<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে প্রতিটি রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন ভিন্ন হয়।</p>
<ul>
<li>আলোর বর্ণালীর বিন্যাস অনুযায়ী বেগুনি রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় $700 \text{ nm}$ থেকে $750 \text{ nm}$ এর কাছাকাছি হয়ে থাকে।</li>
<li>তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ার কারণেই লাল আলো অনেক দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, তাই বিপদ সংকেত বা ট্রাফিক সিগন্যালে লাল রঙ ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>চিপসের প্যাকেটে সাধারণত <strong>নাইট্রোজেন</strong> গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এর পেছনের কারণটি বেশ মজার এবং বিজ্ঞানসম্মত:</p>
<ul>
<li>চিপস যাতে মচমচে থাকে এবং নষ্ট না হয়, সেজন্য প্যাকেটের ভেতর থেকে অক্সিজেন বের করে সেখানে নাইট্রোজেন ভরা হয়।</li>
<li>নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা চিপসের তেলের সাথে বিক্রিয়া করে না। ফলে চিপস দীর্ঘ সময় ধরে সতেজ ও সুস্বাদু থাকে।</li>
<li>প্যাকেটটি ফোলা রাখার মাধ্যমে এটি পরিবহনের সময় চিপসকে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চিপসকে বাতাস থেকে রক্ষা করে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্যই নাইট্রোজেনের এই ব্যবহার।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কলেরা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কলেরা কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়, বরং এটি একটি <strong>ব্যাকটেরিয়াজনিত</strong> রোগ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>কলেরা রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার নাম হলো <em>Vibrio cholerae</em>।</li>
<li>এটি সাধারণত দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।</li>
<li>অন্যদিকে, মাম্পস, হাম এবং হার্পিস—এই তিনটিই ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কলেরা নিয়ে প্রশ্ন আসবে, মনে রাখবেন এটি একটি ব্যাকটেরিয়ার কারসাজি, ভাইরাসের নয়!</p>
৪
চোখের কোন অঙ্গ আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে পরিণত করে ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রেটিনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>আমাদের চোখের ভেতরে থাকা <strong>রেটিনা</strong> অনেকটা ক্যামেরার ফিল্মের মতো কাজ করে।</li>
<li>বাইরের জগত থেকে আসা আলোক রশ্মি যখন চোখের লেন্সের ভেতর দিয়ে গিয়ে রেটিনায় পড়ে, তখন সেখানে থাকা বিশেষ কিছু কোষ (রড ও কোণ কোষ) সেই আলোক শক্তিকে গ্রহণ করে।</li>
<li>এই কোষগুলো আলোক শক্তিকে সাথে সাথে <strong>তড়িৎ সংকেতে</strong> বা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালে রূপান্তর করে ফেলে।</li>
<li>পরবর্তীতে এই তড়িৎ সংকেত অপটিক নার্ভের মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছায়, আর আমরা কোনো বস্তুকে দেখতে পাই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রেটিনাই হলো আমাদের চোখের সেই অংশ যা আলোকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে মস্তিষ্কে খবর পাঠায়।</p>
<p>রেডিওঅ্যাকটিভ বা তেজস্ক্রিয় মৌল খুঁজে বের করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর যন্ত্র হলো <strong>গাইগার মুলার কাউন্টার</strong>। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে প্রতিনিয়ত আলফা, বিটা বা গামা রশ্মি নির্গত হয়।</li>
<li>গাইগার মুলার কাউন্টার এই অদৃশ্য রশ্মিগুলোকে শনাক্ত করতে পারে।</li>
<li>যখনই কোনো তেজস্ক্রিয় মৌলের কাছাকাছি এই যন্ত্রটি নেওয়া হয়, তখন এটি তড়িৎ আধানের উপস্থিতিতে সংকেত বা 'ক্লিক' শব্দ তৈরি করে, যা দেখে আমরা সহজেই তেজস্ক্রিয়তার উপস্থিতি বুঝতে পারি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তেজস্ক্রিয় বিকিরণ মাপার জন্য এটিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয় যন্ত্র।</p>
<p>উদ্ভিদের পাতা হলদে হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো <strong>নাইট্রোজেনের</strong> অভাব। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>নাইট্রোজেন উদ্ভিদের ক্লোরোফিল তৈরির মূল উপাদান।</li>
<li>ক্লোরোফিল ছাড়া পাতা সবুজ থাকতে পারে না।</li>
<li>যখন মাটিতে নাইট্রোজেনের ঘাটতি দেখা দেয়, তখন ক্লোরোফিলের উৎপাদন কমে যায়, ফলে পাতা তার গাঢ় সবুজ রঙ হারিয়ে ফ্যাকাশে বা হলদেটে হয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নাইট্রোজেন হলো গাছের পাতার 'সবুজ রঙের কারিগর'। এর অভাবে গাছের বৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হয় এবং পুরনো পাতাগুলো সবার আগে হলুদ হতে শুরু করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতিসরণ</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্ব এবং তাপমাত্রা সবসময় সমান থাকে না।</li>
<li>মহাকাশ থেকে আসা তারার আলো যখন বায়ুমণ্ডলের এই ঘন ও পাতলা বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে আসে, তখন বারবার তার দিক পরিবর্তন করে বা বেঁকে যায়।</li>
<li>এই আলোর দিক পরিবর্তনের ঘটনাকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় <strong>প্রতিসরণ</strong>।</li>
<li>আমাদের চোখে এই আলো বারবার দিক পরিবর্তন করে পৌঁছায় বলে মনে হয় তারাগুলো কাঁপছে বা মিটমিট করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বায়ুমণ্ডলের স্তরে স্তরে আলোর এই <strong>প্রতিসরণ</strong> হওয়ার কারণেই আমরা রাতের আকাশে তারার মিটমিট খেলা দেখতে পাই।</p>
৮
আমাদের দেশে একজন পূণবয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক প্রায় গড় কিলো ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন ?
