eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯০১৬

বৈষ্ণব পদসাহিত্য রচয়িতা হলেন--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনজনই
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনজনই</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলি রচনার ক্ষেত্রে এই তিনজন কবিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।</p>

<ul>
<li><strong>চণ্ডীদাস:</strong> তিনি বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি হিসেবে পরিচিত, যার রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক পদগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li><strong>জ্ঞানদাস:</strong> তাকে বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য বলা হয় এবং তিনি রাধার বিরহ ও অনুরাগের পদ রচনায় অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।</li>
<li><strong>গোবিন্দ দাস:</strong> তিনি পদাবলি সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কবি, যার পদের অলংকার ও ভাষার মাধুর্য অতুলনীয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বৈষ্ণব পদসাহিত্যের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে এই তিন মহাকবির অবদান অনস্বীকার্য, তাই সঠিক উত্তরটি হবে <strong>তিনজনই</strong>।</p>
৯০১৭

নাথসাহিত্য মতে আদিনাথ কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শিব
ব্যাখ্যা:
<p>নাথসাহিত্যের মূল ভিত্তি হলো যোগধর্ম বা শৈবদর্শন। এই সাহিত্যধারায় <strong>শিব</strong>-কেই আদিগুরু বা 'আদিনাথ' হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>

<ul>
<li>নাথধর্মের উৎপত্তি ও বিকাশের মূলে রয়েছে শৈব উপাসনা।</li>
<li>পরম্পরা অনুযায়ী, শিব থেকেই এই যোগ সাধনার জ্ঞান মীননাথ ও গোরক্ষনাথের মতো সিদ্ধাচার্যদের কাছে প্রবাহিত হয়েছে।</li>
<li>তাই আধ্যাত্মিক গুরুপরম্পরায় শিবই হলেন আদি বা প্রথম নাথ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নাথধর্মের সমস্ত যোগ সাধনার উৎস বা আদি পুরুষ হলেন স্বয়ং <strong>শিব</strong>।</p>
৯০১৮

সমাস কয় প্রকার ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ছয় প্রকার
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সমাস মূলত <strong>ছয় প্রকার</strong>। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>দ্বন্দ্ব সমাস:</strong> যেখানে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে।</li>
<li><strong>কর্মধারয় সমাস:</strong> যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মিলন ঘটে।</li>
<li><strong>তৎপুরুষ সমাস:</strong> যেখানে বিভক্তি লোপ পায়।</li>
<li><strong>বহুব্রীহি সমাস:</strong> যেখানে অন্য কোনো পদের অর্থ প্রধান হয়।</li>
<li><strong>দ্বিগু সমাস:</strong> যেখানে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে।</li>
<li><strong>অব্যয়ীভাব সমাস:</strong> যেখানে অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ছয়টি ভাগই সমাসের মূল ভিত্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ছয় প্রকার</strong>।</p>
৯০১৯

‘অমৃত’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গরল
ব্যাখ্যা:
<p>‘অমৃত’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>গরল</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>‘অমৃত’ বলতে সাধারণত সুধা বা পানীয়কে বোঝায় যা পান করলে অমর হওয়া যায়।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘গরল’ শব্দের অর্থ হলো বিষ।</li>
<li>যেহেতু বিষ এবং সুধা একে অপরের বিপরীত, তাই অমৃতের বিপরীত শব্দ হিসেবে গরল শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অমৃত মানে যা জীবন দেয়, আর গরল মানে যা জীবন কেড়ে নেয় বা বিষাক্ত। তাই এই দুটি শব্দ বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
৯০২০

কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি।
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণগতভাবে 'সৌজন্য' শব্দটি নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো ভদ্রতা বা অনুগ্রহ।</p>

<ul>
<li>'সৌজন্য' শব্দের সাথে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যোগ করে 'সৌজন্যতা' শব্দটি তৈরি করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।</li>
<li>তাই শুদ্ধ প্রয়োগ হবে 'সৌজন্যে', যার অর্থ হলো কারো অনুগ্রহ বা সহায়তায়।</li>
<li>সর্বনামের ক্ষেত্রে 'তার' শব্দটি চলিত রীতিতে অধিক গ্রহণযোগ্য ও মার্জিত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় বর্জন করে বাক্যটিকে সংক্ষিপ্ত ও শুদ্ধ রাখাই হলো সঠিক নিয়ম।</p>
৯০২১

