<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খোকা, চাঁপা</strong>। কারণ বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ আর্য বা অনার্য কোনো ভাষা থেকেই আসেনি, বরং সরাসরি এদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু পরিচিত দেশি শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>খোকা</strong>, <strong>চাঁপা</strong>, কুলা, ডাব, টোপর, ঝোল, পেট, ডিঙি।</li>
<li>এই শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে মিশে আছে এবং এগুলোর উৎস মূলত প্রাচীন অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষা।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, যেসব শব্দ শুনলে মনে হয় একদম মাটির কাছাকাছি বা গ্রামীণ জীবনের অংশ, সেগুলোই সাধারণত দেশি শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদ</strong>। ‘বিধু’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো চন্দ্র বা চাঁদ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা কবিতায় চাঁদকে বোঝাতে ‘বিধু’ শব্দটি খুব সুন্দর একটি বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর আরও কিছু পরিচিত সমার্থক শব্দ হলো শশী, সুধাকর, হিমাংশু এবং চন্দ্র।</li>
<li>তাই যখনই কোথাও ‘বিধু’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি চাঁদের কথাই বলা হচ্ছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা অভিধানে 'কুঞ্জর' শব্দটি মূলত হাতির একটি সংস্কৃত প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li>'কুঞ্জর' ছাড়াও হাতিকে আমরা গজ, দন্তী, করী বা মাতঙ্গ নামেও চিনি।</li>
<li>পুরানো কাব্য বা সাহিত্যে বীরত্ব বোঝাতে অনেক সময় হাতির সাথে তুলনা দিয়ে 'কুঞ্জর' শব্দটি ব্যবহার করা হতো।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও 'কুঞ্জর' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>হাতি</strong> বা বিশালদেহী কোনো প্রাণীকে নির্দেশ করছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>‘শশাঙ্ক’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায় ‘শশ’ + ‘অঙ্ক’। এখানে ‘শশ’ মানে হলো খরগোশ এবং ‘অঙ্ক’ মানে হলো চিহ্ন বা কোল। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, চাঁদের গায়ে খরগোশের মতো একটি দাগ দেখা যায়, তাই চাঁদকে ‘শশাঙ্ক’ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>শশ</strong> = খরগোশ</li>
<li><strong>অঙ্ক</strong> = চিহ্ন বা কোল</li>
<li>অর্থাৎ, যার গায়ে খরগোশের চিহ্ন আছে, তিনিই হলেন <strong>চাঁদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ এই কৌশলটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দার্থ খুব দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>‘চা-বাগান’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>চায়ের বাগান</strong>। এটি একটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।</p>
<p>সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদের ব্যাসবাক্য করতে গিয়ে পদের মাঝে ‘এর’ বা ‘র’ বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন সেটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়।</li>
<li>এখানে ‘চা’ এবং ‘বাগান’ শব্দ দুটির মধ্যে সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে ‘এর’ বিভক্তি যোগ করা হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, বাগানটি মূলত চায়ের, তাই ব্যাসবাক্যটি হবে <strong>চায়ের বাগান</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চাল - ডাল</strong>। দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত সমার্থক, বিপরীতার্থক বা মিল আছে এমন শব্দের মিলন ঘটে। তবে খাঁটি বাংলা দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে:</p>
<ul>
<li><strong>চাল - ডাল</strong> শব্দ দুটি খাঁটি দেশি শব্দ থেকে এসেছে।</li>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত 'ও', 'আর', 'এবং' অব্যয় লোপ পায়। এখানে চাল ও ডাল মিলে একটি জোড়া তৈরি করেছে যা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের ক্ষেত্রে আমরা সচরাচর ব্যবহার করি।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর তুলনায় এটি খাঁটি বাংলা শব্দভাণ্ডারের শব্দ দিয়ে গঠিত, তাই ব্যাকরণগতভাবে এটিই খাঁটি বাংলা দ্বন্দ্ব সমাসের সবচেয়ে উপযুক্ত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তুর্কি শব্দের তালিকা মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো কিছু নির্দিষ্ট শব্দ মুখস্থ রাখা। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাকু, তোপ</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>তুর্কি শব্দগুলো সাধারণত যুদ্ধাস্ত্র বা দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট জিনিসের সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>প্রধান তুর্কি শব্দগুলো হলো: <strong>চাকু, তোপ, বন্দুক, দারোগা, বেগম, বাবুর্চি, কুলি, সাগুদানা</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই শব্দগুলো একটি ছোট ছন্দের মতো করে মনে রাখলে আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
