eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৮৭৪৫ টি
সকল বিষয়
সাধারণ বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১

কোন আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে প্রতিটি রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন ভিন্ন হয়।</p>

<ul>
<li>আলোর বর্ণালীর বিন্যাস অনুযায়ী বেগুনি রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় $700 \text{ nm}$ থেকে $750 \text{ nm}$ এর কাছাকাছি হয়ে থাকে।</li>
<li>তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ার কারণেই লাল আলো অনেক দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, তাই বিপদ সংকেত বা ট্রাফিক সিগন্যালে লাল রঙ ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
২

চিপস এর প্যাকেটে কোন গ্যাস থাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা:
<p>চিপসের প্যাকেটে সাধারণত <strong>নাইট্রোজেন</strong> গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এর পেছনের কারণটি বেশ মজার এবং বিজ্ঞানসম্মত:</p>

<ul>
<li>চিপস যাতে মচমচে থাকে এবং নষ্ট না হয়, সেজন্য প্যাকেটের ভেতর থেকে অক্সিজেন বের করে সেখানে নাইট্রোজেন ভরা হয়।</li>
<li>নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা চিপসের তেলের সাথে বিক্রিয়া করে না। ফলে চিপস দীর্ঘ সময় ধরে সতেজ ও সুস্বাদু থাকে।</li>
<li>প্যাকেটটি ফোলা রাখার মাধ্যমে এটি পরিবহনের সময় চিপসকে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চিপসকে বাতাস থেকে রক্ষা করে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্যই নাইট্রোজেনের এই ব্যবহার।</p>
৩

নিচের কোনটি ভাইরাস জনিত রোগ নয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কলেরা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কলেরা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কলেরা কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়, বরং এটি একটি <strong>ব্যাকটেরিয়াজনিত</strong> রোগ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>কলেরা রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার নাম হলো <em>Vibrio cholerae</em>।</li>
<li>এটি সাধারণত দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।</li>
<li>অন্যদিকে, মাম্পস, হাম এবং হার্পিস—এই তিনটিই ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই কলেরা নিয়ে প্রশ্ন আসবে, মনে রাখবেন এটি একটি ব্যাকটেরিয়ার কারসাজি, ভাইরাসের নয়!</p>
৪

চোখের কোন অঙ্গ আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে পরিণত করে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রেটিনা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রেটিনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>আমাদের চোখের ভেতরে থাকা <strong>রেটিনা</strong> অনেকটা ক্যামেরার ফিল্মের মতো কাজ করে।</li>
<li>বাইরের জগত থেকে আসা আলোক রশ্মি যখন চোখের লেন্সের ভেতর দিয়ে গিয়ে রেটিনায় পড়ে, তখন সেখানে থাকা বিশেষ কিছু কোষ (রড ও কোণ কোষ) সেই আলোক শক্তিকে গ্রহণ করে।</li>
<li>এই কোষগুলো আলোক শক্তিকে সাথে সাথে <strong>তড়িৎ সংকেতে</strong> বা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালে রূপান্তর করে ফেলে।</li>
<li>পরবর্তীতে এই তড়িৎ সংকেত অপটিক নার্ভের মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছায়, আর আমরা কোনো বস্তুকে দেখতে পাই।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, রেটিনাই হলো আমাদের চোখের সেই অংশ যা আলোকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে মস্তিষ্কে খবর পাঠায়।</p>
৫

রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল অনুসন্ধান করার যন্ত্র কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গাইগার মুলার কাউন্টার
ব্যাখ্যা:
<p>রেডিওঅ্যাকটিভ বা তেজস্ক্রিয় মৌল খুঁজে বের করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর যন্ত্র হলো <strong>গাইগার মুলার কাউন্টার</strong>। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে প্রতিনিয়ত আলফা, বিটা বা গামা রশ্মি নির্গত হয়।</li>
<li>গাইগার মুলার কাউন্টার এই অদৃশ্য রশ্মিগুলোকে শনাক্ত করতে পারে।</li>
<li>যখনই কোনো তেজস্ক্রিয় মৌলের কাছাকাছি এই যন্ত্রটি নেওয়া হয়, তখন এটি তড়িৎ আধানের উপস্থিতিতে সংকেত বা 'ক্লিক' শব্দ তৈরি করে, যা দেখে আমরা সহজেই তেজস্ক্রিয়তার উপস্থিতি বুঝতে পারি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তেজস্ক্রিয় বিকিরণ মাপার জন্য এটিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয় যন্ত্র।</p>
৬

উদ্ভিদের পাতা হলদে হয়ে যায় কিসের অভাবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেনের
ব্যাখ্যা:
<p>উদ্ভিদের পাতা হলদে হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো <strong>নাইট্রোজেনের</strong> অভাব। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>নাইট্রোজেন উদ্ভিদের ক্লোরোফিল তৈরির মূল উপাদান।</li>
<li>ক্লোরোফিল ছাড়া পাতা সবুজ থাকতে পারে না।</li>
<li>যখন মাটিতে নাইট্রোজেনের ঘাটতি দেখা দেয়, তখন ক্লোরোফিলের উৎপাদন কমে যায়, ফলে পাতা তার গাঢ় সবুজ রঙ হারিয়ে ফ্যাকাশে বা হলদেটে হয়ে যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নাইট্রোজেন হলো গাছের পাতার 'সবুজ রঙের কারিগর'। এর অভাবে গাছের বৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হয় এবং পুরনো পাতাগুলো সবার আগে হলুদ হতে শুরু করে।</p>
৭