<p>একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং শরীরের স্বাভাবিক বিপাকক্রিয়া সচল রাখার জন্য গড়ে প্রায় <strong>2500</strong> কিলো ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। তবে এই শক্তির চাহিদা মূলত নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক পরিশ্রমের ধরন, বয়স এবং লিঙ্গের ওপর।</p>
<ul>
<li>একজন সুস্থ ও কর্মক্ষম মানুষের শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজের জন্য শক্তির জোগান দেওয়া জরুরি।</li>
<li>গড় হিসাব অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ক্যালরির চাহিদা হলো প্রায় <strong>2500</strong> কিলো ক্যালরি।</li>
<li>যদি কেউ অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রম করেন, তবে এই চাহিদার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।</li>
</ul>
৯
একটি ধাবত মুদ্রা ও একটি পালক বায়ু শূন্য স্থানে উপর থেকে এক সঙ্গে পতিত হলে কোনটি প্রথমে নিচে পড়বে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটো একসঙ্গে</strong>। বিষয়টি শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী এটি খুবই সহজ।</p>
<p>সাধারণত আমরা দেখি পালক পরে পড়ে, কারণ বাতাসের বাধা পালককে বাধা দেয়। কিন্তু বায়ুশূন্য স্থানে কোনো বাতাসের বাধা থাকে না, তাই অভিকর্ষজ ত্বরণ ($g$) সব বস্তুর ওপর সমানভাবে কাজ করে।</p>
<ul>
<li>বায়ুশূন্য স্থানে বাতাসের বাধা না থাকায় বস্তুর ভরের ওপর নির্ভরতা থাকে না।</li>
<li>গ্যালিলিওর সূত্র অনুযায়ী, বায়ুশূন্য স্থানে সব বস্তু একই সময়ে নিচে পড়ে।</li>
<li>তাই ধাতব মুদ্রা এবং পালক উভয়ই একই ত্বরণে নিচে নামবে এবং <strong>একই সাথে</strong> মাটিতে পৌঁছাবে।</li>
</ul>
১০
পলিথিন পোড়ালে এর উপকরণ পলিভিনাইল ক্লোরাইড পুড়ে উৎপন্ন হয়
<p>পলিথিন বা পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC) যখন অপর্যাপ্ত অক্সিজেনে পোড়ানো হয়, তখন দহন প্রক্রিয়াটি অসম্পূর্ণ থাকে। এই অসম্পূর্ণ দহনের ফলেই মূলত বিষাক্ত <strong>কার্বন মনো অক্সাইড</strong> গ্যাস উৎপন্ন হয়।</p>
<ul>
<li>পলিথিন মূলত হাইড্রোকার্বন চেইন দিয়ে গঠিত।</li>
<li>অক্সিজেনের অভাব থাকলে কার্বন পুরোপুরি জারিত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড হতে পারে না।</li>
<li>এর ফলে কার্বন এবং অক্সিজেনের অসম্পূর্ণ বিক্রিয়ায় তৈরি হয় <strong>$CO$</strong> বা কার্বন মনো অক্সাইড।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাতাসের অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকলে দহন অসম্পূর্ণ হয়, আর সেই অসম্পূর্ণ দহনের প্রধান উপজাত হলো এই ক্ষতিকর গ্যাসটি।</p>
<p>মায়ের গর্ভকাল বা গর্ভাবস্থার স্বাভাবিক সময়কাল সাধারণত <strong>২৭০ থেকে ২৮০ দিন</strong> বা প্রায় ৯ মাস ১০ দিন হিসেবে ধরা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ৪০ সপ্তাহ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>গড় সময়কাল: <strong>২৭০-২৮০ দিন</strong>।</li>
<li>সপ্তাহের হিসেবে: $40 \times 7 = 280$ দিন।</li>
<li>মাসের হিসেবে: ৯ মাস ১০ দিন।</li>
</ul>
<p>এই সময়সীমাটি শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে গণনা করা হয়, যা ভ্রূণের পূর্ণ বিকাশের জন্য একটি আদর্শ সময়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>২৭০-২৮০ দিন</strong>।</p>
<p>বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি হলো <strong>৫০ হার্জ</strong>। এর মানে হলো, আমাদের বৈদ্যুতিক লাইনের কারেন্ট প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার তার দিক পরিবর্তন করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি সবসময় <strong>৫০ হার্জ</strong> নির্ধারণ করা হয়েছে।</li>