প ফ ব ভ ম এগুলো কী ধরনের বর্ণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ওষ্ঠ্য বর্ণ
৯০২২

সন্ধিতে ‘চ' ও 'জ' এর নাসিক্য ধ্বনি কী হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তালব্য
ব্যাখ্যা:
<p>সন্ধিতে 'চ' ও 'জ' এর নাসিক্য ধ্বনি তালব্য হওয়ার কারণটি বেশ সহজ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো পদের শেষে 'ৎ' বা 'দ্' থাকে এবং তার পরে 'চ' বা 'জ' যুক্ত হয়, তখন সেই 'ৎ' বা 'দ্' পরিবর্তিত হয়ে পরবর্তী বর্ণের রূপ ধারণ করে।</p>

<ul>
<li>'চ' এবং 'জ' বর্ণ দুটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুর সাথে স্পর্শ করে, তাই এগুলোকে <strong>তালব্য বর্ণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সন্ধির নিয়মে 'ৎ' বা 'দ্' যখন 'চ' বা 'জ'-এর সাথে মিলিত হয়, তখন সেটি তালব্য ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেহেতু 'চ' ও 'জ' নিজেই তালব্য বর্গের অন্তর্ভুক্ত, তাই এদের প্রভাবে সন্ধিবদ্ধ রূপটিও <strong>তালব্য</strong> বৈশিষ্ট্যই বজায় রাখে।</li>
</ul>
৯০২৩

'সপ্তাহ' কোন প্রকার সংখ্যাবাচক শব্দ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরিমাণ বা গণনাবাচক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরিমাণ বা গণনাবাচক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>'সপ্তাহ' শব্দটি মূলত সাতটি দিনের সমষ্টিকে বোঝায়।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দ কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সমষ্টিকে নির্দেশ করে, তখন তাকে পরিমাণ বা গণনাবাচক শব্দ বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু 'সপ্তাহ' বলতে আমরা নির্দিষ্টভাবে $৭$ দিনের একটি একক বা পরিমাণকে বুঝি, তাই এটি গণনাবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানেই কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা পরিমাণের সমষ্টি প্রকাশ পায়, সেখানেই আমরা একে গণনাবাচক হিসেবে চিহ্নিত করি।</p>
৯০২৪

প্রথম , দশম, বিংশ প্রভৃতি কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গণনা বাচক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পূরণবাচক</strong>। প্রশ্নটিতে কিছুটা ভুল রয়েছে, তাই সঠিক বিষয়টি সহজভাবে বুঝে নিন।</p>

<p>যখন কোনো সংখ্যা দিয়ে কোনো কিছুর ক্রম বা অবস্থান বোঝানো হয়, তখন তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। যেমন:</p>

<ul>
<li><strong>প্রথম</strong> মানে হলো ১-এর অবস্থান।</li>
<li><strong>দশম</strong> মানে হলো ১০-এর অবস্থান।</li>
<li><strong>বিংশ</strong> মানে হলো ২০-এর অবস্থান।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো দিয়ে কোনো সারিতে বা সিরিজে কার অবস্থান কত নম্বরে তা প্রকাশ পায়, সেগুলোই পূরণবাচক শব্দ। তাই এই ধরনের শব্দগুলোকে আমরা সবসময় পূরণবাচক হিসেবেই মনে রাখব।</p>
৯০২৫

এক, দুই, তিন প্রভৃতি কোনধরনের সংখ্যা বাচক শব্দ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গণনা বাচক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গণনা বাচক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ যখন আমরা কোনো কিছুর পরিমাণ বা সংখ্যা গুনে প্রকাশ করি, তখন সেগুলোকে গণনা বাচক শব্দ বলা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গণনা বাচক:</strong> কোনো কিছু গোনার সময় আমরা সাধারণত এক, দুই, তিন, চার এভাবে গুনে থাকি। তাই এগুলো সরাসরি গণনার কাজে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>উদাহরণ:</strong> যেমন, আমার কাছে <strong>৫</strong>টি কলম আছে বা <strong>১০</strong> জন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। এখানে ৫ বা ১০ সংখ্যাগুলো গণনা বাচক হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, যখনই কোনো শব্দ দিয়ে সরাসরি সংখ্যা বোঝানো হয় এবং তা গোনার কাজে লাগে, তখনই সেটি <strong>গণনা বাচক</strong> শব্দ।</p>
৯০২৬