রাতের আকাশে তারাগুলো মিটমিট করার কারণ আলোর

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতিসরণ</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্ব এবং তাপমাত্রা সবসময় সমান থাকে না।</li>
<li>মহাকাশ থেকে আসা তারার আলো যখন বায়ুমণ্ডলের এই ঘন ও পাতলা বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে আসে, তখন বারবার তার দিক পরিবর্তন করে বা বেঁকে যায়।</li>
<li>এই আলোর দিক পরিবর্তনের ঘটনাকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় <strong>প্রতিসরণ</strong>।</li>
<li>আমাদের চোখে এই আলো বারবার দিক পরিবর্তন করে পৌঁছায় বলে মনে হয় তারাগুলো কাঁপছে বা মিটমিট করছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বায়ুমণ্ডলের স্তরে স্তরে আলোর এই <strong>প্রতিসরণ</strong> হওয়ার কারণেই আমরা রাতের আকাশে তারার মিটমিট খেলা দেখতে পাই।</p>
৮

আমাদের দেশে একজন পূণবয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক প্রায় গড় কিলো ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
2500
ব্যাখ্যা:
<p>একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং শরীরের স্বাভাবিক বিপাকক্রিয়া সচল রাখার জন্য গড়ে প্রায় <strong>2500</strong> কিলো ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। তবে এই শক্তির চাহিদা মূলত নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক পরিশ্রমের ধরন, বয়স এবং লিঙ্গের ওপর।</p>

<ul>
<li>একজন সুস্থ ও কর্মক্ষম মানুষের শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজের জন্য শক্তির জোগান দেওয়া জরুরি।</li>
<li>গড় হিসাব অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ক্যালরির চাহিদা হলো প্রায় <strong>2500</strong> কিলো ক্যালরি।</li>
<li>যদি কেউ অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রম করেন, তবে এই চাহিদার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।</li>
</ul>
৯

একটি ধাবত মুদ্রা ‍ ও একটি পালক বায়ু শূন্য স্থানে উপর থেকে এক সঙ্গে পতিত হলে কোনটি প্রথমে নিচে পড়বে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দুটো একসঙ্গে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটো একসঙ্গে</strong>। বিষয়টি শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী এটি খুবই সহজ।</p>

<p>সাধারণত আমরা দেখি পালক পরে পড়ে, কারণ বাতাসের বাধা পালককে বাধা দেয়। কিন্তু বায়ুশূন্য স্থানে কোনো বাতাসের বাধা থাকে না, তাই অভিকর্ষজ ত্বরণ ($g$) সব বস্তুর ওপর সমানভাবে কাজ করে।</p>

<ul>
<li>বায়ুশূন্য স্থানে বাতাসের বাধা না থাকায় বস্তুর ভরের ওপর নির্ভরতা থাকে না।</li>
<li>গ্যালিলিওর সূত্র অনুযায়ী, বায়ুশূন্য স্থানে সব বস্তু একই সময়ে নিচে পড়ে।</li>
<li>তাই ধাতব মুদ্রা এবং পালক উভয়ই একই ত্বরণে নিচে নামবে এবং <strong>একই সাথে</strong> মাটিতে পৌঁছাবে।</li>
</ul>
১০

পলিথিন পোড়ালে এর উপকরণ পলিভিনাইল ক্লোরাইড পুড়ে উৎপন্ন হয়

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনো অক্সাইড
ব্যাখ্যা:
<p>পলিথিন বা পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC) যখন অপর্যাপ্ত অক্সিজেনে পোড়ানো হয়, তখন দহন প্রক্রিয়াটি অসম্পূর্ণ থাকে। এই অসম্পূর্ণ দহনের ফলেই মূলত বিষাক্ত <strong>কার্বন মনো অক্সাইড</strong> গ্যাস উৎপন্ন হয়।</p>

<ul>
<li>পলিথিন মূলত হাইড্রোকার্বন চেইন দিয়ে গঠিত।</li>
<li>অক্সিজেনের অভাব থাকলে কার্বন পুরোপুরি জারিত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড হতে পারে না।</li>
<li>এর ফলে কার্বন এবং অক্সিজেনের অসম্পূর্ণ বিক্রিয়ায় তৈরি হয় <strong>$CO$</strong> বা কার্বন মনো অক্সাইড।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাতাসের অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকলে দহন অসম্পূর্ণ হয়, আর সেই অসম্পূর্ণ দহনের প্রধান উপজাত হলো এই ক্ষতিকর গ্যাসটি।</p>
১১

