এর পেছনের ইতিহাসটা বেশ মজার:</p>
<ul>
<li>‘হরতাল’ শব্দটি দুটি গুজরাটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত: <strong>‘হর’</strong> (যার অর্থ হলো প্রত্যেক বা সব) এবং <strong>‘তাল’</strong> (যার অর্থ হলো তালা)।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো প্রতিবাদ বা আন্দোলনের অংশ হিসেবে দোকানপাট বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সব তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়, তখন তাকেই আমরা ‘হরতাল’ বলি।</li>
</ul>
<p>গান্ধীজি যখন ভারতে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন শুরু করেন, তখন থেকেই এই শব্দটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তাই পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা একদম সহজ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত ধর্মীয় ও সামাজিক অনেক শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই সরাসরি ফারসি থেকে এসেছে, যার মধ্যে <strong>নামাজ</strong> এবং <strong>রোজা</strong> অন্যতম।</li>
<li>আরবি ভাষার শব্দগুলো সাধারণত ইসলামের মৌলিক ইবাদত বা কোরআনের পরিভাষার সাথে বেশি সম্পর্কিত, কিন্তু নামাজ ও রোজা শব্দ দুটি ফারসি ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বাংলায় স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে <strong>ফারসি</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে কিছু শব্দ নির্দিষ্ট উৎস থেকে এসেছে যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মিশে আছে।</p>
<ul>
<li>‘জানালা’ শব্দটি মূলত পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>পর্তুগিজরা যখন বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, তখন তাদের ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেয়।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো—পর্তুগিজ শব্দগুলোর তালিকায় ‘জানালা’, ‘আলমারি’, ‘চাবি’ এবং ‘সাবান’-এর মতো শব্দগুলো প্রায়ই আসে। তাই এই শব্দগুলো একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু নির্দিষ্ট শব্দ সরাসরি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>‘দারোগা’ শব্দটি তুর্কি শব্দভাণ্ডার থেকে আগত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এমন আরও কিছু তুর্কি শব্দের উদাহরণ হলো: <strong>বাবুর্চি</strong>, <strong>বেগম</strong>, <strong>চাকু</strong>, <strong>কুলি</strong> এবং <strong>তোপ</strong>।</li>
<li>এই শব্দগুলো মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন: ‘দারোগা বাবুর্চিকে চাকু দিয়ে কুলি করতে বললেন’। এতে মূল শব্দগুলো সহজেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই অন্য ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ‘কুলি’ একটি অন্যতম শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>তুর্কি শব্দগুলো সাধারণত দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা পেশার সাথে সম্পর্কিত হয়।</li>
<li>‘কুলি’ ছাড়াও তুর্কি ভাষার আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: <strong>চাকু, কাঁচি, দারোগা, বেগম, বাবুর্চি</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় এই শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই এই ছোট তালিকাটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু বিশেষ শব্দ আছে যা সরাসরি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>কাঁচি</strong> শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত।</li>
<li>তুর্কি ভাষার আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: <strong>চাকু</strong>, <strong>কুলি</strong>, <strong>বেগম</strong>, <strong>দারোগা</strong> এবং <strong>তোপ</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই এই ছোট তালিকাটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই অন্য ভাষা থেকে এসেছে। 'চাহিদা' শব্দটি মূলত পাঞ্জাবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। এটি একটি বিশেষ শব্দ যা আমরা দৈনন্দিন জীবনে কোনো কিছুর প্রয়োজন বোঝাতে ব্যবহার করি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্মি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দেশে লুঙ্গির ব্যবহার ঐতিহাসিকভাবে মিয়ানমার বা তৎকালীন বার্মা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>লুঙ্গি মূলত মিয়ানমারের (বার্মা) একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে, এই শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই প্রতিবেশী দেশের সংস্কৃতি থেকে এসেছে, আর 'লুঙ্গি' তেমনই একটি শব্দ যা বর্মি উৎস থেকে আগত।</li>
</ul>
<p>‘মর্সিয়া’ শব্দের সঠিক উৎস হলো <strong>আরবি</strong> ভাষা। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘মর্সিয়া’ শব্দটি আরবি শব্দ <strong>‘মাসা’</strong> (masa) থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে কারবালার বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে যে শোকগাথা রচিত হয়, তাকেই আমরা মর্সিয়া সাহিত্য বলি।</li>
<li>যেহেতু শোক বা বিলাপের এই বিশেষ ধারার উৎপত্তি আরবীয় সংস্কৃতি ও ভাষা থেকে, তাই এর মূল উৎস আরবি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শোক বা আর্তনাদ বোঝাতে আরবি ভাষায় ব্যবহৃত শব্দ থেকেই বাংলা ভাষায় ‘মর্সিয়া’ শব্দটি এসেছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।