'পালামৌ' ভ্রমণকাহিনীটি কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৯০২৭

কোন ঔপন্যাসিকের চারটি উপন্যাস একত্রে সংকলিত হয়েছে ‘শতবর্ষ' নামে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রমেশচন্দ্র দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রমেশচন্দ্র দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রমেশচন্দ্র দত্তের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো বেশ জনপ্রিয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রমেশচন্দ্র দত্তের চারটি বিখ্যাত উপন্যাস—<strong>বঙ্গবিজেতা</strong>, <strong>মাধবীকঙ্কণ</strong>, <strong>মহারাষ্ট্র জীবনপ্রভাত</strong> এবং <strong>রাজপুত জীবনসন্ধ্যা</strong>—এই চারটি উপন্যাস একত্রে <strong>‘শতবর্ষ’</strong> নামে সংকলিত হয়েছে।</li>
<li>এই সংকলনটি মূলত তাঁর ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারাকে এক মলাটে নিয়ে আসার একটি চমৎকার উদ্যোগ ছিল।</li>
</ul>
৯০২৮

কোন ঔপন্যাসিক কর্তৃক ‘বঙ্গবিজেতা’ উপন্যাস রচিত হয়েছ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রমেশচন্দ্র দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রমেশচন্দ্র দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রমেশচন্দ্র দত্ত বাংলা সাহিত্যের ঐতিহাসিক উপন্যাস ধারার একজন অন্যতম পথিকৃৎ।</p>

<ul>
<li>রমেশচন্দ্র দত্ত ১৮৭৪ সালে তার বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস <strong>‘বঙ্গবিজেতা’</strong> রচনা করেন।</li>
<li>এই উপন্যাসটি মূলত মুঘল সম্রাট আকবরের সময়কার বাংলা জয়ের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>তার লেখার মূল বৈশিষ্ট্যই ছিল ইতিহাসের সাথে কল্পনার চমৎকার সমন্বয়, যা তাকে সেই সময়ের বাংলা সাহিত্যে অনন্য করে তুলেছে।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই ‘বঙ্গবিজেতা’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে রমেশচন্দ্র দত্তের নাম মনে রাখলেই চলবে!</p>
৯০২৯

তদ্ভব-এর অর্থ হলো-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তার থেকে উৎপন্ন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তার থেকে উৎপন্ন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>'তদ্ভব' শব্দটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত: 'তৎ' (অর্থাৎ সংস্কৃত) এবং 'ভব' (অর্থাৎ উৎপন্ন বা জাত)।</li>
<li>সহজ কথায়, যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় থাকলেও বিবর্তনের ধারায় প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাদেরই তদ্ভব শব্দ বলে।</li>
<li>অর্থাৎ, এই শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসেনি, বরং সংস্কৃত শব্দ থেকে পরিবর্তিত হয়ে বা <strong>তার থেকে উৎপন্ন</strong> হয়ে আমাদের ভাষায় জায়গা করে নিয়েছে।</li>
</ul>
৯০৩০

কোনটি সরল বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধনের ধর্মই অসাম্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধনের ধর্মই অসাম্য</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>একটি <strong>সরল বাক্যে</strong> একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।</li>
<li>এখানে 'ধনের ধর্ম' হলো উদ্দেশ্য এবং 'অসাম্য' হলো বিধেয়।</li>
<li>বাক্যটিতে কোনো যোজক বা অব্যয় (যেমন: কিন্তু, অথচ, যে) নেই এবং এটি কোনো খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল নয়।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি একটি অখণ্ড মনের ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি নিখুঁত সরল বাক্য।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।