<p>তাই, যখনই তুর্কি শব্দের কথা আসবে, মনে রাখবেন যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত <strong>তোপ</strong> আর হাতের কাছে থাকা <strong>চাকু</strong>—এই দুটিই হলো তুর্কি ভাষার শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ডাব</strong>। বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে যা অস্ট্রিক বা কোল জাতির ভাষা থেকে এসেছে, যাদের আমরা দেশি শব্দ বলি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই দেশি। যেমন: <strong>ডাব</strong>, কুলা, টোপর, ঝোল, পেট ইত্যাদি।</li>
<li>এই শব্দগুলোর মূল উৎস আমাদের এই অঞ্চলের আদিম জনগোষ্ঠী। তাই এগুলো কোনো বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি, বরং বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ হিসেবেই পরিচিত।</li>
</ul>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'চোখের বালি' বাগধারাটি মূলত এমন কাউকে বোঝায় যাকে দেখলে চোখের অস্বস্তি হয় বা যার উপস্থিতি আমাদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি আমাদের অপছন্দের বা যার ওপর আমরা ক্ষিপ্ত, তাকেই আমরা <strong>চক্ষুশূল</strong> বলে থাকি।</li>
<li>তাই চোখের বালি এবং চক্ষুশূল—এই দুটি শব্দই একই অর্থ বহন করে, অর্থাৎ কারো প্রতি তীব্র বিরক্তি বা অপছন্দ প্রকাশ করা।</li>
</ul>
<p>চলিষ্ণু শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>চল + ইষ্ণু</strong>। এটি খুব সহজেই মনে রাখা যায় নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করলে:</p>
<ul>
<li>এখানে মূল ধাতু বা প্রকৃতি হলো <strong>চল</strong>, যার অর্থ হলো চলা বা গতিশীল হওয়া।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয়েছে <strong>ইষ্ণু</strong> প্রত্যয়, যা সাধারণত কোনো কিছুর প্রবণতা বা স্বভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যখন আমরা <strong>চল</strong> ধাতুর সাথে <strong>ইষ্ণু</strong> যোগ করি, তখন সন্ধির নিয়মে এটি মিলে গিয়ে <strong>চলিষ্ণু</strong> শব্দ তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর চলন বা গতিশীল হওয়ার স্বভাব বোঝাতে <strong>চল</strong> ধাতুর সাথে <strong>ইষ্ণু</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>চল + ইষ্ণু</strong>।</p>
<p>‘চলচ্চিত্র’ শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>চলৎ + চিত্র</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যদি ‘ৎ’ বা ‘দ্’-এর পরে ‘চ’ বা ‘ছ’ থাকে, তবে ‘ৎ’ বা ‘দ্’ পরিবর্তিত হয়ে ‘চ’ হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>চলৎ + চিত্র</strong> শব্দটিতে ‘ৎ’-এর সাথে ‘চ’-এর মিলনে ‘ৎ’ পরিবর্তিত হয়ে ‘চ’ হয়েছে।</li>
<li>ফলাফল হিসেবে আমরা পাই: <strong>চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো সময় এমন শব্দ সহজেই ভেঙে ফেলা সম্ভব!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চলাকালে</strong>। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ বর্জন করা জরুরি।</p>
<ul>
<li>'চলাকাল' শব্দটির মধ্যেই 'সময়' বা 'কাল' বিষয়টি নিহিত আছে।</li>
<li>তাই আলাদা করে 'সময়' বা 'কালে' যোগ করলে তা বাহুল্য মনে হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>চলাকাল</strong> বা <strong>চলাকালে</strong> বললে বিষয়টি পূর্ণতা পায়, তাই অন্য অপশনগুলো এখানে অপ্রয়োজনীয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চল্</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ক্রিয়াপদের মূল অংশ বা ধাতুকে নির্দেশ করতে হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li>'চলন্ত' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'চল্' ধাতুর সাথে 'অন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।</li>
<li>ক্রিয়ামূল বা ধাতু বোঝাতে শব্দের নিচে হসন্ত (্) দেওয়া বাধ্যতামূলক, তাই সঠিক রূপটি হবে <strong>চল্</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ক্রিয়ার মূল রূপটিই হলো ধাতু, আর এখানে 'চল্' হলো সেই মূল অংশ।</li>
</ul>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।