<li>এটি একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড, যা আমাদের দেশের সব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা অ্যাপ্লায়েন্সের জন্য প্রযোজ্য।</li>
<li>গাণিতিকভাবে আমরা একে এভাবে দেখি: $f = 50 \text{ Hz}$।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, আমাদের দেশের পাওয়ার গ্রিড সিস্টেম এই ৫০ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতেই কাজ করে, যা আমাদের ঘরের লাইট, ফ্যান বা অন্যান্য যন্ত্রপাতির সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।</p>
<p>মানবদেহে মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকাল হলো <strong>০.১ সেকেন্ড</strong>। এর মানে হলো, আমরা যখন কোনো শব্দ শুনি, আমাদের মস্তিষ্ক সেই শব্দটিকে ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে।</p>
<p>সহজভাবে বিষয়টি বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের মস্তিষ্কের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল নির্দিষ্ট, যা হলো $0.1$ সেকেন্ড।</li>
<li>যদি কোনো শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি এই সময়ের চেয়ে কম সময়ের ব্যবধানে আমাদের কানে পৌঁছায়, তবে আমরা মূল শব্দ এবং প্রতিফলিত শব্দকে আলাদা করতে পারি না।</li>
<li>তাই স্পষ্ট প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের সময়ের পার্থক্য অবশ্যই $0.1$ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হয়।</li>
</ul>
<p>জাহাজের দিক নির্ণয়ের জন্য সঠিক উত্তর হলো <strong>জাইরোকম্পাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি পৃথিবীর ঘূর্ণন গতিকে কাজে লাগিয়ে কাজ করে।</p>
<ul>
<li><strong>জাইরোকম্পাস</strong> মূলত একটি ঘূর্ণায়মান চাকা বা জাইরোস্কোপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।</li>
<li>এটি পৃথিবীর ভৌগোলিক উত্তর মেরু বা ট্রু নর্থ (True North) খুঁজে বের করতে পারে, যা জাহাজের সঠিক দিক নির্দেশনায় অত্যন্ত কার্যকর।</li>
<li>সাধারণ চুম্বকীয় কম্পাসের মতো এটি জাহাজের ধাতব কাঠামোর প্রভাবে দিক পরিবর্তন করে না, তাই সমুদ্রের মাঝখানে এটিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যন্ত্র।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সমুদ্রের বিশাল জলরাশিতে জাহাজের সঠিক পথ ধরে এগিয়ে যাওয়ার জন্য জাইরোকম্পাসই হলো নাবিকদের প্রধান ভরসা।</p>
<p>ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকেমিয়া শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে <strong>ফসফরাস-৩২</strong> আইসোটোপ অত্যন্ত কার্যকর। এটি মূলত একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা শরীরের নির্দিষ্ট কোষে গিয়ে কাজ করতে পারে।</p>
<p>এর কার্যপদ্ধতি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ফসফরাস-৩২ শরীরে প্রবেশ করালে এটি দ্রুত বিভাজনশীল কোষগুলোকে টার্গেট করে।</li>
<li>যেহেতু ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলো সাধারণ কোষের তুলনায় অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পায়, তাই এই আইসোটোপটি সহজেই সেই কোষগুলোকে শনাক্ত করতে পারে।</li>
<li>এটি থেকে নির্গত বিটা রশ্মি ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ধ্বংস করে রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় ফসফরাস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সরাসরি আক্রান্ত কোষের ওপর প্রভাব ফেলে সুস্থ কোষের ক্ষতি কমিয়ে আনে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
সাধারণ বিজ্ঞান
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।