মায়ের গর্ভকালনি সময়ের বিস্তৃতি কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
২৭০-২৮০দিন
ব্যাখ্যা:
<p>মায়ের গর্ভকাল বা গর্ভাবস্থার স্বাভাবিক সময়কাল সাধারণত <strong>২৭০ থেকে ২৮০ দিন</strong> বা প্রায় ৯ মাস ১০ দিন হিসেবে ধরা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ৪০ সপ্তাহ বলা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>গড় সময়কাল: <strong>২৭০-২৮০ দিন</strong>।</li>
<li>সপ্তাহের হিসেবে: $40 \times 7 = 280$ দিন।</li>
<li>মাসের হিসেবে: ৯ মাস ১০ দিন।</li>
</ul>

<p>এই সময়সীমাটি শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে গণনা করা হয়, যা ভ্রূণের পূর্ণ বিকাশের জন্য একটি আদর্শ সময়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>২৭০-২৮০ দিন</strong>।</p>
১২

বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি কত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গ.৫০ হার্জ
ব্যাখ্যা:
<p>বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি হলো <strong>৫০ হার্জ</strong>। এর মানে হলো, আমাদের বৈদ্যুতিক লাইনের কারেন্ট প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার তার দিক পরিবর্তন করে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি সবসময় <strong>৫০ হার্জ</strong> নির্ধারণ করা হয়েছে।</li>
<li>এটি একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড, যা আমাদের দেশের সব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা অ্যাপ্লায়েন্সের জন্য প্রযোজ্য।</li>
<li>গাণিতিকভাবে আমরা একে এভাবে দেখি: $f = 50 \text{ Hz}$।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, আমাদের দেশের পাওয়ার গ্রিড সিস্টেম এই ৫০ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতেই কাজ করে, যা আমাদের ঘরের লাইট, ফ্যান বা অন্যান্য যন্ত্রপাতির সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।</p>
১৩

মানবদেহে মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকাল কত ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
০.১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা:
<p>মানবদেহে মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকাল হলো <strong>০.১ সেকেন্ড</strong>। এর মানে হলো, আমরা যখন কোনো শব্দ শুনি, আমাদের মস্তিষ্ক সেই শব্দটিকে ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে।</p>

<p>সহজভাবে বিষয়টি বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের মস্তিষ্কের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল নির্দিষ্ট, যা হলো $0.1$ সেকেন্ড।</li>
<li>যদি কোনো শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি এই সময়ের চেয়ে কম সময়ের ব্যবধানে আমাদের কানে পৌঁছায়, তবে আমরা মূল শব্দ এবং প্রতিফলিত শব্দকে আলাদা করতে পারি না।</li>
<li>তাই স্পষ্ট প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের সময়ের পার্থক্য অবশ্যই $0.1$ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হয়।</li>
</ul>
১৪

জাহাজের দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জাইরোকম্পাস
ব্যাখ্যা:
<p>জাহাজের দিক নির্ণয়ের জন্য সঠিক উত্তর হলো <strong>জাইরোকম্পাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি পৃথিবীর ঘূর্ণন গতিকে কাজে লাগিয়ে কাজ করে।</p>

<ul>
<li><strong>জাইরোকম্পাস</strong> মূলত একটি ঘূর্ণায়মান চাকা বা জাইরোস্কোপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।</li>
<li>এটি পৃথিবীর ভৌগোলিক উত্তর মেরু বা ট্রু নর্থ (True North) খুঁজে বের করতে পারে, যা জাহাজের সঠিক দিক নির্দেশনায় অত্যন্ত কার্যকর।</li>
<li>সাধারণ চুম্বকীয় কম্পাসের মতো এটি জাহাজের ধাতব কাঠামোর প্রভাবে দিক পরিবর্তন করে না, তাই সমুদ্রের মাঝখানে এটিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যন্ত্র।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সমুদ্রের বিশাল জলরাশিতে জাহাজের সঠিক পথ ধরে এগিয়ে যাওয়ার জন্য জাইরোকম্পাসই হলো নাবিকদের প্রধান ভরসা।</p>
১৫

ব্লাড ক্যান্সার নির্ধারেণ ব্যবহৃত হয় কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস ৩২ আইসোটোপ
ব্যাখ্যা:
<p>ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকেমিয়া শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে <strong>ফসফরাস-৩২</strong> আইসোটোপ অত্যন্ত কার্যকর। এটি মূলত একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা শরীরের নির্দিষ্ট কোষে গিয়ে কাজ করতে পারে।</p>

<p>এর কার্যপদ্ধতি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ফসফরাস-৩২ শরীরে প্রবেশ করালে এটি দ্রুত বিভাজনশীল কোষগুলোকে টার্গেট করে।</li>
<li>যেহেতু ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলো সাধারণ কোষের তুলনায় অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পায়, তাই এই আইসোটোপটি সহজেই সেই কোষগুলোকে শনাক্ত করতে পারে।</li>
<li>এটি থেকে নির্গত বিটা রশ্মি ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ধ্বংস করে রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় ফসফরাস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সরাসরি আক্রান্ত কোষের ওপর প্রভাব ফেলে সুস্থ কোষের ক্ষতি কমিয়ে আনে।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...